বুধবার, জানুয়ারি ২৫, ২০১৭

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

দিনে পাঁচ-ছ’বার বালি খেয়েও সুস্থ আছেন

bali-1-324x215

দিনে পাঁচ-ছ’বার দু’মুঠো করে বালি খান তিনি। বিগত ৬৩ বছর ধরে নিয়মিত বালি খেয়ে আসছেন বারাণসী ভারতের নিবাসী কুসমাবতী। এই বিচিত্র অভ্যাসের কারণে তার শরীর অসুস্থ হওয়ার কথা থাকলেও উল্টো নীরোগ আছেন তিনি।সমবয়সী অন্য যে কোনো বৃদ্ধ বা বৃদ্ধার তুলনায় অনেক শক্তপোক্ত দেহ কুসমাবতীর। শরীরে এখনও থাবা বসাতে পারেনি জরা কিংবা অন্য কোনো বার্ধক্যজনিত রোগ। এখনও কৃষি কাজ করেন সকাল-সন্ধ্যা।

কিন্তু কুসমাবতী নামের এই মহিলার এমন সুস্বাস্থ্যের রহস্যটা কী? তার নিজের দাবি, প্রতিদিন নিয়মিত বালি খাওয়ার অভ্যাসই তার এই বার্ধক্যরূপী তারুণ্যের মূলে।

শুনতে যতই অদ্ভুত লাগুক, বারাণসী নিবাসী কুসমাবতী বিগত ৬৩ বছর ধরে নিয়মিত বালি খেয়ে আসছেন। দিনে পাঁচ-ছ’বার দু’মুঠো করে বালি খান তিনি।

কিন্তু কেন এমন অদ্ভুত অভ্যাস? কুসমাবতী দেবী জানালেন, তাঁর বয়স যখন বছর পনের, তখন এক বার দুরারোগ্য পেটের অসুখে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তিনি। কোনো এক আত্মীয় পরামর্শ দেন, বালি খেলেই রোগমুক্তি ঘটবে। পরামর্শ শিরোধার্য করে বালি খেতে শুরু করেন কুসমাবতী। কয়েক দিনের মধ্যেই সেরে যায় রোগ। সেই শুরু। তারপর ৬৩ বছর কেটে গিয়েছে, কিন্তু বালি খাওয়ার অভ্যাস কুসমাবতী ছাড়েননি।

তার ধারণা, বালির মধ্যে এমন‌ কোনো গুণ রয়েছে, যা তাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। কারণ, তার দাবি, নিয়মিত বালি খাওয়ার ফলেই এই বয়সেও একেবারে সুস্থ রয়েছে তার দেহ।

কিন্তু বালি খেতে ঘেন্না করে না? কুসমাবতী জানান, ‘তা কেন! বরং বালি খেতে বেশ ভালোই। অনেকটা নুন-চিনির মিশ্রণ যেমন হয়, তেমনই নোনতা-মিষ্টি স্বাদ হয় বালির।’

কুসমাবতীর বাড়ির লোকেরা আপত্তি করেন না? বৃদ্ধার ছেলে রমেশ বললেন, ‘আপত্তি করব কেন? ছোটবেলা থেকেই তো মা-কে বালি খেতে দেখছি। আর কোনোদিন তো এর জন্য মায়ের শরীর খারাপ হয়েছে বলে দেখিনি। আর মা যে শুধু বালিই খান, তা তো নয়। অন্যান্য খাবারদাবারের পাশাপাশি কয়েক মুঠো বালিও খেয়ে নেন, অনেকটা ওষুধের মতোই। মায়ের বিশ্বাস, বালি খেলে শরীর ভালো থাকে। সেই বিশ্বাস যদি সত্যি হয়, তা হলে বালি খাওয়ায় বাধাই বা দেব কেন আমরা!’

তা রমেশ নিজেও মায়ের দেখাদেখি বালি খাওয়া শুরু করেন না কেন? রমেশ হেসে বলেন, ‘আরে না না। ও সব আমাদের কম্ম নয়। মা খেতে পারেন, কারণ মায়ের নিশ্চয়ই কোনো আলাদা ক্ষমতা রয়েছে। আমরা বালি খেলে অসুস্থ হয়ে পড়ব।’

রমেশ যা-ই বলুন, কুসমাবতীর ধারণা, নিয়মিত বালি খেলে শরীরের উপকার বৈ অপকার হয় না। এই ৭৮ বছর বয়সেও তাই মু‌ঠো মুঠো বালি গলাধঃকরণ করে চলেছেন তিনি।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

cats

২৫তম স্ত্রীর মামলায় ২৭তম স্ত্রীর বাড়ি থেকে গ্রেফতার

২৫তম স্ত্রীর করা মামলায় ইয়াসিন ব্যাপারী (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকেবিস্তারিত পড়ুন

1485244766

মাকড়সার কামড়ে সাপের মৃত্যু!

মাকড়সা সাপের খাদ্য, নাকি সাপ মাকড়সার খাদ্য? প্রশ্নটা কি অনেকটাবিস্তারিত পড়ুন

Capture

ফ্যানদের খুশি করতে সেক্স টেপ প্রকাশ করবেন যিনি! (দেখুন ভিডিও সহ)

ফ্যানদের মন ভাল করে দেওয়ার মতো খবর দিলেন অনলাইন স্টারবিস্তারিত পড়ুন

  • সেরার লড়াইয়ে ইরান ও পাকিস্তান, কাহিনী শুনলে অবাক হবেন
  • কুমারী মেয়েদের বিক্রি করা হয় এই বাজারে, দেড় শতকের বেশি সময় ধরে চলছে এই প্রথা
  • চার পা এবং দুই পুরুষাঙ্গ সমেত এই ভারতীয় শিশুর রহস্য কী? সবটাই কি দৈবলীলা?
  • কেমন আছেন বাংলাদেশের যৌনকর্মীরা?
  • ইউনিভার্সিটির মেয়েরা প্রকাশ্যে রাস্তায় করলেন এমন কাজ যে দর্শকরা হলেন শক‌্ড
  • নারীকে গণধর্ষণ ফেসবুক লাইভে!
  • গবেষণা রিপোর্ট : পৃথিবীতে মানুষের মেয়াদ মাত্র ১০০ দিন, বহু মানুষের মধ্যে আতংক
  • স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি চাওয়ায় আমাকে গাছে বেঁধে পিটিয়েছিল ওরা.. আজও আমার কোমরে..
  • এটা আল্লাহর হুকুম মানার ‘হিজাব’ নাকি স্টাইল ?
  • সুবহানাল্লাহ: ২ পা নেই, ইচ্ছাশক্তিতে হাতে ভর করে পবিত্র কাবা শরীফ ৭ বার তাওয়াফ করল এই কিশোর
  • দেখা হয়নি কস্মিনকালেও, নেই কোনও রক্তের সম্পর্কও, কিন্তু যমজ বোনকেও হার মানাবে!
  • বিশ্বের প্রথম ভাসমান শহর