শনিবার, জুন ২৪, ২০১৭

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

দিনে পাঁচ-ছ’বার বালি খেয়েও সুস্থ আছেন

দিনে পাঁচ-ছ’বার দু’মুঠো করে বালি খান তিনি। বিগত ৬৩ বছর ধরে নিয়মিত বালি খেয়ে আসছেন বারাণসী ভারতের নিবাসী কুসমাবতী। এই বিচিত্র অভ্যাসের কারণে তার শরীর অসুস্থ হওয়ার কথা থাকলেও উল্টো নীরোগ আছেন তিনি।সমবয়সী অন্য যে কোনো বৃদ্ধ বা বৃদ্ধার তুলনায় অনেক শক্তপোক্ত দেহ কুসমাবতীর। শরীরে এখনও থাবা বসাতে পারেনি জরা কিংবা অন্য কোনো বার্ধক্যজনিত রোগ। এখনও কৃষি কাজ করেন সকাল-সন্ধ্যা।

কিন্তু কুসমাবতী নামের এই মহিলার এমন সুস্বাস্থ্যের রহস্যটা কী? তার নিজের দাবি, প্রতিদিন নিয়মিত বালি খাওয়ার অভ্যাসই তার এই বার্ধক্যরূপী তারুণ্যের মূলে।

শুনতে যতই অদ্ভুত লাগুক, বারাণসী নিবাসী কুসমাবতী বিগত ৬৩ বছর ধরে নিয়মিত বালি খেয়ে আসছেন। দিনে পাঁচ-ছ’বার দু’মুঠো করে বালি খান তিনি।

কিন্তু কেন এমন অদ্ভুত অভ্যাস? কুসমাবতী দেবী জানালেন, তাঁর বয়স যখন বছর পনের, তখন এক বার দুরারোগ্য পেটের অসুখে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তিনি। কোনো এক আত্মীয় পরামর্শ দেন, বালি খেলেই রোগমুক্তি ঘটবে। পরামর্শ শিরোধার্য করে বালি খেতে শুরু করেন কুসমাবতী। কয়েক দিনের মধ্যেই সেরে যায় রোগ। সেই শুরু। তারপর ৬৩ বছর কেটে গিয়েছে, কিন্তু বালি খাওয়ার অভ্যাস কুসমাবতী ছাড়েননি।

তার ধারণা, বালির মধ্যে এমন‌ কোনো গুণ রয়েছে, যা তাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। কারণ, তার দাবি, নিয়মিত বালি খাওয়ার ফলেই এই বয়সেও একেবারে সুস্থ রয়েছে তার দেহ।

কিন্তু বালি খেতে ঘেন্না করে না? কুসমাবতী জানান, ‘তা কেন! বরং বালি খেতে বেশ ভালোই। অনেকটা নুন-চিনির মিশ্রণ যেমন হয়, তেমনই নোনতা-মিষ্টি স্বাদ হয় বালির।’

কুসমাবতীর বাড়ির লোকেরা আপত্তি করেন না? বৃদ্ধার ছেলে রমেশ বললেন, ‘আপত্তি করব কেন? ছোটবেলা থেকেই তো মা-কে বালি খেতে দেখছি। আর কোনোদিন তো এর জন্য মায়ের শরীর খারাপ হয়েছে বলে দেখিনি। আর মা যে শুধু বালিই খান, তা তো নয়। অন্যান্য খাবারদাবারের পাশাপাশি কয়েক মুঠো বালিও খেয়ে নেন, অনেকটা ওষুধের মতোই। মায়ের বিশ্বাস, বালি খেলে শরীর ভালো থাকে। সেই বিশ্বাস যদি সত্যি হয়, তা হলে বালি খাওয়ায় বাধাই বা দেব কেন আমরা!’

তা রমেশ নিজেও মায়ের দেখাদেখি বালি খাওয়া শুরু করেন না কেন? রমেশ হেসে বলেন, ‘আরে না না। ও সব আমাদের কম্ম নয়। মা খেতে পারেন, কারণ মায়ের নিশ্চয়ই কোনো আলাদা ক্ষমতা রয়েছে। আমরা বালি খেলে অসুস্থ হয়ে পড়ব।’

রমেশ যা-ই বলুন, কুসমাবতীর ধারণা, নিয়মিত বালি খেলে শরীরের উপকার বৈ অপকার হয় না। এই ৭৮ বছর বয়সেও তাই মু‌ঠো মুঠো বালি গলাধঃকরণ করে চলেছেন তিনি।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

যে কারণে ১৭৬ বছর ধরে সংরক্ষিত রয়েছে এই মস্তিষ্ক!

প্রাচীন কালে মৃতদেহ সংরক্ষণের কথা বলতে গেলে প্রথমেই আমাদের মাথায়বিস্তারিত পড়ুন

যার নাম শুনলেই কেঁপে ওঠে ঢাকার পেশাদার পতিতারা!

তফার নাম শুনলেই কাঁপে পেশাদার পতিতারা। তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখেনবিস্তারিত পড়ুন

চোখে চোখ রেখে কথা বলা বেশিক্ষণ সম্ভব হয় না কেন, জানালেন বিজ্ঞানীরা

নিরীক্ষা থেকে বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্তে এসেছেন, কথা না বলে দু’জন মানুষবিস্তারিত পড়ুন

  • এবার ৮০ বছরের বৃদ্ধাও ৩০ বছরের তরুণীর সুখ দেবে
  • নিম গাছে মিষ্টি পাতা! চেখে দেখতে ভিড় জমছে বর্ধমানে, দেখুন ভিডিও
  • গবেষণা বলছে, গোলগাল নারীকে বিয়ে করলে আপনি অধিক সুখী হবেন
  • যদি বাগানে পেয়ে যান এমন জিনিস; খুলে যাবে ভাগ্য!
  • মৃত্যুর রহস্য জানা গেল ৫৩০০ বছর পর!
  • ১ বছরের শিশুটির মাথায় ১০ দিন ধরে কী গেঁথে ছিল, জানলে হাড় হিম হয়ে যাবে
  • এই হিরে ব্যবসায়ী এখন ২ হাজার মেয়ের বাবা!
  • আস্ত ছাগল গিলে ফেলল অজগর! (ভিডিও)
  • বিমানে নারী যাত্রীর পাশে বসে অনৈতিক কার্যকলাপ, অতঃপর…
  • সিংহ শাবকের সঙ্গে খেলা করার মাশুল গুনলেন স্বল্পবসনা মডেল (ভিডিও)
  • ২০ বছর আটকা থাকার পর মুক্তি পেল ১৩২ বছর বয়সের গলদা চিংড়ি
  • পুতুল দিয়ে ‌ধর্ষণের ঘটনা বর্ণনা করল ৫ বছরের শিশু