সোমবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

খালেদার দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানি ৩ আগস্ট

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৩ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বকশিবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকা মহানগর তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের আদালত এ আদেশ দেন।

এদিন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে মামলার বাদীকে জেরা করেন। এর আগে এই মামলায় হাজিরা দিতে সকাল ১০ টা ১০ মিনিটে বিশেষ আদালতে পৌঁছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন। সকাল ৯ টা ৪০ মিনিটে তিনি বিশেষ আদালতের উদ্দেশে গুলশানের বাসা থেকে রওয়ানা হন।
খালেদা জিয়া এর আগে গত ১৮ জুন এ দুটি মামলায় হাজিরা দিয়েছিলেন।

বকশিবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকা মহানগর তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতে মামলা দুটির বিচার কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে মামলার কার্যক্রম। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এককোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করে দুদক। ওই মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) আদালতে দাখিল করা হয় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে এ মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয় দুদক।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার অন্য আসামিরা হলেন- হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর সহকারী একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম এবং সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ নয় জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির দুই মামলায় অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩।

বিচারক বাসুদেব রায়ের বিশেষ জজ আদালত-৩-এ এ মামলার বিচার কার্যক্রম চলছিল। তবে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতের প্রতি অনাস্থা জানালে পরবর্তী সময়ে বিচারক বাসুদেব রায়ের পরিবর্তে এ আদালত পরিচালনার দায়িত্ব পান আবু আহমেদ জমাদার।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

শ্রমিক অধিকার নিয়ে নালিশের নিষ্পত্তি নভেম্বরে: আইনমন্ত্রী 

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরেবিস্তারিত পড়ুন

বিএনপির কেন্দ্রীয় ৩ নেতার পদোন্নতি

বিএনপিতে কেন্দ্রীয় কমিটির ৩ নেতার পদে রদবদল করা হয়েছে। মঙ্গলবারবিস্তারিত পড়ুন

বিএনপি মানে খাইখাই, আ.লীগ মানেই দেই-দেই: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি গণতন্ত্রের ভাষা বোঝে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগবিস্তারিত পড়ুন

  • ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, তাড়াহুড়োয় ভুল হয়ে গেছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
  • হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া
  • গুরুতর আহত মমতা, হাসপাতালে ভর্তি
  • সুপ্রিম কোর্টে মারামারি ঘটনায় ৩ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বরখাস্ত
  • কোস্ট গার্ডকে ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন: হট্টগোল-মারামারিতে ভোট গণনা বন্ধ
  • সত্যকে কখনও মিথ্যা দিয়ে ঢাকা যায় না: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘নিরাপত্তা নিশ্চিতে অন্যদের নিষেধাজ্ঞা গ্রহণযোগ্য নয়’
  • ঐক্যফ্রন্টের লিয়াজোঁ ও স্টিয়ারিং কমিটিতে আছেন যারা
  • লুটেপুটে খায় এমন প্রার্থীদের বর্জন করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
  • ‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’
  • ডায়াবেটিস ও ব্যথায় ভুগছেন খালেদা জিয়া