সোমবার, জানুয়ারি ২৩, ২০১৭

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

’ক্ষমতায় গেলে ঢাকার নাম হবে জিয়া সিটি’

image-15923

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর নাম পাল্টে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, বিএনপি ঢাকার নাম করবে জিয়া সিটি।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনায় দুদু এ কথা বলেন। ‘ষড়যন্ত্র ও ওয়ান ইলিভেনের সরকার’ বিষয়ে ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট নামে একটি সংগঠন এই আলোচনার আয়োজন করে।

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার নাম ইন্দুরকানীতে ফিরিয়ে নেয়ার সমালোচনা করে দুদু বলেন, ‘ইন্দুরকানী কি জিয়াউর রহমানের চেয়ে বেশি সম্মানিত ব্যক্তি?’।

২০০২ সালে ইন্দুরকানীর নাম পাল্টে জিয়ানগর করে সে সময়ের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। গত সোমবার মন্ত্রিসভা আগের নাম ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়।

দুদু বলেন, ‘আপনাদের এতো ছোট মন মানসিকতা কেন। যেসব স্থানে জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা হয়েছে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এসব নাম যথাযথভাবে প্রতিস্থাপন করা হবে।’

বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা (আওয়ামী লীগ সরকার) পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার নাম পরিবর্তন করে ইন্দুরকানী করেছেন। আপনারা গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর করছেন না কেন?’ তিনি বলেন, ‘আপনারা শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেন। অথচ তার জন্মস্থানের নাম রাখলেন গোপালের নামে। গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর করার জন্য আপনাদেরকে আমরা প্রস্তাব দেবো। আলোচনা করে নাম পরিবর্তন করবো।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর করা হবে। তবে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করেই করবো। কারণ গোপালের চেয়ে মুজিবুর রহমান অনেক সম্মানিত ব্যক্তি।’

জিয়াকে খাটো করলে স্বাধীনতাকে খাটো করা হবে এমন দাবি করে দুদু বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান শেখ মুজিবের মাজার জিয়ারত করেছেন। শেখ মুজিবকে বিএনপি কখনো ছোট করে দেখে না, যথাযথ মর্যাদা দেয়। জিয়াকে ছোট করেন- এটা ঠিক না।’
সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘পুলিশ না রেখে আপনাদের মন্ত্রীরা রাস্তায় নামেন তো। এমন পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ নামে রাস্তায় কাউকে পাওয়া যাবে না। পুলিশ না থাকলে কী হয় আপনারাও জানেন। কাল বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কী হবে আপনারাও জানেন।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনি বলেছেন আগুন যারা দিয়েছে তাদের বিচার হবে গণআদালতে। এই বক্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দেবো। গণআদালত মানে স্বচ্ছ নির্বাচন, ওখানে বিচার হবে। আমরা সঠিক নাকি আপনারা সঠিক।’

আয়োজন সংগঠনের শাহাদাত হোসেন সেলিমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের সাবেক উপাচার্য এমাজউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার এহসানুল হুদা, ইসলামিক ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল করিম।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

image-17397

কিছু এমপিকে ভালো হয়ে যেতে বলেছে আওয়ামী লীগ

দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও ভাবমুর্তি ক্ষুণ্ন করায় বেশ কয়েকজন সংসদবিস্তারিত পড়ুন

কাদের ফখরুল

কাদেরের কাছে ফখরুলের প্রশ্ন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আ. লীগের কী গোপন যোগাযোগ আছে?

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণবিস্তারিত পড়ুন

যুবলীগ চেয়ারম্যান

‘ব্রিজমন্ত্রী, সেতুমন্ত্রী, কালভার্টমন্ত্রী- এত তেল মেরে লাভ কী?| যুবলীগ চেয়ারম্যান

বক্তব্য দেওয়ার সময় নেতাদের অতিরিক্ত প্রশংসায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেনবিস্তারিত পড়ুন

  • সুন্দরবন রক্ষার দাবিতে ডাকা হরতালে বিএনপির সমর্থন
  • ছবি তুলে বিপাকে আওয়ামী লীগ নেত্রী!
  • রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে আরেকবার ‘মুক্তিযুদ্ধের’ হুমকি রিজভীর
  • ‘নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপি যা করেছে আওয়ামী লীগ তা করবে না’
  • ‘সরকারি দলের ইচ্ছা পূরণে ইসি গঠন করলে জনগণ মানবে না’
  • ‘ছাত্র সংগঠনগুলোর সেই স্পিরিট নেই’
  • শেখ হাসিনা গরিব দুঃখি মানুষের অভিভাবক : হানিফ
  • ১/১১’র ঘটনা তদন্তে নিরপেক্ষ কমিশন গঠনের দাবি মওদুদের
  • রাষ্ট্রপতি যোগ্য সার্চ কমিটি গঠন করবেন; আশাবাদ ফখরুলের
  • আন্দোলন রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করা হবে : ওবায়দুল কাদের
  • ক্ষমতায় গেলেই শুধু খাই খাই ভাব: কাদের
  • যে কারণে বিএনপির সঙ্গে সংলাপে রাজি নয় আ.লীগ