শনিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৮

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবেদক গুম হচ্ছেন !

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের চিত্র যারা তুলে ধরছেন বলে প্রতিবেদক গুম হচ্ছেন। এসব ব্যক্তি দেশটির সেনাবাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ২০১২ সাল থেকে রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর নির্যাতন-নিপীড়নের চিত্র গোপনে ধারণ করতেন তরুণ রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবীরা। পরে স্মার্টফোনের মাধ্যমে এসব অডিও-ভিডিও ও স্থির ছবি দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হতো।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, তথ্য সরবরাহের এই নেটওয়ার্কর্কে ধ্বংস করার জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এইসব প্রতিবেদকদের অনেককে অপহরণ ও হত্যা করেছে। অবরুদ্ধ রাখাইন রাজ্যে কী ঘটছে সে সম্পর্কে জানার সুযোগ এখন তাই অনেক কমে গেছে।

রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের অনলাইন সংবাদমাধ্যম দ্য স্টেটলেস-এ সম্পাদনার কাজ করেন রোহিঙ্গা শরণার্থী মোহাম্মদ রফিক। তিনি জানিয়েছেন, গত বছর ক্র্যাকডাউন শুরুর পর রাখাইনের ৯৫ শতাংশেরও বেশি মোবাইল প্রতিবেদক নিখোঁজ হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বার্মার সেনাবাহিনী ও রাখাইনের সন্ত্রাসীরা এখনো রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে ধর্ষণ, হত্যা ও অগ্নিসংযোগ অব্যাহত রেখেছে। তবে সেখানে রোহিঙ্গা মোবাইল প্রতিবেদকদের যে নেটওয়ার্ক ছিল তা এখন আর কাজ করছে না। বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পরিবেশনের জন্য সহিংসতার যে বিস্তারিত খবরগুলো আসা প্রয়োজন, তা আর আমাদের কাছে আসছে না।’

রফিক বলেন, ‘আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরাও রোহিঙ্গা মোবাইল নেটওার্কের মাধ্যমে সহিংসতা সংশ্লিষ্ট খবরগুলো পেতেন। তারাসহ আমাদের সম্প্রদায়ের সংবাদমাধ্যগুলোও এখন রাখাইনের খবর খুব কম পাচ্ছে।’

বাংলাদেশভিত্তিক রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মুখপাত্র কো কো লিন জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে দুই হাজার মোবাইল প্রতিবেদক রাখাইনে সক্রিয় ছিল। ‘গত বছর রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানের সময় মোবাইল প্রতিবেদকরা গ্রামগুলোতে সহিংসতার বিস্তারিত সংবাদ সংগ্রহ করতো। নিরাপত্তা অভিযানের নামে সেনাবাহিনী ও তাদের দোষর স্থানীয় সন্ত্রাসীরা যে সহিংসতা চালাতো তাদের প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিশ্ববাসী তা জানতে পেরেছে।’

মোবাইল প্রতিবেদকরা কীভাবে সংবাদ সংগ্রহ করতেন তার বিবরণ দিয়েছেন বাংলাদেশে পালিয়ে আসা নুর হোসেন নামে এক মোবাইল প্রতিবেদক। তিনি বলেছেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনী যখন আমাদের গ্রামে প্রবেশ করতো তখন আমরা লুকিয়ে পড়তাম। তারা যখন অভিযান শেষ করে ফিরে যেত তখন আমরা বের হয়ে ঘটনাস্থলের ছবি, নির্যাতনের চিত্র ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট তথ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করতাম এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাৎক্ষনিকভাবে সেগুলো পাঠিয়ে দিতাম।’

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

আবারও ক্ষমতায় মাহাথির

মালয়েশিয়ার ১৪তম সাধারণ নির্বাচনে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ নেতৃত্বাধীনবিস্তারিত পড়ুন

যে কারনে জাদুঘরে রাখা হবে হকিংয়ের হুইল চেয়ার

সদ্য প্রয়াত পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের ব্যবহৃত হুইল চেয়ার আরবিস্তারিত পড়ুন

ইসরায়েল ‘সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র’: এরদোয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান রবিবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকেবিস্তারিত পড়ুন

  • নেপালের পথে মেডিকেল টিম
  • নিহত ১৩ঃ ক্যালিফোর্নিয়ায় বন্যা, ভূমিধস
  • নওয়াজ শরিফ বলেন, বাংলাদেশকে বিচ্ছিন্ন হতে আমরাই বাধ্য করেছি
  • সৌদিতে ১০ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর শোক
  • সরকার বিরোধী বিক্ষোভে সিআইএ’র সমর্থন ইরানে
  • বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পপি ব্রিটেনের রানির বিশেষ সম্মাননা পেলেন
  • গরুর মাংস আমদানির প্রস্তাব নাকচ
  • এবার ফিলিস্তিনে অনুদান বন্ধের হুমকি
  • ভারত জেরুজালেম ইস্যুতে আমেরিকার বিপক্ষে ভোট দিল
  • জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে প্রস্তাব পাস
  • জেরুজালেম রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি পাচ্ছে
  • কট্টরপন্থিদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ পাকিস্তানের আইনমন্ত্রীর