শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

খালেদা জিয়া যাচ্ছেন আদালতে

আজ জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে হাজির হবেন খালেদা। খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাইল্লাহ মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আজ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদার পক্ষে ৮ম দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন করবেন খালেদার আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

এর আগে, ১৯ ডিসেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয়। এ দিন রাষ্ট্রপক্ষ খালেদা জিয়াসহ সকল আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। এরপর ২০, ২১, ২৬, ২৭ ও ২৮ ডিসেম্বর এবং ৩ ও ৪ জানুয়ারি খালেদার পক্ষে যুক্ত উপস্থাপন করেন তার আইনজীবীরা। ৪ জানুয়ারি খালেদার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় ১০ ও ১১ জানুয়ারি পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।

এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ মামলাটি করে দুদক। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলাটি করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াসহ মোট আসামি ছয়জন। অপর পাঁচ আসামি হলেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী এবং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

আসামিদের মধ্যে ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক। বাকিরা জামিনে রয়েছেন। এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৩২ জন। জামিনে থাকা অন্য দুই আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খান আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে লিখিত বক্তব্য জমা দিয়েছেন। হারিছ চৌধুরী মামলার শুরু থেকেই পলাতক।

অন্যদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর সাবেক নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

‘অন্তর্জ্বালা থেকে সিনহার মনগড়া ও ভুতুড়ে কথা’

সাবেক হওয়ার অন্তর্জ্বালা থেকেই প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা মনগড়াবিস্তারিত পড়ুন

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই বিচার চলবে : আদালত

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতেই কারা অভ্যন্তরে স্থাপিত আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টবিস্তারিত পড়ুন

বাম জোটের মিছিলে পুলিশের লাঠিপেটা, সংঘর্ষ

বাম গণতান্ত্রিক জোটের নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি পুলিশের বাধায় পন্ডবিস্তারিত পড়ুন

  • কামালদের ৫ দফা অসাংবিধানিক : কাদের
  • আমীর খসরুর রিট খারিজ
  • জাতিসংঘে বিএনপি, রাতে ‘গুরুত্বপূর্ণ‘ বৈঠক
  • ছাত্রদল নেতা রাজু হত্যার এক মাসেও অধরা ঘাতকরা
  • কেন্দ্রীয় নেতা-এমপিসহ এক ডজনের বেশি নেতাকে শোকজ
  • আ. লীগের মেয়র বিদেশে, তাঁর নামে কারাগারে যুবলীগকর্মী
  • অক্টোবরে সংসদের আরেকটি অধিবেশন
  • তফসিল ঘোষণার আগেই খালেদার মুক্তি চায় বিএনপি
  • ছাত্রলীগের জন্যই অঝোরে কাঁদলেন সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী (ভিডিও)
  • ‘বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশক শুরু হয়ে গেছে’
  • ক্ষমতায় যাওয়ার মতো সক্ষমতা জাতীয় পার্টি অর্জন করেছে: এরশাদ
  • খালেদার মুক্তির দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল