শনিবার, জুন ২৪, ২০১৭

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

’ক্ষমতায় গেলে ঢাকার নাম হবে জিয়া সিটি’

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর নাম পাল্টে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, বিএনপি ঢাকার নাম করবে জিয়া সিটি।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনায় দুদু এ কথা বলেন। ‘ষড়যন্ত্র ও ওয়ান ইলিভেনের সরকার’ বিষয়ে ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট নামে একটি সংগঠন এই আলোচনার আয়োজন করে।

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার নাম ইন্দুরকানীতে ফিরিয়ে নেয়ার সমালোচনা করে দুদু বলেন, ‘ইন্দুরকানী কি জিয়াউর রহমানের চেয়ে বেশি সম্মানিত ব্যক্তি?’।

২০০২ সালে ইন্দুরকানীর নাম পাল্টে জিয়ানগর করে সে সময়ের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। গত সোমবার মন্ত্রিসভা আগের নাম ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়।

দুদু বলেন, ‘আপনাদের এতো ছোট মন মানসিকতা কেন। যেসব স্থানে জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা হয়েছে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এসব নাম যথাযথভাবে প্রতিস্থাপন করা হবে।’

বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা (আওয়ামী লীগ সরকার) পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার নাম পরিবর্তন করে ইন্দুরকানী করেছেন। আপনারা গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর করছেন না কেন?’ তিনি বলেন, ‘আপনারা শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেন। অথচ তার জন্মস্থানের নাম রাখলেন গোপালের নামে। গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর করার জন্য আপনাদেরকে আমরা প্রস্তাব দেবো। আলোচনা করে নাম পরিবর্তন করবো।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর করা হবে। তবে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করেই করবো। কারণ গোপালের চেয়ে মুজিবুর রহমান অনেক সম্মানিত ব্যক্তি।’

জিয়াকে খাটো করলে স্বাধীনতাকে খাটো করা হবে এমন দাবি করে দুদু বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান শেখ মুজিবের মাজার জিয়ারত করেছেন। শেখ মুজিবকে বিএনপি কখনো ছোট করে দেখে না, যথাযথ মর্যাদা দেয়। জিয়াকে ছোট করেন- এটা ঠিক না।’
সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘পুলিশ না রেখে আপনাদের মন্ত্রীরা রাস্তায় নামেন তো। এমন পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ নামে রাস্তায় কাউকে পাওয়া যাবে না। পুলিশ না থাকলে কী হয় আপনারাও জানেন। কাল বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কী হবে আপনারাও জানেন।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনি বলেছেন আগুন যারা দিয়েছে তাদের বিচার হবে গণআদালতে। এই বক্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দেবো। গণআদালত মানে স্বচ্ছ নির্বাচন, ওখানে বিচার হবে। আমরা সঠিক নাকি আপনারা সঠিক।’

আয়োজন সংগঠনের শাহাদাত হোসেন সেলিমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের সাবেক উপাচার্য এমাজউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার এহসানুল হুদা, ইসলামিক ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল করিম।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

‘চাইলে মওদুদের জন্য খাট পাঠিয়ে দেব’

সম্প্রতি আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে মওদুদ আহমদকে তাঁর গুলশানের বাড়ি ছাড়তেবিস্তারিত পড়ুন

যে কারণে অস্ট্রেলিয়া গেলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম

অস্ট্রেলিয়ার ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির জাতীয় কনভেনশনে যোগ দিতে সিডনি গেছেনবিস্তারিত পড়ুন

‘আগামী নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপি নানা ষড়যন্ত্র করছে’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীবিস্তারিত পড়ুন

  • তোমার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ, ঠিক হয়ে যাও: ওবায়দুল কাদের
  • হামলার ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে কেউ নিরাপদ নয় : ফখরুল
  • চট্টগ্রামে মির্জা ফখরুলের গাড়ি বহরে হামলা
  • শেখ হাসিনা গঠন করেন আর খালেদা ধ্বংস করেন: রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক
  • নৌকা যে ডুবে গেছে, এটাই বুঝতে পারছেন না: খালেদা জিয়া
  • ঈদ রাজনীতিতে মন্ত্রী-এমপিরা
  • খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল
  • খালেদা সহায়ক সরকারের নামে সাহায্যকারী সরকারের প্রস্তাব দিচ্ছেন : তথ্যমন্ত্রী
  • ‘নির্বাচনকালীন সময়ে বর্তমান সরকারই ক্ষমতায় থাকবে’
  • সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দুদককে ব্যবহার করছে
  • ভূমিধস এলাকা পরিদর্শনে যাবে বিএনপির প্রতিনিধি দল
  • ঢাকায় আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৭৫ জন