রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

খালেদার বিরুদ্ধে গ্যাটকো মামলা চলবে, আবেদন খারিজ

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা লিভ-টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। এর ফলে নিম্ন আদালতে মামলাটি চলতে আর বাধা নেই।

রায় ঘোষণার নির্ধারিত তারিখ আজ সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এরআগে গতকাল এ বিষয়ে রায় ঘোষণার জন্য সোমবার দিন ধার্য করেছেন সর্বোচ্চ আদালত।

আদালতে আজ খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন, আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও বদরুদ্দোজা বাদল।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান।

এরআগে ২০১৬ সালের ১০ মে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ-টু আপিল করেন বিএনপির চেয়ারপারসন।

২০১৫ সালের ৫ আগস্ট গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের বেঞ্চ। একইসঙ্গে আদেশের অনুলিপি বিচারিক আদালতে পৌঁছার দুই মাসের মধ্যে খালেদাকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়।

২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পায়। এরপর ৫ এপ্রিল বিচারিক আদালতে আত্নসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান খালেদা। পরে তিনি জামিন পান।

অভিযোগপত্র দাখিলের পর মামলাটি বর্তমানে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে এখন অভিযোগ গঠন পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় খালেদার বিরুদ্ধে গ্যাটকোসহ তিনটি মামলা হয়। আদালতের স্থগিতাদেশে আটকে যাওয়ার দীর্ঘদিন পর গত বছর মামলাগুলো সচল করার উদ্যোগ নেয় দুদক।

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা
ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ে গ্লোবাল অ্যাগ্রো ট্রেড কোম্পানি লিমিটেডকে (গ্যাটকো) ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়া ও তার ছোট ছেলে (প্রয়াত) আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনকে আসামি করে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী। মামলায় গ্যাটকোকে ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকা ক্ষতির অভিযোগ করা হয়।

২০০৮ সালের ১৩ মে খালেদা জিয়া ও সাবেক ছয় মন্ত্রীসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগ (চার্জশিট) দেয়া হয়।

দুদক আইন ও জরুরি বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আলাদা দুটি রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া। এসব আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট খালেদা ও কোকোর বিরুদ্ধে কার্যক্রম স্থগিত এবং রুল জারি করেন। পরে বেশ কয়েক দফায় মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ বাড়ান আদালত।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

আসন্ন নির্বাচন ঢাকা-১৪: খালেক পরিবারেই থাকছে ধানের শীষ?

বৃহত্তর মিরপুরের আসনে (ঢাকা-৫) বরাবরই নির্বাচন করে এসেছেন মিরপুরের স্থানীয়বিস্তারিত পড়ুন

বিএনপি সভাপতি কারাগারে, শনিবার বগুড়ায় অর্ধ দিবস হরতাল

সরকারের বিভিন্ন সময়ে দায়ের করা মামলায় বগুড়া জেলা বিএনপি সভাপতিবিস্তারিত পড়ুন

ঢাকা-১৫ঃ কামাল মজুমদারের সঙ্গে মাঠে আরো পাঁচ প্রার্থী

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-১৫ আসনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ একজনবিস্তারিত পড়ুন

  • রূপগঞ্জে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের তথ্য পুলিশকে জানিয়েছিলেন শামীম ওসমান
  • খালেদা জিয়ার চোখে অস্ত্রোপচার
  • বিএনপি ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় আসতে চায়
  • ‘বিএনপি সাড়ে আট বছরে ৮ মিনিটও রাস্তায় থাকতে পারেনি’
  • আগামী নির্বাচন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই হবে : গয়েশ্বর
  • মারা গেছেন সাবেক মন্ত্রী মুন্নু
  • ‘খালেদা জিয়া লন্ডনে বসে জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠক করছেন’
  • ‘দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই’
  • ওবায়দুল কাদের: জামায়াত নেতাদের সন্তানরা আওয়ামী লীগ করতে পারবে
  • বিএনপি ষড়যন্ত্রের রাজনীতি থেকে এতটুকু বিরত হয়নি: মেনন
  • ‘‘পাগল ছাড়াতো কেউ জাতীয় পার্টি করে ন ‘’