শনিবার, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৭

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

টানা রাজনৈতিক সংকটের পর এবার মুগাবে অভিশংসনের মুখোমুখি

সপ্তাহব্যাপী চলা রাজনৈতিক সংকটের পর এবার জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবেকে অভিশংসনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁরই নিজ দল জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন- প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট (জেডএএনইউ-পিএফ)।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দেশটির পার্লামেন্টে এই অভিশংসনের প্রস্তাব তুলবে দেশটির বর্তমান ক্ষমতাসীন দলটি। গত সোমবার মুগাবের পদত্যাগের জন্য দলটির পক্ষ থেকে বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হয়।

গত বুধবার এক ‘রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের’ মধ্য দিয়ে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দেয় দেশটির সেনাবাহিনী। ‘মুগাবেকে ঘিরে থাকা অপরাধীদের’ বিরুদ্ধেই এ অভিযান বলেও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রথমে দাবি করা হয়। পরে জেডএএনইউ-পিএফ পার্টির পক্ষ থেকে মুগাবেকে পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু পদত্যাগের পথে পা বাড়াননি তিনি। তারপরই দলটির পক্ষ থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

জেডএএনইউ-পিএফ পার্টির নেতা পল মাংওয়ানার বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে বলা হয়, মুগাবের অভিশংসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দুদিন সময় লাগতে পারে। বুধবারের মধ্যেই তাঁকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরানো হতে পারে।

তবে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে ৯৩ বছর বয়সী এই নেতাকে অভিশংসনের জন্য বেশ কিছু প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। দেশটির পার্লামেন্টের দুটি কক্ষ-সিনেট ও ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে অনুষ্ঠিত হবে ভোটাভুটি। আর দুটি কক্ষেই অভিশংসনের পক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট থাকতে হবে।

ভোটের আগে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে মুগাবের অভিশংসন আদৌ যৌক্তিক কি না, তা খতিয়ে দেখবে পার্লামেন্টের দুই কক্ষের একটি যৌথ তদন্তকারী দল।

বিবিসি জানায়, মুগাবেকে সংসদীয়ভাবে অভিশংসন করা হলে দায় এড়াতে পারবে জিম্বাবুয়ের সেনাবাহিনী। কারণ তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে সেনাবাহিনীর ভূমিকার দিকে আঙুল তোলা হবে না। আর এর মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসতে পারেন দেশটির বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট ফেলেকেজেলা এমফোকো।

এদিকে, দীর্ঘ ৩৭ বছর শাসন ক্ষমতায় থাকা মুগাবের সিংহাসনহীন জীবন কেমন কাটবে তার একটি ছক কেটে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে জিম্বাবুয়ে সেনাবাহিনী। এ ছাড়া মুগাবের হাতে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন এমন্যাঙ্গাগুয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

সম্প্রতি ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন এমন্যাঙ্গাগুয়াকে বরখাস্ত করে অর্ধেকের কম বয়সী স্ত্রী গ্রেসকে উত্তরসূরি করা নিয়ে মুগাবের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয় ক্ষমতাসীন দলের। আর সেই সুযোগে ভাইস প্রেসিডেন্টের পক্ষ নিয়ে সেনাবাহিনী চলে আসে ক্ষমতার কেন্দ্রে।

ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৮০ সালে জিম্বাবুয়েকে স্বাধীন করেছিলেন মুগাবে। তখন থেকেই তিনি দেশটির ক্ষমতায় আছেন। এ সময়ে ‘আফ্রিকার রুটির ঝুড়ি’ হিসেবে খ্যাত দেশটির অর্থনীতি ভেঙে পড়ে, সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটে। এর জন্য স্বল্পসংখ্যক শ্বেতাঙ্গের হাতে থাকা দেশটির বৃহৎ জমি সংখ্যাগরিষ্ঠ কৃষ্ণাঙ্গদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার ‘ভূমি-নীতি’কে দায়ী করা হয়।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে প্রস্তাব পাস

জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে উত্থাপিত রেজ্যুলেশন পাস হয়েছে রোহিঙ্গা ইস্যুতে। বাংলাদেশেরবিস্তারিত পড়ুন

জেরুজালেম রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি পাচ্ছে

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণা করতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।বিস্তারিত পড়ুন

কট্টরপন্থিদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ পাকিস্তানের আইনমন্ত্রীর

শেষ পর্যন্ত কট্টরপন্থিদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন পাকিস্তানের আইনমন্ত্রী জাহিদবিস্তারিত পড়ুন

  • রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবেদক গুম হচ্ছেন !
  • বাংলাদেশে আসছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি
  • যে কারনে সেনাবাহিনীর দখলে জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন
  • বন্দুকধারীর গুলিতে শিশুসহ নিহত ৪
  • এত খুন এত ধর্ষণ কে করল তাহলে ?
  • অবশেষে আশ্বাস ওদের ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার
  • নিহত চার শতাধিকঃ ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্পে
  • বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসঃ ‘সকল গর্ভধারণ হোক পরিকল্পিত’
  • “আমাদের শহরের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা সবার জন্য লজ্জার” অ্যাওয়ার্ড ফেরত
  • শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে ইরাক-ইরানে, নিহত ১৩৫
  • সমস্যার সমাধান চায় যুক্তরাষ্ট্র, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়
  • Enjoy this blog? Please spread the word :)