সোমবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৮

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন খালেদা

জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে আত্মসমর্পন করে আইনজীবীর মাধ্যমে দুই মামলায় জামিনের আবেদন করেন তিনি। পরে আদালত শুনানি শেষে তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান ঢাকাটাইমসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এখন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে সপ্তম দিনের মতো বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

আদালতে হাজির হতে এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে বের হন খালেদা। সকাল সোয়া ১১টার কিছু আগে তিনি আদালতে হাজির হন। আদালতে আসার পর আইনজীবীদের মাধ্যমে দুই মামলায় জামিন আদেবন করলে বিচারক আবেদন মঞ্জুর করেন।

আত্মপক্ষ সমর্থন করতে সময়মতো আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ৩০ নভেম্বর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আখতারুজ্জামানের আদালত। একইসঙ্গে আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ বাতিল করে ৫, ৬ ও ৭ ডিসেম্বর যুক্তিতর্কের জন্য দিন নির্ধারণ করেন আদালত।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর চিকিৎসার জন্য লন্ডনে থাকাবস্থায় একই আদালত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। দেশে ফিরেই তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। এরপর থেকে প্রতি সপ্তাহেই তিনি আদালতে হাজিরা দিয়ে আসছিলেন।

২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ।

মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা থেকে জানা যায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় অপর একটি মামলা করে দুদক।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

ঐক্যফ্রন্টের লিয়াজোঁ ও স্টিয়ারিং কমিটিতে আছেন যারা

ভবিষ্যতে কর্মসূচি গ্রহণ ও পালনের লক্ষ্যে লিয়াজোঁ কমিটি ও স্টিয়ারিংবিস্তারিত পড়ুন

লুটেপুটে খায় এমন প্রার্থীদের বর্জন করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ লুটেপুটে খায় এমন প্রার্থীদের বর্জন করেবিস্তারিত পড়ুন

‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দুষ্টেরবিস্তারিত পড়ুন

  • ডায়াবেটিস ও ব্যথায় ভুগছেন খালেদা জিয়া
  • ফখরুলসহ বিএনপির ৭ নেতার আগাম জামিন
  • বামদের সঙ্গে ‘ম্যাক্সিমাম’ ঐক্য চান ওবায়দুল কাদের
  • বিএনপির সঙ্গে ঐক্য গড়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে
  • ভোটের অধিকার নিশ্চিত করাই ছিল আমার মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী
  • সমাবেশই প্রমাণ করে বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন দল : কাদের
  • বিএনপির ৭ দফা ও ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
  • বিএনপি মানে মরা গাঙ্গ, যে গাঙ্গে কখনো জোয়ার আসে না
  • যে কোনো মূল্যে জনসভা করবে বিএনপি
  • মানুষ বিএনপিকে আর ভোট দেবে না
  • সেপ্টেম্বরে ৩ হাজার মামলায় সোয়া ৩ লাখ আসামি
  • ‘অন্তর্জ্বালা থেকে সিনহার মনগড়া ও ভুতুড়ে কথা’