মঙ্গলবার, আগস্ট ২২, ২০১৭

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

দিনে পাঁচ-ছ’বার বালি খেয়েও সুস্থ আছেন

দিনে পাঁচ-ছ’বার দু’মুঠো করে বালি খান তিনি। বিগত ৬৩ বছর ধরে নিয়মিত বালি খেয়ে আসছেন বারাণসী ভারতের নিবাসী কুসমাবতী। এই বিচিত্র অভ্যাসের কারণে তার শরীর অসুস্থ হওয়ার কথা থাকলেও উল্টো নীরোগ আছেন তিনি।সমবয়সী অন্য যে কোনো বৃদ্ধ বা বৃদ্ধার তুলনায় অনেক শক্তপোক্ত দেহ কুসমাবতীর। শরীরে এখনও থাবা বসাতে পারেনি জরা কিংবা অন্য কোনো বার্ধক্যজনিত রোগ। এখনও কৃষি কাজ করেন সকাল-সন্ধ্যা।

কিন্তু কুসমাবতী নামের এই মহিলার এমন সুস্বাস্থ্যের রহস্যটা কী? তার নিজের দাবি, প্রতিদিন নিয়মিত বালি খাওয়ার অভ্যাসই তার এই বার্ধক্যরূপী তারুণ্যের মূলে।

শুনতে যতই অদ্ভুত লাগুক, বারাণসী নিবাসী কুসমাবতী বিগত ৬৩ বছর ধরে নিয়মিত বালি খেয়ে আসছেন। দিনে পাঁচ-ছ’বার দু’মুঠো করে বালি খান তিনি।

কিন্তু কেন এমন অদ্ভুত অভ্যাস? কুসমাবতী দেবী জানালেন, তাঁর বয়স যখন বছর পনের, তখন এক বার দুরারোগ্য পেটের অসুখে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তিনি। কোনো এক আত্মীয় পরামর্শ দেন, বালি খেলেই রোগমুক্তি ঘটবে। পরামর্শ শিরোধার্য করে বালি খেতে শুরু করেন কুসমাবতী। কয়েক দিনের মধ্যেই সেরে যায় রোগ। সেই শুরু। তারপর ৬৩ বছর কেটে গিয়েছে, কিন্তু বালি খাওয়ার অভ্যাস কুসমাবতী ছাড়েননি।

তার ধারণা, বালির মধ্যে এমন‌ কোনো গুণ রয়েছে, যা তাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। কারণ, তার দাবি, নিয়মিত বালি খাওয়ার ফলেই এই বয়সেও একেবারে সুস্থ রয়েছে তার দেহ।

কিন্তু বালি খেতে ঘেন্না করে না? কুসমাবতী জানান, ‘তা কেন! বরং বালি খেতে বেশ ভালোই। অনেকটা নুন-চিনির মিশ্রণ যেমন হয়, তেমনই নোনতা-মিষ্টি স্বাদ হয় বালির।’

কুসমাবতীর বাড়ির লোকেরা আপত্তি করেন না? বৃদ্ধার ছেলে রমেশ বললেন, ‘আপত্তি করব কেন? ছোটবেলা থেকেই তো মা-কে বালি খেতে দেখছি। আর কোনোদিন তো এর জন্য মায়ের শরীর খারাপ হয়েছে বলে দেখিনি। আর মা যে শুধু বালিই খান, তা তো নয়। অন্যান্য খাবারদাবারের পাশাপাশি কয়েক মুঠো বালিও খেয়ে নেন, অনেকটা ওষুধের মতোই। মায়ের বিশ্বাস, বালি খেলে শরীর ভালো থাকে। সেই বিশ্বাস যদি সত্যি হয়, তা হলে বালি খাওয়ায় বাধাই বা দেব কেন আমরা!’

তা রমেশ নিজেও মায়ের দেখাদেখি বালি খাওয়া শুরু করেন না কেন? রমেশ হেসে বলেন, ‘আরে না না। ও সব আমাদের কম্ম নয়। মা খেতে পারেন, কারণ মায়ের নিশ্চয়ই কোনো আলাদা ক্ষমতা রয়েছে। আমরা বালি খেলে অসুস্থ হয়ে পড়ব।’

রমেশ যা-ই বলুন, কুসমাবতীর ধারণা, নিয়মিত বালি খেলে শরীরের উপকার বৈ অপকার হয় না। এই ৭৮ বছর বয়সেও তাই মু‌ঠো মুঠো বালি গলাধঃকরণ করে চলেছেন তিনি।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

টিভি আবিষ্কারের পিছনে ছিল ভূতের অবদান! জানা গেল চাঞ্চল্যকর তথ্য

সম্প্রতি এই তথ্যই উঠে এল স্কটল্যান্ডের ফলকার্ক শহরে অনুষ্ঠিত অ্যানুয়ালবিস্তারিত পড়ুন

বাসায় খাবার না থাকলে বিদ্যুৎ খেয়ে ক্ষুধা মেটান নরেশ কুমার

ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুজাফ্ফরনগরের বাসিন্দা বিয়াল্লিশ বছরের নরেশ কুমার। জ্বলন্ত বাল্বেরবিস্তারিত পড়ুন

মাত্র ৯০০ টাকায় এবার আস্ত হিরের মালিক হওয়ার সুযোগ, জেনে নিন কীভাবে !

মধ্যবিত্তের স্বপ্নপূরণ করতে অভিনব উদ্যোগ। হিরের দাম এবার হাতের মুঠোয়।বিস্তারিত পড়ুন

  • স্বপ্নে দেখা দেয় এই ভূত! তিন নম্বর প্রশ্ন করলেই অবধারিত মৃত্যু !!
  • ‘দৃষ্টিশক্তি থাকা, কিন্তু জীবনে লক্ষ্য না থাকা অন্ধত্বের চেয়েও খারাপ’
  • কন্যা সন্তান কবর দেয়ার একটি ভিডিও চিত্র, চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি অনেকেই !
  • প্রতিদিন গোসল করে ঘরে ঢুকতেন! মেয়েদের থেকে লুকিয়ে ছিলেন নিজের আসল পরিচয়ও
  • কে এই সিমা? যার বিয়ে করাই একমাত্র নেশা!
  • বাঁচতে চাইলে মেনু থেকে এখনই বাদ দিন তেলাপিয়া মাছ – দেখে নিন কেন ?
  • বাংলাদেশের এই ‘সুলতান অফ সেক্সে’র কথা জানলে কপালে উঠবেই চোখ!
  • মা মৃত! জন্ম নিল যমজ শিশু। জানুন অবিশ্বাস্য ঘটনা।
  • জানেন কি, কেন ‘পোস্টমর্টেম’ কে বাংলায় ‘ময়নাতদন্ত’ বলা হয়!
  • ৫ বছর ধরে প্রতিবছর ৮ হাজার মাইল সাঁতরে কাছে আসে পেঙ্গুইন!
  • যে কারণে ৫ সন্তান নিয়ে বাংলাদেশে আসলো সৌদি নারী
  • নিজের ডেলিভারি থামিয়ে রোগীর ডেলিভারি করালেন এই নারী চিকিৎসক!