শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৭

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

’ক্ষমতায় গেলে ঢাকার নাম হবে জিয়া সিটি’

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর নাম পাল্টে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, বিএনপি ঢাকার নাম করবে জিয়া সিটি।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনায় দুদু এ কথা বলেন। ‘ষড়যন্ত্র ও ওয়ান ইলিভেনের সরকার’ বিষয়ে ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট নামে একটি সংগঠন এই আলোচনার আয়োজন করে।

পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার নাম ইন্দুরকানীতে ফিরিয়ে নেয়ার সমালোচনা করে দুদু বলেন, ‘ইন্দুরকানী কি জিয়াউর রহমানের চেয়ে বেশি সম্মানিত ব্যক্তি?’।

২০০২ সালে ইন্দুরকানীর নাম পাল্টে জিয়ানগর করে সে সময়ের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। গত সোমবার মন্ত্রিসভা আগের নাম ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়।

দুদু বলেন, ‘আপনাদের এতো ছোট মন মানসিকতা কেন। যেসব স্থানে জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলা হয়েছে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এসব নাম যথাযথভাবে প্রতিস্থাপন করা হবে।’

বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা (আওয়ামী লীগ সরকার) পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার নাম পরিবর্তন করে ইন্দুরকানী করেছেন। আপনারা গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর করছেন না কেন?’ তিনি বলেন, ‘আপনারা শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেন। অথচ তার জন্মস্থানের নাম রাখলেন গোপালের নামে। গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর করার জন্য আপনাদেরকে আমরা প্রস্তাব দেবো। আলোচনা করে নাম পরিবর্তন করবো।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে গোপালগঞ্জের নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর করা হবে। তবে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করেই করবো। কারণ গোপালের চেয়ে মুজিবুর রহমান অনেক সম্মানিত ব্যক্তি।’

জিয়াকে খাটো করলে স্বাধীনতাকে খাটো করা হবে এমন দাবি করে দুদু বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান শেখ মুজিবের মাজার জিয়ারত করেছেন। শেখ মুজিবকে বিএনপি কখনো ছোট করে দেখে না, যথাযথ মর্যাদা দেয়। জিয়াকে ছোট করেন- এটা ঠিক না।’
সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘পুলিশ না রেখে আপনাদের মন্ত্রীরা রাস্তায় নামেন তো। এমন পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ নামে রাস্তায় কাউকে পাওয়া যাবে না। পুলিশ না থাকলে কী হয় আপনারাও জানেন। কাল বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কী হবে আপনারাও জানেন।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনি বলেছেন আগুন যারা দিয়েছে তাদের বিচার হবে গণআদালতে। এই বক্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দেবো। গণআদালত মানে স্বচ্ছ নির্বাচন, ওখানে বিচার হবে। আমরা সঠিক নাকি আপনারা সঠিক।’

আয়োজন সংগঠনের শাহাদাত হোসেন সেলিমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের সাবেক উপাচার্য এমাজউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার এহসানুল হুদা, ইসলামিক ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল করিম।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন খালেদা

জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগমবিস্তারিত পড়ুন

‘নির্বাচনে এলে বিএনপির এই দশা হতো না’

আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গত সংসদ নির্বাচন বর্জনবিস্তারিত পড়ুন

সুযোগ দিয়েই বিএনপির লাগাম টেনে ধরতে চায় আ.লীগ

বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে বাধা না দিয়ে বরং সহায়তা করতেবিস্তারিত পড়ুন

  • সোহরাওয়ার্দীতে চলছে মঞ্চ তৈরিসহ আনুসঙ্গিক কাজ
  • ক্ষমতাসীন জোটে অস্বস্তি ইনুর বক্তব্যে
  • স্থায়ী জামিন পাননি খালেদা জিয়া, শুনানি ১৬ নভেম্বর
  • অসমাপ্ত বক্তব্য দিতে আজ আদালতে যাবেন খালেদা
  • আদালত পরিবর্তন চেয়ে খালেদার আবেদন খারিজ
  • ঢাকায় আবদুর রহমান বিশ্বাসের তিন জানাজা
  • ভোটাধিকার হরণ করে ক্ষমতায় থাকতে দেয়া হবে না: রব
  • জিয়াকে নিয়ে দেয়া বক্তব্য ধারণ করি : সিইসি
  • আজ দুপুরে আদালতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন
  • ‘নেত্রী স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন নির্বাচন হবে চ্যালেঞ্জিং’
  • “জিয়ার পাপেই তো রাজনীতির এই অবস্থা“ দীপু মনি
  • দুই মামলা সাজেদা চৌধুরীর গাড়িবহরে হামলায়
  • Enjoy this blog? Please spread the word :)