বুধবার, নভেম্বর ২২, ২০১৭

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

খালেদাকে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল ১২ ডিসেম্বর

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধীদের মদদ দেওয়ার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেনি গুলশান থানা পুলিশ।

রবিবার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম মো. নুর নবী আগামী ১২ ডিসেম্বর নতুন তারিখ ঠিক করেন।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর মামলাটিতে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ১১ নভেম্বরের মধ্যে গ্রেপ্তার করা সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য গুলশান থানাকে নির্দেশ দেয়া হয়।

বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর মানহানির এই মামলা করেন। ওইদিন আদালত তেজগাঁও থানার ওসিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তেজগাঁও থানার ওসি (তদন্ত) এবিএম মশিউর রহমান মামলাটিতে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। যা গত ২২ মার্চ আমলে নিয়ে আসামি খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন।

খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানকে আসামি করে করা মামলায় বলা হয়েছে,১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর জিয়াউর রহমান ৭ নভেম্বর ক্ষমতা দখল করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছেন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসলে তাকে হুমকি তার বাবার বাড়িতে পর্যন্ত ঢুকতে দেয়া হয়নি।

এ ছাড়া খালেদা জিয়া ২০০১ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করে স্বাধীনতাবিরোধী আলবদর রাজাকারদের হাতে মন্ত্রিত্ব তুলে দেন। স্বীকৃত স্বাধীনতা বিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে দেশের মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকার মানহানি ঘটিয়েছেন তিনি।

মামলাটি করার পর এ বিষয়ে তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রতিবেদন চায় পুলিশ।

থানার পক্ষ থেকে জমা দেয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সরকার গঠন করেন। এতে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের দোসর জামায়াতের দুই নেতাকে তিনি মন্ত্রী বানান। এমপিও হন কেউ কেউ। পরে এদের মধ্যে অনেকেই আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন দণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

এদের মধ্যে খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী এবং আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মুত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে মন্তব্য করে প্রতিবেদনে বলা হয়। তারা ক্ষমতায় থাকাকালে মন্ত্রিত্বের সুবিধা নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকা তাদের বাড়ি এবং গাড়িতে ব্যবহার করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন স্বাধীনতাবিরোধীদের তার মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়ে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত পতাকার মর্যাদাকে ভুলন্ঠিত করেছেন। তাই তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় মানহানির অভিযোগ প্রমাণিত।

এছাড়া প্রচলিত আইনে মৃত ব্যক্তির বিচারের সুযোগ না থাকায় সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে অব্যাহতির প্রদানের সুপারিশ করা হয়।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সরকার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সরকার সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে সর্বাত্মক কার্যক্রমবিস্তারিত পড়ুন

আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস

আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে তিন বাহিনীবিস্তারিত পড়ুন

`প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছেছে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা’

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল ইতোমধ্যেবিস্তারিত পড়ুন

  • সাগরে নিম্নচাপ, তিন নম্বর সতর্ক সংকেত
  • আজ নানা আয়োজনে বকুলতলা মেতে উঠেছে উৎসবে
  • সিনহার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি
  • ইরাক, সিরিয়ায় আইএসের পতনেও ওরা ফেরেনি
  • `বিএনপির অভিযোগ খতিয়ে দেখ‌তে হ‌বে’
  • ‘ওয়াহহাব মিঞাই প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করবেন’
  • প্রধান বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছায়নি : ওবায়দুল কাদের
  • ছুটি না বাড়ালে আজ থেকে অনুপস্থিত প্রধান বিচারপতি
  • ”শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভারতকে সহযোগিতা করতে চায় বাংলাদেশ”
  • জীবন বাজি রেখে ভেলায় ভেসে আরও শতাধিক রোহিঙ্গার আগমন
  • আজ দ্বিতীয় ভৈরব রেল সেতুর উদ্বোধনে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী
  • Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial