বুধবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

‘বৌদ্ধরা আগুন দিচ্ছে রোহিঙ্গাদের গ্রামে’

সেনাবাহিনী ও চরমপন্থি বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন-হত্যা থেকে বাঁচতে গত দুই সপ্তাহে প্রায় ১ লাখ ৬৪ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের দাবি, সরকারি মদদেই এই হত্যা-নির্যাতন চলছে। আবার মিয়ানমার সরকারের দাবি রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরাই এ কাণ্ড ঘটাচ্ছে। কারটা সত্য? সম্প্রতি বিবিসির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংবাদদাতা জোনাথান হেড রাখাইনে গিয়েছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে ফিরে তিনি জানিয়েছেন, রাখাইন বৌদ্ধরাই রোহিঙ্গাদের গ্রামে অগ্নিসংযোগ করছে। জোনাথান হেডের জবানিতেই পড়ুন তার বিবরণ।

মংড়ুর পরিস্থিতি দেখতে মিয়ানমার সরকার যে সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল আমি সেই গ্রুপেরই সদস্য ছিলাম। এই সফরে যোগ দেওয়ার পূর্বশর্ত ছিল আমরা দলবদ্ধভাবে থাকব এবং স্বাধীনভাবে ঘোরাফেরা করতে পারব না। একইসঙ্গে সরকারের বাছাই করা স্থানে আমাদের যেতে হবে। অন্যান্য এলাকায় এমনকি কাছের কোনো স্থানেও আমাদের যাওয়ার প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছিল নিরাপত্তার অজুহাতে।

মংড়ুর দক্ষিণের শহর আই লি থান কিয়াঅ পরিদর্শণ শেষে আমরা ফিরছিলাম। শহরটি তখনো জ্বলছিল, যা দেখে বোঝা যায় বেশ কিছু সময় আগে এতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।

পুলিশ আমাদের জানালো, মুসলমান বাসিন্দারাই তাদের নিজেদের বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে। অবশ্য ২৫ আগস্ট শহরের পুলিশ চৌকিতে আরকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির যোদ্ধাদের হামলার পরপর অধিকাংশ বাসিন্দাই পালিয়ে গেছে। আমরা উত্তর দিকে বেশ কিছুটা দূরে কমপক্ষে তিনটি ধোঁয়ার কুণ্ডুলি দেখতে পাচ্ছিলাম। এসময় থেমে থেমে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছিল।

সাধারণত গ্রামের চিহ্ন হিসেবে ধানক্ষেত থাকে। আমাদের পেছনে ধানক্ষেতগুলোর মধ্যে সারিবদ্ধ গাছের ভেতর থেকে ধোঁয়ার কুন্ডুলি দেখতে পেলাম। আমরা গাড়ি থেকে বের হলাম এবং ধানক্ষেত পেরিয়ে সেখানে যাওয়ার জন্য দৌড় দিলাম। প্রথমেই দেখতে পেলাম গ্রামের ভবনগুলো কেবল জ্বলছে। এই গ্রামের বাড়িগুলো ২০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে ছাইয়ে পরিণত হয়ে গেল। এটা সুনিশ্চিত কিছুক্ষন আগেই এখানে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।

একটু হেঁটে যাওয়ার পর আমরা একদল তরুণকে রামদা, তলোয়ার ও গুলতি হাতে চলে যেতে দেখলাম। আমরা তাদেরকে সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলাম। কিন্তু তারা ক্যামেরার সামনে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানালো। যাহোক, আমাদের মিয়ানমার সহকর্মী ক্যামেরা সরিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বললো। তারা জানালো, তারা সবাই রাখাইন বৌদ্ধ। ওদের মধ্যে একজন স্বীকার করলো সে গ্রামে অগ্নিসংযোগ করেছে এবং পুলিশ তাকে সহযোগিতা করেছে।

সামনে এগুনোর পর একটি মাদ্রাসা দেখতে পেলাম যেটির ছাদ তখনো জ্বলছে। আগুন আরেকটি বাড়ির পাশে ছড়িয়ে পড়ায় তিন মিনিটের মাথায় এটি রীতিমতো নরকে পরিণত হলো।

গ্রামে কোনো মানুষই নেই। আমরা যাদেরকে দেখেছিলাম ওরা ছিল হামলাকারী। রাস্তার ওপর গৃহস্থালি সামগ্রী, শিশুদের খেলনা, নারীদের কাপড়চোপড় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছিল। রাস্তার মাঝে একটি খালি জগ দেখতে পেলাম যেটার ভেতর থেকে তখনো পেট্রোলের ঝাঁঝ বের হচ্ছিল, আরেকটি পড়ে থাকা জগে কিছুটা পেট্রোল অবশিষ্ট ছিল। যখন আমরা বের হয়ে আসছিলাম পোড়া বাড়িগুলোতে আগুন ধিকিধিকি করে জ্বলছিল, কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যাচ্ছিল চারপাশ।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

একি অবস্থা ! ‘নিম্নমানের’ শাড়ি পেয়ে নারীদের প্রকাশ্যে চুলোচুলি (ভিডিও)

ভারতের তেলেঙ্গানায় ‘বটুকাম্মা’ উৎসব উপলক্ষে নারীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শাড়িবিস্তারিত পড়ুন

পরকীয়া চালিয়ে যেতে প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে খুন!

পরকীয়া চালিয়ে যেতে প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে এক নারী তাঁর স্বামীকেবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পেরঃ রোহিঙ্গা ইস্যুতে

রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পাশেবিস্তারিত পড়ুন

  • রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে জাতির উদ্দেশে ভাষণে যা বলতে চাইলেন অং সান সুচি !
  • শেখ হাসিনার সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সাক্ষাৎ
  • রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগের শেষ কোথায় ! আশ্রয়স্থল তলিয়ে যাওয়ায় খুঁজতে হচ্ছে নতুন জায়গা !
  • সহিংসতার নিন্দা জানাতে সু চিকে তাগিদ
  • রোহিঙ্গাদের নিয়ে এবার কড়া ভায়ায় য বললেন মমতা
  • এবার ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে আঘাত ‘মারিয়া’র
  • অ্যাঞ্জেলিনা জোলি রোহিঙ্গা নিপীড়ন বন্ধে সু চিকে যা বললেন
  • নির্বাচনে জয়ী কুলসুম নওয়াজ অন্তরালে থেকেও
  • ওপার বাংলা বাংলাদেশের গল্প শুনবে এবার
  • ‘উত্তর কোরিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে’
  • ‘কুরআন পড়ে শান্তি অনুভব করি, ইসলামিক নিয়মে ধর্ম পালনের চেষ্টা করি’
  • চার হাজার কোটি টাকার ত্রাণ দিচ্ছে সৌদি এবার রোহিঙ্গাদের