বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৮

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

অসমাপ্ত রায় পড়া শুরু পিলখানা হত্যা মামলার

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে সেনা কর্মকর্তা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৫২ আসামির ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের আপিলের রায়ের অসমাপ্ত অংশ পড়া শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে বিচারপতি মো. শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চে রায় পড়া শুরু হয়। আজ রায় পড়ছেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার। আজই রায় ঘোষণা শেষ হবে বলে আদালত জানিয়েছেন।

এর আগে রোববার রায় ঘোষণা আজ সোমবার পর্যন্ত মুলতবি করেন হাইকোর্ট। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার। রোববার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিট থেকে রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি মো. শওকত হোসেন। মাঝে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে টানা ৪টায় পর্যন্ত রায় পড়া চলে। প্রথম দিনে বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী তার পর্যবেক্ষণ পড়া শেষ করেন।

রোববার আদালত রায় ঘোষণার শুরুতেই বলেন, ‘এই রায়ে প্রায় ১ হাজার পৃষ্ঠার বেশি অবজারভেশন (পর্যবেক্ষণ) দেব। রায়টি সবমিলিয়ে ১০ হাজার পৃষ্ঠার বেশি। রায় পুরো পড়ব না। তবে পুরো পর্যবেক্ষণটি আমরা পড়ে শোনাব। পূর্ণ পর্যবেক্ষণ শেষে আমরা সামারি জাজমেন্ট (সংক্ষিপ্ত রায়) দেব। সেখানে রায়ের ফাউন্ডেশন (মূল ভিত্তি) অংশে কে কোন কারণে কী সাজা পেয়েছেন তা আমরা উল্লেখ করব। এ কারণে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।’

আদালতে বিজিবির (সাবেক বিডিআর) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। গত ১৩ এপ্রিল মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৫২ আসামির ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

২০১৫ সালে এ মামলায় বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানির জন্য বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয়।

এই বেঞ্চে ৩৭০ কার্যদিবস আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমসহ বিভিন্ন আইনজীবী শুনানিতে অংশ নেন।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআরের সদর দপ্তরে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন প্রাণ হারান। ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। পরে মামলা দুটি নিউমার্কেট থানায় স্থানান্তরিত হয়। বিচার হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসংলগ্ন আলিয়া মাদ্রাসা মাঠসংলগ্ন অস্থায়ী এজলাসে। বিচার শেষে ঢাকা মহানগর তৃতীয় বিশেষ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে বিডিআরের প্রাক্তন ডিএডি তৌহিদসহ ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া বিএনপি দলীয় প্রাক্তন সংসদ সদস্য নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু (প্রয়াত) ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীসহ ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ২৭৭ জনকে খালাস দেওয়া হয়।

রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। রায়ের পর বিভিন্ন সময়ে আসামিরা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল ও জেল আপিল করেন। এর মধ্যে ৬৯ জনকে খালাস দেওয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করেন। গুরুত্বপূর্ণ এ মামলার শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্ট বিশেষ উদ্যোগ নেন। বিশেষ ব্যবস্থায় এই মামলার পেপারবুক তৈরি করা হয়।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

কার্যকর হলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুলবিস্তারিত পড়ুন

কোটাধারীদের শাহবাগ আন্দোলন স্থগিত

সরকারী চাকুরীতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০% বহাল এবং একই স্থানে প্রতিবন্ধীদেরবিস্তারিত পড়ুন

ইয়াবা বিপণন-সেবনের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নতুন ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮’ এরবিস্তারিত পড়ুন

  • ‘গ্রেনেড হামলার রায় নিয়ে নৈরাজ্য সহ্য করা হবে না’
  • অবশেষে মালয়েশিয়া যাচ্ছে ৭০ হাজার শ্রমিক
  • পদার্থে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী
  • সিনহার বিরুদ্ধে পাবনায় সাধারণ ডায়েরি
  • তফসিল ও নির্বাচনকালীন সরকার নভেম্বরে
  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন না হলে কঠোর আন্দোলন
  • আবাসিক এলাকায় পলিথিন কারখানা : বিপন্ন পরিবেশ
  • ১৭১ যাত্রীকে বাঁচালেন যে পাইলট
  • চট্টগ্রামে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাতি মামলার আসামি নিহত
  • ১০ জেলায় নতুন ডিসি
  • ইউএনওর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘মহানুভবতার দেয়াল’
  • রোহিঙ্গা ইস্যু: আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী