সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৮

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

রুপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের ৬৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শীর্ষ কবি জীবনানন্দ দাশের ৬৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি শুদ্ধতম ও রুপসী বাংলার কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত। বিশ্ব কাব্যসাহিত্যের এক অসাধারণ মেধাবী এই বাঙালি কবি কলকাতায় ট্রাম দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর মারা যান। তার জন্ম বাংলাদেশের বরিশালে ১৯৯৯ সালের ১৭ ফ্রেব্রুয়ারি। তাদের পূর্বপুরুষ বিক্রমপুরে বসবাস করতেন। তার মা কবি কুসুম কুমারী দাশ ও বাবার নাম সত্যনানন্দ দাশ ।

কবি ব্রজমোহন স্কুল থেকে এসএসসি, ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি, প্রেসিডেন্সি কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ ও ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পেশাগত জীবনে কবি প্রথম অধ্যাপনা শুরু করেন ১৯২২ সালে কলকাতা সিটি কলেজে। এর পর পর্যায়ক্রমে দিল্লীর রামযশ কলেজ, ব্রজমোহন কলেজ, বাগেরহাট কলেজ, হাওড়া গার্লস কলেজ, খড়গপুর কলেজে অধ্যাপনা করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি বরিশাল ত্যাগ করেন। পেশাগত জীবনে নানা কারণে কবিকে একটার পর একটা কলেজ থেকে বিদায় নিয়ে শিক্ষকতা করতে হয়। বোহেমিয়ান জীবন ছিল তার। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কবি কলকাতার হাওড়া কলেজে অধ্যাপনা করছিলেন।

বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শক্তিশালী এই লেখক একাধারে কবি, অধ্যাপক, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, উপন্যাসিক, গীতিকার। স্কুল জীবনেই কবি জীবনানন্দ দাশ বাংলা ও ইংরেজিতে লেখালেখি শুরু করেন। তার প্রথম কবিতা ‘ বর্ষ ‘ ১৯১৯ সালে ‘ব্রাক্ষন্দী’ পত্রিকায় প্রকাশ পায়। তার কবিতা বাংলার রূপ, প্রকৃতি, মানুষের জীবনধারা, মাটি, তাদের কর্ম,দু:খ-কষ্ট, বৃটিশ শাসনবিরোধী, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা উঠে এসেছে। কবিতা নির্মিতিতে ভিন্ন আঙ্গিকে, ভাষাগতভাবে পূরাণকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন। রবীন্দ্রত্তোর কবিতায় তার মতো ভিন্নভাবে সৃষ্টিশীলতা আর কারও মধ্যে কাজ করেনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কবি ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও মৃত্যুর পর তার সৃষ্টিশীলতাই তাকে শ্রেষ্ট কবির মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করে।

জীবনানন্দ দাশের প্রথম কবিতার বই ‘ ঝরা পালক ’প্রকাশ পায় ১৯২৭ সালে। কলেজ জীবন থেকে তার লেখা নানা পত্রিকায় প্রকাশ পেতে থাকে। তার প্রকাশিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে, ধূসর পান্ডুলিপি (১৯২৭),বনলতা সেন (১৯৪২), মহাপৃথিবী (১৯৪৪), সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮), জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা ( ১৯৫৪), রুপসী বাংলা (১৯৫৭), বেলা অবেলা কালবেলার কবিতা (১৯৬১ ), সুদর্শনা (১৯৭৬), আলো পৃথিবী (১৯৮১), মনোবিহঙ্গম, প্রেম তোমার কথা ভেবে (১৯৯২)। গল্পগ্রন্থ ‘জীবনানন্দ দাশের গল্প (১৯৭২), চারজন (২০০৪), শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৭৩)। এ ছাড়া কবির একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ প্রকাশ পায়।

সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য কবি রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার (১৯৫২ ), সাহিত্য আকাডেমি পুরস্কার ( ১৯৯৫)সহ অন্যান্য পুরস্কার লাভ করেন।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাবিস্তারিত পড়ুন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশে ফেরার দিন

আজ ১০ জানুয়ারি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশবিস্তারিত পড়ুন

যুদ্ধাপরাধসংক্রান্ত ৩০তম মামলার রায়ের অপেক্ষা

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধসংক্রান্ত ৩০তম মামলার রায় ঘোষণা করাবিস্তারিত পড়ুন

  • কোনো দলের ভোট বর্জনের আশঙ্কা দেখছেন না সিইসি
  • আজ ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনের তফসিল
  • শীতের তীব্রতা কমতে পারে বৃহস্পতিবার থেকে
  • সৌদিতে ১০ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর শোক
  • বাঁধ নির্মাণ শুরু হয়নি হাওরে, নীতিমালা বদলালেও
  • মোবাইল কোর্ট চলবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত
  • আজ বিকেলে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা
  • পুলিশ সপ্তাহঃ প্রতিপাদ্য ‘জঙ্গি মাদকের প্রতিকার, বাংলাদেশ পুলিশের অঙ্গীকার’
  • ‘আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার’
  • কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছেঃ ইতিহাসের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে
  • বুধবার মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের দফতর বণ্টন
  • বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পপি ব্রিটেনের রানির বিশেষ সম্মাননা পেলেন