মঙ্গলবার, নভেম্বর ২১, ২০১৭

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

কানাডায় নাগরিকত্বঃ

কানাডায় সাংবাদিক; অভিনয়, মডেল ও সংগীত শিল্পী; প্রযোজক, পরিচালক ও খেলোয়াড়দের দারুন সুযোগ!

পত্রিকার সম্পাদক, সাংবাদিক, অভিনেতা, অভিনেত্রী, মডেল, সংগীত ও নৃত্য শিল্পী, প্রযোজক, পরিচালক, লেখক, খেলোয়াড় সহ নির্দিষ্ট কিছু পেশার ব্যক্তিগন সেল্ফ ইমপ্লয়েড পার্সনস্ প্রোগ্রামে আবেদন করে সহজেই কানাডার নাগরিকত্ব গ্রহন করতে পারবেন।

কানাডায় নাগরিকত্ব আইন পরিবর্তন সংক্রান্ত আইন বিল সি-৬ (Bill C-6) সিনেটে পাস হয়েছে। এই বিল পাসের ফলে, কানাডায় অভিবাসীরা দেশটির নাগরিকত্বের জন্য দ্রুত এবং আগের চেয়ে আরও সহজে এখন আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া নতুন নিয়মে ২২ বছরের নীচের সন্তানরাও বাবা মায়ের সাথে ইমিগ্রেশন করে কানাডায় স্থায়ী হতে পারেন।

সঠিক নিয়মে আবেদন করলে ১ বছরের মধ্যেই পরিবারসহ কানাডার নাগরিকত্ব পাওয়া সম্ভব । ৩১ মে ২০১৭ অনুষ্ঠিত সর্বশেষ ড্র তে সি.আর.এস ৪১৩ পয়েন্ট পেয়েই আই.টি. এ পেয়ে গেছে। যা আগে কল্পনাও করা যেত না। এ থেকেই বুঝা যায়, এই বছর আরোও বেশী সংখ্যক লোকজন ইমিগ্রেশনসহ অন্যান্য ক্যাটাগরীতে কানাডায় যাবার সুযোগ পাবে। প্রাথমিক ভাবে আবেদন করার যোগ্যতা যাদের রয়েছে তাদের আর দেরী না করে একজন দক্ষ আইনজীবীর সহায়তায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুছিয়ে যথাসময়ে ও সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবেদন করা উচিত। মনে রাখতে হবে কানাডা সরকার ‘আগে আসলে, আগে পাবেন’ পলিসিতে কাজ করে। বিল সি-৬ অনুযায়ী নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে যোগ্য হতে স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে কানাডায় পাঁচ বছরের মধ্যে তিন বছর বসবাস করতে হবে, যেটি এর আগে ছিলো ছয় বছরের মধ্যে চার বছর থাকার নিয়ম। এছাড়া কানাডায় যারা অস্থায়ী স্ট্যাটাসে ছিল যেমন- ওয়ার্ক এবং স্টাডি পার্মিট, তারাও তাদের কানাডায় বসবাসের সময়টুকু তিন বছরের মেয়াদের একটি অংশ হিসেবে গণনা করতে সক্ষম হবে।

নতুন নিয়মে পিএনপি, এক্সপ্রেস এন্ট্রি, এফএসডব্লিউপি, এফএসটিপি, কিউএসডব্লিউপি, এআইপিএন, এসআইপিএন, এমপিএনপি, এনএসএনপি, বিসিপিএনপি, ওআইএনপি, আটলান্টিক ইমিগ্রেশন পাইলট প্রোগ্রাম, কেয়ারগিভার, বিজনেস, ফ্যামিলি স্পন্সরশিপ, এমপ্লয়মেন্টসহ নতুন নতুন বিভিন্ন প্রোগ্রামে সহজ নিয়মে পেশাজীবীদের ইমিগ্রেশন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আকর্ষনীয় সেল্ফ ইমপ্লয়েড পার্সনস্ প্রোগ্রাম:
কানাডাকে বলা হয় ইমিগ্র্যান্টদের স্বর্গ । সারা পৃথিবী থেকে হাজার হাজার বিভিন্ন পেশার ও ভাষার লোকজন কানাডার সমাজ ও সংস্কৃতিকে করেছে সমৃদ্ধ।বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও খেলোয়াড়দের ও সুযোগ রয়েছে আবেদন করে কানাডার নাগরিকত্ব গ্রহন করার।

পেশাসমুহ: বিভিন্ন খেলার খেলোয়াড়, কোচ, ট্রেনার, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের লোকজন যেমন: মডেল, গানের, নাচের, অভিনয়ের, মুকাভিনয় শিল্পী, কৌতুক অভিনেতা, মেকাপম্যান, প্রযোজক, পরিচালক, কোরিওগ্রাফার, ফটোগ্রাফার, ভিডিও ও ভিজ্যুয়াল ক্যামেরা পারসন, ভিডিও এডিটিং, ফ্যাশন ডিজাইনার, আ্যানিমেশন ও মাল্টিমিডিয়ার স্পেশালিষ্ট পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত লেখক, কলামিষ্ট, সম্পাদক, সাংবাদিক, কার্টুন নির্মাতা, ছড়াকার, ব্রড কাষ্ট টেকনিশিয়ান,গ্রাফিক্স ডিজাইনার, চারূ শিল্পী, ইনটেরিয়র ডিজাইনার ইত্যাদি পেশার লোকজন পরিবার সহ কানাডার নাগরিকত্ব গ্রহন করতে পারেন।

যোগ্যতাসমুহ:
• সংশ্লিষ্ট পেশায় অন্তত ০২ বছরের আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞতা।
• অথবা ০২ বছরের সেল্ফ ইমপ্লয়মেন্ট হিসাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা।
• অথবা ০২ বছরের ফার্ম ম্যানেজমেন্ট অভিজ্ঞতা।
• ০১ (এক)লক্ষ কানাডিয়ান ডলার ইনভেস্টমেন্ট করার ক্ষমতাও থাকতে হবে।
প্রয়োজনীয় পয়েন্ট: ১০০ এর মধ্যে নুন্যতম ৩৫ পয়েন্ট হলেই চলবে।

কিউবেক ইনভেস্টর প্রোগ্রাম:
আগামী ২৯ মে-২০১৭ কিউবেক ইনভেস্টর প্রোগ্রাম আবার চালু হয়েছে। সবচেয়ে দ্রুত ও কম সময়ে পরিবারসহ স্থায়ী নাগরিক হওয়ার সুযোগ রয়েছে এই প্রোগ্রামের আওতায়। আট লাখ কানাডিয়ান ডলার বিনিয়োগ করে এই প্রোগ্রামে আবেদন করা যায়। বিনিয়োগটি শতভাগ নিরাপদ।

এই প্রোগ্রামে আবেদন করার সুবিধাগুলো হলো :
• আট লাখ কানাডীয় ডলার ৫ বছরের জন্য বিনিয়োগ করার সামর্থ্য এবং ৫ বছর পর বিনা সুদে মুলধন ফেরত পাওয়া যায়।
• পরিবারসহ স্থায়ীভাবে বসবাস।
• শিক্ষাগত যোগ্যতা বা আইইএলটিএসের কোনো শর্ত নেই।
• এক দশমিক ৬ মিলিয়ন কানাডীয় ডলারের সম্পদ থাকলেই এই প্রোগ্রামের আওতায় কানাডায় স্থায়ী হওয়া যায়।
• দরখাস্ত মন্জুর হবার ৩০ দিনের মধ্যে বিনিয়োগ করতে হয়।

এন্টারপ্রেনার প্রোগ্রাম ইন কানাডা:
• ০৩ (তিন)লক্ষ কানাডিয়ান ডলার বিনিয়োগ করতে হবে।
• কৃষি, ইন্ডাসট্রিয়াল বা কমার্শিয়াল কাজে জড়িত ব্যবসায়ীরা আবেদন করতে পারবেন।
• তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেই চলবে।
• দুই ভাবে অর্থাৎ ফেডারেল এবং প্রভিন্সশনাল সরকারের এন্টারপ্রেনার প্রোগ্রাম চলমান আছে।

কানাডা সরকার পরিচালিত অন্যান্য প্রোগ্রামগুলো হচ্ছে:
১. এক্সপ্রেস এন্ট্রি:
আমেরিকার সরকার H-1B ভিসা নিয়ে কড়াকড়ি আরোপ করার পর, বিপুল সংখ্যক দক্ষ ও যোগ্য পেশাজীবিদের মাইগ্রেশনের শেষ ভরসাস্থল এখন এক্সপ্রেস এন্ট্রি:। প্রোগ্রামটি মুলত তিনটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত, তা হলো:-ক) ফেডারেল স্কিল্ড ওয়ার্কার খ) ফেডারেল স্কিল্ড ট্রেডার গ)কানাডিয়ান এক্সপ্রেরিয়েন্স ক্লাস। এখানে প্রফেশনের কোন ধরা বাধা লিষ্ট নেই, নেই কোন কোঠা সিষ্টেম।

এক্সপ্রেস এন্টির পেশাসমুহ:
সকল প্রকার ইন্জিনিয়র, আইটি প্রফেশনাল, একাউন্টেন্ট, অডিটর, ব্যাংকার, আর্কিটেক্ট, ডাক্তার, ডেন্টিস্ট, নার্স, ফিজিওথেরাপিস্ট, রেডিওলোজিস্ট, সনোগ্রাফার,ফার্মেসিস্ট ইত্যাদি পেশার লোকজন তাদের স্ব স্ব ক্ষেত্রে যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করতে পারবে।
এই প্রোগ্রামে আবেদন করার নুন্যতম যোগ্যতা সমুহ হচ্ছে:-

বয়স সীমা:
এই প্রোগ্রামে আবেদন করবার জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই ৫৩ বছরের নিচে থাকতে হবে।প্রথমে আপনাকে আপনার যোগ্যতা প্রমান করতে হবে তারপর মুল আবেদন জমা দিতে হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা:
অন্ততপক্ষে আগ্রহী প্রার্থীর গ্র্যাজুয়েশন বা সমমানের ডিগ্রী বা ডিপ্লোমা ডিগ্রী থাকতে হবে।

কাজের অভিজ্ঞতা:
প্রথমে মনে রাখতে হবে যে, প্রার্থীকে অন্তত এক বছর ক্ষেত্র বিশেষে দুই বছর কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

ইংরেজী জ্ঞান:
প্রার্থীকে অবশ্যই আই.ই.এল.টি. এস (জেনারেল) এর প্রতিটি ব্র্যান্ডে ৬.৫ এবং এভারেজে ৭.০+ স্কোর করতে পারেন। ফ্র্যান্স ভাষা জানা থাকলে ইমিগ্রেশনে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়।

২. প্রভিন্সসিয়াল নমিনি প্রোগ্রাম (পি.এন.পি):
কানাডার ১১টি প্রদেশে ইমিগ্রেশনের জন্য আবেদনকারীদের মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। একেক প্রদেশে একেক সময়ে তাদের উন্মুক্ত করে দেয়। সাধারণত প্রভিন্সিয়াল নমিনি প্রোগ্রামের শর্তগুলো আলাদা হয়। প্রার্থীদের তাঁদের যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করা উচিত। তবে এ ক্ষেত্রে লক্ষ রাখতে হয় প্রোগ্রামের সময়কাল সম্পর্কে। অনেক শর্তই এ ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য। তবে কিছু কিছু নতুন শর্তও আরোপ করতে দেখা যায়।
ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রভিন্সিয়াল প্রোগ্রাম, সাসকাচুয়ান ইমিগ্র্যান্ট নমিনি প্রোগ্রাম ও অন্টারিও প্রভিন্সিয়াল নমিনি প্রোগ্রাম এখন চালু আছে। এ ছাড়া রয়েছে আটলান্টিক ইমিগ্রেশন পাইলট প্রোগ্রাম। এ ছাড়া ১৯ মে-২০১৭ তারিখ থেকে শুরু হয়ে গেছে কুইবেক স্কিল ও ইনভেস্টর প্রোগ্রাম।

ক) ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রভিন্সিয়াল প্রোগ্রাম:

আইইএলটিএসে ৫ দশমিক ৫ স্কোরসহ দুই বছর কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা স্নাতক ডিগ্রি থাকলেই কানাডার অন্যতম সুন্দর প্রদেশ ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় আবেদন করা যাবে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রভিন্সিয়াল প্রোগ্রামটি চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। এক্সপ্রেস এন্ট্রি বিসি—স্কিলড ওয়ার্কার ও ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট এবং স্কিলস ইমিগ্রেশন : স্কিলড ওয়ার্কার ও এন্ট্রি লেভেল সেমি-স্কিলড। সর্বশেষ ড্রতে ৩৭৭ জন মনোনয়ন পেয়েছে শুধু ব্রিটিশ কলাম্বিয়া থেকে।

খ) সাসকাচুয়ান ইমিগ্র্যান্ট নমিনি প্রোগ্রাম:

কানাডার অন্যতম সেরা এবং উন্নত প্রদেশ সাসকাচুয়ানে কিছু বিশেষ পেশাজীবীরা খুব সহজ আবেদন করা ও দ্রুততম সময়ে সপরিবারে ইমিগ্রেশন ভিসা পেতে পারেন। পেশাগুলোর মধ্যে রয়েছে :
– কম্পিউটার বা ইনফরমেশন সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার বা অ্যানালিস্ট
– সিভিল ইঞ্জিনিয়ার
– মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার
– এনজিও কর্মকর্তা বা সোশ্যাল ওয়ার্কার বা প্রজেক্ট ম্যানেজার
– এগ্রিকালচার ম্যানেজার বা কৃষি কর্মকর্তা
– সাপ্লাইন চেইন বা পারচেজ ম্যানেজার
– ম্যাথমেটিশিয়ান বা স্টাটিসটিশিয়ান

গ) অন্টারিও ইমিগ্র্যান্ট নমিনি প্রোগ্রাম:

কানাডায় যাঁরা পড়াশোনা করেছেন, কানাডায় চাকরি করার যোগ্যতা রয়েছে, কানাডায় চাকরির প্রস্তাব পেয়েছেন বা ব্যবসা করতে ইচ্ছুক তাঁরাই এই নির্দিষ্ট প্রদেশে আবেদন করে স্থায়ী হতে পারেন। প্রোফাইল তৈরি করার পর ১৪ দিন সময় থাকে যেকোনো ক্যাটাগরিতে আবেদন করার।

ঘ) নোভা স্কটিয়া নোমিনি প্রোগ্রাম (এনএসএনপি):

২০১৫ সালের পর এই প্রোগ্রাম ইতিমধ্যে চালু আছে। ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টস, অ্যাডমিন অফিসার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, কম্পিউটারে দক্ষ, নার্স ও এনজিও কর্মীরা প্রোগ্রামটিতে আবেদন করতে পারবেন।

আটলান্টিক ইমিগ্রেশন পাইলট প্রোগ্রাম:
মার্চ-২০১৭ থেকে তিনটি ক্যাটাগরিতে আটলান্টিক ইমিগ্রেশন পাইলট প্রোগ্রাম চালু হয়েছে। এর আওতায় দীর্ঘদিন কানাডায় কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায়। যেহেতু প্রোগ্রামটিতে চাকরির অফার থাকে, তাই অনেকের পছন্দনীয় প্রোগ্রাম এটি। ২০১৭ সালে দুই হাজার পরিবার এ সুযোগ পাবে বলে আটলান্টিক সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ঙ) কিউবেক ইমিগ্রেশন:

কিউবেক কানাডার একটি প্রদেশ হলেও এর ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া আলাদা ও স্বতন্ত্র। বছরের যেকোনো সময় নির্দিষ্ট কোটা উল্লেখ করে প্রোগ্রাম ঘোষণা করা হয়। সাধারণত এই প্রদেশের শর্ত বা যোগ্যতাগুলো অনেক সহজ ও শিথিল থাকে। কিউবেকের প্রোগ্রামগুলো মূলত তিনটি ক্যাটাগরিতে হয়ে থাকে। সেগুলো হলো—দ্য কিউবেক স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রাম, এন্টারপ্রেনিয়ার প্রোগ্রাম ও কিউবেক এক্সপেরিয়েন্স ক্লাস। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব শর্ত রয়েছে। আগামী ১২ মাসের মধ্যে আরো পাঁচ হাজার অভিবাসী নেবে এই প্রদেশ।

ফেডারেল স্কিলড ট্রেডারস প্রোগ্রাম (এফএসটিপি)

কার্পেন্টার, ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, ওয়েল্ডারসহ কয়েকটি পেশাজীবীরা এই প্রোগ্রামের আওতায় আবেদন করে চাকরিসহ ইমিগ্রেশন করতে পারেন। তবে তাদের বিদেশি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে ‘ট্রেড স্কিল সার্টিফিকেট’ থাকতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞতাও থাকতে হবে। এ ছাড়া কনস্ট্রাকশন, চিফ কুক, বেকার, ফিস প্রসেসিং, ইলেকট্রিক্যাল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল, যন্ত্রপাতি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ, প্রাকৃতিক সম্পদ পরিচালনা, কৃষিকাজ ইত্যাদি কাজেরও প্রচুর চাহিদা রয়েছে কানাডায়। পরিবারের যোগ্য সদস্যরা এই প্রোগ্রামের আওতায় কানাডায় যেতে পারবেন। বয়স ১৮ থেকে ৪৫ বছর হলেই আবেদন করা যাবে।
ফ্যামিলি ইমিগ্রেশন
ফ্যামিলি স্পন্সরশিপের আওতায় কানাডার ইমিগ্রেশন পাওয়া সবচেয়ে সহজ ও দ্রুত হয়। তবে যাঁদের নিকটাত্মীয় নেই, তাঁরা এই সুযোগ পাবেন না।

কেয়ারগিভারস প্রোগ্রাম:

এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ছয় মাসের মধ্যে পরিবারসহ কানাডায় স্থায়ী হওয়া যায়। শুধু সনদপ্রাপ্ত নার্সরা আবেদন করতে পারবেন। অন্য প্রচলিত প্রোগ্রামের মতো ৬৭ পয়েন্ট বা এক হাজার ২০০ সিআরএস পয়েন্টের প্রয়োজন নেই। নার্সিংয়ে ডিপ্লোমা বা বিএসসি পাস ও আইইএলটিএসে ন্যূনতম স্কোর পাঁচ থাকলেই আবেদন করে চাকরিসহ কানাডায় যাওয়ার সুযোগ থাকছে লাইভ ইন কেয়ারগিভার (এলপিসি) প্রোগ্রামের মাধ্যমে। শিশু শিক্ষা ও যত্ন, গেরিয়াট্রিক কেয়ার, পেডিয়াট্রিক নার্সিং বা বয়স্কদের বা প্রাথমিক শিক্ষা ইমিগ্রেশনপ্রাপ্তদের প্রধান কাজ হবে।

কানাডায় ভিসার নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে লেখক, কলামিস্ট, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজুর। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে যাঁরা যোগ্যতা রাখেন, তাঁদের আর দেরি করা ঠিক হবে না।’

‘অযোগ্য ব্যক্তিরা অযথা আবেদন করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করবেন না’ বলেও সতর্ক করেন রাজু।
এ বিষয়ে সাহায্য প্রয়োজন হলে আগ্রহীরা ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠানো যাবে [email protected] ই-মেইল ঠিকানায়। এ ছাড়া যোগাযোগ করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপ অথবা ভাইবারে +৬০১৪৩৩০০৬৩৯ নম্বরে। এ ছাড়া ভিজিট করা যাবে www.wwbmc.com. ওয়েবসাইটে।

এ ছাড়া ঢাকার উত্তরায় ৭ নম্বর সেক্টরের ৫১ সোনারগাঁও জনপথে অবস্থিত খান টাওয়ারে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন লিমিটেডের অফিসেও খোঁজ নেওয়া যেতে পারে। ফোনে প্রাথমিক তথ্যের জন্য কথা বলতে পারেন ০১৯৬৬০৪১৫৫৫, ০১৯৯৩৮৪৩৩৪০, ০১৯৬৬০৪১৮৮৮, ০১৯৯৩৮৪৩৩৩৯ ও ০১৯৬৬০৪১৩৩৩ নাম্বারে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

টানা রাজনৈতিক সংকটের পর এবার মুগাবে অভিশংসনের মুখোমুখি

সপ্তাহব্যাপী চলা রাজনৈতিক সংকটের পর এবার জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবেকেবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশে আসছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

মিয়ানমার সরকারের অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে লাখেবিস্তারিত পড়ুন

যে কারনে সেনাবাহিনীর দখলে জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন

জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জিম্বাবুয়ে ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (জেডবিসি) দখলে নিয়েছে দেশটিরবিস্তারিত পড়ুন

  • বন্দুকধারীর গুলিতে শিশুসহ নিহত ৪
  • এত খুন এত ধর্ষণ কে করল তাহলে ?
  • অবশেষে আশ্বাস ওদের ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার
  • নিহত চার শতাধিকঃ ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে
  • বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসঃ ‘সকল গর্ভধারণ হোক পরিকল্পিত’
  • “আমাদের শহরের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা সবার জন্য লজ্জার” অ্যাওয়ার্ড ফেরত
  • শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে ইরাক-ইরানে, নিহত ১৩৫
  • সমস্যার সমাধান চায় যুক্তরাষ্ট্র, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়
  • ট্রাম্প ও পুতিন বৈঠকে মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ প্রসঙ্গ
  • সু চিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর চাপ প্রয়োগ
  • সেপ ব্ল্যাটারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ
  • দাবি লেবাননেরঃ সৌদি আরব যুদ্ধ ঘোষণা করেছে