শুক্রবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৮

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

রুপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের ৬৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শীর্ষ কবি জীবনানন্দ দাশের ৬৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি শুদ্ধতম ও রুপসী বাংলার কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত। বিশ্ব কাব্যসাহিত্যের এক অসাধারণ মেধাবী এই বাঙালি কবি কলকাতায় ট্রাম দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর মারা যান। তার জন্ম বাংলাদেশের বরিশালে ১৯৯৯ সালের ১৭ ফ্রেব্রুয়ারি। তাদের পূর্বপুরুষ বিক্রমপুরে বসবাস করতেন। তার মা কবি কুসুম কুমারী দাশ ও বাবার নাম সত্যনানন্দ দাশ ।

কবি ব্রজমোহন স্কুল থেকে এসএসসি, ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি, প্রেসিডেন্সি কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ ও ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পেশাগত জীবনে কবি প্রথম অধ্যাপনা শুরু করেন ১৯২২ সালে কলকাতা সিটি কলেজে। এর পর পর্যায়ক্রমে দিল্লীর রামযশ কলেজ, ব্রজমোহন কলেজ, বাগেরহাট কলেজ, হাওড়া গার্লস কলেজ, খড়গপুর কলেজে অধ্যাপনা করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি বরিশাল ত্যাগ করেন। পেশাগত জীবনে নানা কারণে কবিকে একটার পর একটা কলেজ থেকে বিদায় নিয়ে শিক্ষকতা করতে হয়। বোহেমিয়ান জীবন ছিল তার। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কবি কলকাতার হাওড়া কলেজে অধ্যাপনা করছিলেন।

বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শক্তিশালী এই লেখক একাধারে কবি, অধ্যাপক, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, উপন্যাসিক, গীতিকার। স্কুল জীবনেই কবি জীবনানন্দ দাশ বাংলা ও ইংরেজিতে লেখালেখি শুরু করেন। তার প্রথম কবিতা ‘ বর্ষ ‘ ১৯১৯ সালে ‘ব্রাক্ষন্দী’ পত্রিকায় প্রকাশ পায়। তার কবিতা বাংলার রূপ, প্রকৃতি, মানুষের জীবনধারা, মাটি, তাদের কর্ম,দু:খ-কষ্ট, বৃটিশ শাসনবিরোধী, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা উঠে এসেছে। কবিতা নির্মিতিতে ভিন্ন আঙ্গিকে, ভাষাগতভাবে পূরাণকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন। রবীন্দ্রত্তোর কবিতায় তার মতো ভিন্নভাবে সৃষ্টিশীলতা আর কারও মধ্যে কাজ করেনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কবি ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও মৃত্যুর পর তার সৃষ্টিশীলতাই তাকে শ্রেষ্ট কবির মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করে।

জীবনানন্দ দাশের প্রথম কবিতার বই ‘ ঝরা পালক ’প্রকাশ পায় ১৯২৭ সালে। কলেজ জীবন থেকে তার লেখা নানা পত্রিকায় প্রকাশ পেতে থাকে। তার প্রকাশিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে, ধূসর পান্ডুলিপি (১৯২৭),বনলতা সেন (১৯৪২), মহাপৃথিবী (১৯৪৪), সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮), জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা ( ১৯৫৪), রুপসী বাংলা (১৯৫৭), বেলা অবেলা কালবেলার কবিতা (১৯৬১ ), সুদর্শনা (১৯৭৬), আলো পৃথিবী (১৯৮১), মনোবিহঙ্গম, প্রেম তোমার কথা ভেবে (১৯৯২)। গল্পগ্রন্থ ‘জীবনানন্দ দাশের গল্প (১৯৭২), চারজন (২০০৪), শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৭৩)। এ ছাড়া কবির একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ প্রকাশ পায়।

সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য কবি রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার (১৯৫২ ), সাহিত্য আকাডেমি পুরস্কার ( ১৯৯৫)সহ অন্যান্য পুরস্কার লাভ করেন।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

কার্যকর হলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুলবিস্তারিত পড়ুন

কোটাধারীদের শাহবাগ আন্দোলন স্থগিত

সরকারী চাকুরীতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০% বহাল এবং একই স্থানে প্রতিবন্ধীদেরবিস্তারিত পড়ুন

ইয়াবা বিপণন-সেবনের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নতুন ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮’ এরবিস্তারিত পড়ুন

  • ‘গ্রেনেড হামলার রায় নিয়ে নৈরাজ্য সহ্য করা হবে না’
  • অবশেষে মালয়েশিয়া যাচ্ছে ৭০ হাজার শ্রমিক
  • পদার্থে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী
  • সিনহার বিরুদ্ধে পাবনায় সাধারণ ডায়েরি
  • তফসিল ও নির্বাচনকালীন সরকার নভেম্বরে
  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন না হলে কঠোর আন্দোলন
  • আবাসিক এলাকায় পলিথিন কারখানা : বিপন্ন পরিবেশ
  • ১৭১ যাত্রীকে বাঁচালেন যে পাইলট
  • চট্টগ্রামে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাতি মামলার আসামি নিহত
  • ১০ জেলায় নতুন ডিসি
  • ইউএনওর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘মহানুভবতার দেয়াল’
  • রোহিঙ্গা ইস্যু: আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী