শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

‘আমি আওয়ামী লীগ নয়, শেখ হাসিনা লীগ করি’

নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। সেই শামীম ওসমানই আইভীর মাথায় হাত রেখে বলেন, ছোট বোন তুমি চিন্তা কর না। নিশ্চিন্তে বাড়ি যাও। আমি তোমার নির্বাচন করে দিচ্ছি। আমি আওয়ামী লীগ নয়, শেখ হাসিনা লীগ করি। নেত্রী আমাকে তোমার পক্ষে কাজ করতে বলেছেন। আমি তোমার পক্ষেই কাজ করব। কারণ নৌকা জয়ী হলে শেখ হাসিনার বিজয় হবে।

বহুল আলোচিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের বিবদমান দুই পক্ষের সমঝোতা বৈঠকে এমন আবেগঘন নাটকীয়তা ঘটে। গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক চলে আড়াই ঘণ্টারও বেশি। রাত ৮টায় শুরু হয়ে চলে সাড়ে ১০টা নাগাদ। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ও বিদায় সিটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী উষ্ণ সৌজন্যতা বিনিময় করেন। একপর্যায়ে আইভীর মাথায় হাত রেখে শামীম ওসমান তাকে অভয় দিয়ে বলেন, আমরা সবাই নৌকার কর্মী। নৌকার যাত্রীদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এমন একাধিক নেতার কাছ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এ সমঝোতা বৈঠকের প্রথম পর্যায়ে দু’পক্ষের নেতাদের মধ্যে দফায় দফায় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। মাঝেমধ্যে উভয়পক্ষ তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ও শেখ হাসিনার প্রতি অগাধ আনুগত্যের কথা তুলে ধরেন। একপর্যায়ে মান-অভিমান ভাঙার পর্ব শুরু হয়। সেটিও চলে দীর্ঘক্ষণ। কান্না ও অভিমান পর্ব শেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। দীর্ঘদিনের বৈরিতা ভুলে শামীম ওসমান ও সেলিনা হায়াৎ আইভী পরস্পরের দিকে এগিয়ে যান।

বৈঠকে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নেতা বলেন, শামীম ওসমান ৪০ মিনিট ধরে বক্তব্য দেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, আমার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কটূক্তি করা ছাড়াও আইভী আমার মায়ের কবর নিয়েও বাজে মন্তব্য করেছেন। সেগুলো আমি মুখবুজে সহ্য করে নিয়েছি। কিন্তু তিনি যখন আপনাকে উদ্দেশ করে বিরূপ মন্তব্য করেন তখন আমি স্থির থাকতে পারি না। কারণ আমি আসলে হাসিনা লীগ করি। শামীম ওসমানের বক্তব্য শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেন, তুমি মোট ৪১ মিনিট কথা বলেছ। তোমার দীর্ঘ বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। তুমি জেনে রাখ, আমি নীলকণ্ঠ। নীলকণ্ঠর মতোই বিষ পান করেও তা হজম করতে পারি। একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তার কপালের ওপর থেকে চুল সরিয়ে ক্ষতচিহ্ন দেখিয়ে বলেন, আমার কপালের এ জায়গাটায় এখনও সেলাইয়ের দাগ আছে। কিন্তু তোমরা জান না এ সেলাইয়ের দাগ যার কারণে পড়েছিল তাকেও আমি বর্তমান মন্ত্রিসভায় রেখেছি। কারণ আমি ব্যক্তিগত লাভের জন্য রাজনীতি করি না। আমি দেশের মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছি। যেটা করেছিলেন আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী এমন আবেগঘন বক্তব্যের সময় গণভবনের বড় বৈঠকখানাজুড়ে পিনপতন নীরবতা নেমে আসে। উপস্থিত নেতাকর্মীদের কয়েকজনকে কাঁদতে দেখা যায়।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ

রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধবিস্তারিত পড়ুন

অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন

সাবেক এমপি মিয়াজী যশোরের পার্ক থেকে আটক

ঝিনাইদহ-৩ আসনের সাবেক এমপি ও শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক সচিববিস্তারিত পড়ুন

  • ফের ২ দিন রিমান্ডে আনিসুল হক
  • আমির খসরু: নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে
  • জামিন পেলেন সাবেক বিচারপতি মানিক
  • হাসিনার পতনে জাতির মনোজগত পরিবর্তন হয়েছে, নতুন রাজনীতি হতে হবে স্বচ্ছ: আমীর খসরু
  • বগুড়ায় হাসিনা-কাদেরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা
  • ১৭ বছর পর সচল হলো আবদুল আউয়াল মিন্টুর ব্যাংক হিসাব
  • ১০ দিনের রিমান্ডে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক
  • ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি নুরের দলের
  • কোটা আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ইমেজ ড্যামেজ হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের
  • বিএনপি ও সমমনা দলের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
  • বিকেলে বাসায় ফিরবেন খালেদা জিয়া
  • খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে দেশের গণতন্ত্র মুক্তি পাবে : এ্যানী