বৃহস্পতিবার, মার্চ ৩০, ২০১৭

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

কুড়িগ্রামে ধরলার ভাঙনে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন

বন্যা

কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নে ধরলার ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ।

এরই মধ্যে ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২০০ মিটার তীররক্ষা বাঁধ। শুকনো মৌসুমে আকস্মিক ভাঙনে ঘরবাড়ি হারানো দুই শতাধিক পরিবার খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এ অবস্থায় দ্রুত সরকারি সহায়তা কামনা করছে অসহায় পরিবারগুলো।

গত এক সপ্তাহে ধরলা নদীর তীব্র ভাঙনে সদর উপজেলার মোগলবাসা গ্রামের বাজারসংলগ্ন দুই শতাধিক ঘরবাড়ি ও কয়েক একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে পড়েছে ইউনিয়নের সঙ্গে জেলা শহরের যোগাযোগের একমাত্র পাকা সড়ক, ঐতিহ্যবাহী মোগলবাসা হাট, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, নিধিরাম, বাঞ্চারাম ও কিসামত গ্রামসহ দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভাঙনরোধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আগামী এক মাসের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী মোগলবাসা হাটসহ তিনটি গ্রাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পাকা সড়ক নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। বন্ধ হয়ে যাবে মোগলবাসা ইউনিয়নের সঙ্গে জেলা শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

শেষ আশ্রয় হারিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজে পাচ্ছে না নদীভাঙনের শিকার পরিবারগুলো। হাতে টাকা ও খাবার না থাকায় চোখে শুধুই অন্ধকার দেখছে তারা।

বারবার যোগাযোগের পরও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাড়া না পাওয়ায় নদীপারের মানুষজনকে ঘরবাড়ি হারাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকার মানুষের।

ধরলার ভাঙনের শিকার আবুল কবিরাজ জানান, হঠাৎ ধরলার তীব্র ভাঙনে ভিটেমাটি সব নদীগর্ভে চলে গেছে। কোনো রকমে ঘরের চাল রক্ষা করতে পারছি। তাও আবার রাস্তার একদিকে রেখেছি। এখন কোথায় যাব তার কোনো উপায় নাই। কেউ এমনিতে বাড়ি করার জায়গা দেয় না।

ভাঙনের শিকার দুদু মিয়া বলেন, ‘বাড়িঘর কোনো রকমে সরিয়ে নিয়েছি। বউ-বাচ্চা নিয়া চারদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতেছি। খাবারও নাই, হাতে টাকাও নাই। চেয়ারম্যান-মেম্বার এখন পর্যন্ত কোনো সাহায্যও দেয় নাই। এ অবস্থায় আছি। সামনে কী হবে আল্লাহই ভালো জানেন।’

দুদু মিয়া ও আবুল কবিরাজের মতো একই অবস্থা এখন মোসলেম উদ্দিন, নুরুল্লা ও মুন্নিসহ দুই শতাধিক পরিবারের।

মোগলবাসা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান বাবলু বলেন, ‘নদীভাঙন শুরুর আগে থেকেই আমরা এলাকাবাসীসহ স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেছি। মানববন্ধন করে স্মারকলিপি দিয়েছি। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ভ্রুক্ষেপই করেনি। এ জন্য এ এলাকার দুই শতাধিক পরিবারকে ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হতে হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের নাম তালিকা করে সাহায্যের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পাঠিয়েছি। ধরলার ভাঙনরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে দ্রুত পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তা না হলে দু-একদিনে মধ্যেই মোগলবাসার একমাত্র পাকা সড়কটি নদীগর্ভে চলে যাবে।’

এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধরলার ভাঙনরোধে জরুরি ভিত্তিতে বাঁশের বান্ডাল (বেড়া) দেওয়ার কাজ শুরু করেছি। আমরা মোগলবাসা এলাকার ভাঙনরোধে স্থায়ী বন্দোবস্ত নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। বরাদ্দ পেলে পরবর্তীতে স্থায়ী বন্দোবস্ত নেওয়া হবে।’

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

bsf

বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

কুড়িগ্রামের রৌমারী ধর্মপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে একজনবিস্তারিত পড়ুন

লাশ উদ্ধার

এবার কুড়িগ্রামে ছাত্রাবাস থেকে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

কুড়িগ্রাম শহরের কৃষ্ণপুর কলেজপাড়ার রোকন ছাত্রাবাস থেকে মোঃ কাজল মিয়াবিস্তারিত পড়ুন

ছিটমহল

কুড়িগ্রামে ছয় ইউনিয়নে ‘প্রথম’ ভোট কাল

কুড়িগ্রামের সাবেক ছিটমহল-লাগোয়া ফুলবাড়ী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ভোটবিস্তারিত পড়ুন

  • কুড়িগ্রামে ইজতেমায় দুই মুসল্লির মৃত্যু
  • বিয়ে থেকে পালাতে গিয়ে ট্রাকচাপায় স্কুলছাত্রী নিহত!
  • বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের মা-ছেলে ও পুত্রবধূর মৃত্যু..!!
  • শ্বশুরবাড়িতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
  • মৃত্যুর আগে হলেও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চান সফিয়ার
  • বিকেলে খেলতে গেল দুই শিশু, রাতে পুকুরে ভাসল লাশ
  • মামলা না নিয়ে ধর্ষক পরিবারের সঙ্গে মিমাংশা হতে বলছে পুলিশ !
  • কুড়িগ্রামে এক জনকে কুপিয়ে হত্যা
  • স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পেলেন ছিটমহলবাসী
  • আমাদের মা’কে বাঁচান
  • সৈয়দ শামসুল হককে সমাহিত করতে কুড়িগ্রামে প্রস্তুতি