শনিবার, এপ্রিল ২১, ২০১৮

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

‘আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার’

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, দেশে আইনের শাসন সুসংহত ও সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। রোববার সন্ধ্যায় সংসদে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকেল ৪টায় দশম জাতীয় সংসদের ২০১৮ সালের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকারী পলাতক খুনিদের আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা চলমান আছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও হত্যা মামলাটি বিচারিক আদালতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পর্যায়ে আছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭১ সালে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্পন্ন করছে এবং বিচারের রায় কার্যকর হচ্ছে। জঙ্গিবাদ ও উগ্র সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে জুলাই ২০১৬ হতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। ফলে, জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং জনগণ জঙ্গিবাদবিরোধী চেতনায় উজ্জীবিত হয়েছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। এ সময় মাথাপিছু জাতীয় আয় পূর্ববর্তী অর্থবছরের চেয়ে ১৪৫ মার্কিন ডলার বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৬১০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সময় রপ্তানি আয় ৩৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরো বলেন, চলতি অর্থবছরে খাদ্যভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর জন্য প্রায় ৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা, নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে খোলাবাজারে চাল বিক্রির উদ্দেশ্যে ৬১২ কোটি টাকা এবং ১০ টাকা মূল্যে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির জন্য ৭২৩ কোটি টাকার খাদ্যশস্য বরাদ্দ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতা সমুন্নত ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুজ্জ্বল রাখতে দেশ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সম্পূর্ণরূপে নির্মূলের মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে বাঙালি জাতিকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। একাত্তরের শহীদদের নিকট আমাদের অপরিশোধ্য ঋণ রয়েছে। আসুন ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে মত-পথের পার্থক্য ভুলে জাতির গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার মধ্য দিয়ে আমরা লাখো শহীদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করি।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

শাকিলই দ্বিতীয় রৌপ্য এনে দিলেন বাংলাদেশকে

অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমসের ২১তম আসরে ৫০ মিটারবিস্তারিত পড়ুন

চলছে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা

শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। সোমবার সকাল ১০টায় পরীক্ষাবিস্তারিত পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, পিপির পদ হারালেন আ. লীগ নেত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে কটূক্তি করায় খুলনা মহানগর মহিলা আওয়ামীবিস্তারিত পড়ুন

  • ভবন ভাঙতে আরও এক বছর সময় পেল বিজিএমইএ
  • ‘অনভিজ্ঞ’ তবুও কেন ‘বিপজ্জনক’ ত্রিভূবনে পৃথুলাকে পাঠানো হয়েছে
  • শাহরিনকে ঢাকায় আনা হচ্ছে
  • রাষ্ট্রীয় শোকে বাংলাদেশ : নেপালে বিমান বিধ্বস্ত !
  • নেপালের পথে মেডিকেল টিম
  • বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
  • জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশে ফেরার দিন
  • যুদ্ধাপরাধসংক্রান্ত ৩০তম মামলার রায়ের অপেক্ষা
  • কোনো দলের ভোট বর্জনের আশঙ্কা দেখছেন না সিইসি
  • আজ ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনের তফসিল
  • শীতের তীব্রতা কমতে পারে বৃহস্পতিবার থেকে
  • সৌদিতে ১০ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর শোক