বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৫, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

জেনে নিন, ইতিহাস নিয়ে বলা মিথ্যে গল্প গুলো

দৈনন্দিন জীবনে টুকটাক মিথ্যে খানিকটা আমরা সবাইই বলে থাকি। সেগুলোর প্রায় সবটাই রয়ে যায় আমাদের পাশের মানুষগুলোর অগোচরেও। কিন্তু পৃথিবীতে রয়েছে এমন কিছু মিথ্যে যেগুলো জড়িয়ে রয়েছে বিখ্যাত সব ইতিহাসের সাথে। ভাবছেন কি এমন সব মিথ্যে সেগুলো? জেনে নিন বিখ্যাত কিছু ঐতিহাসিক ঘটনাকে জড়িয়ে বলা কিছু ঐতিহাসিক মিথ্যের কথা।
১. ৯/১১ নিয়ে মিথ্যে

কৌতুকাভিনেতা স্টিভ রেনাজ্জিসির ভাষ্যমতে ৯/১১ এর টুইন টাওয়ার আক্রমণের সময় তিনি সেখানকার ৫৪ তলায় ছিলেন এবং প্রথম আঘাত আসবার পরপরই বেরিয়ে আসেন তিনি সেখান থেকে এবং বেঁচে যান। কিন্তু পরবর্তীতে জানা যায় যে ৯/১১ এর ঘটনার সময় ৫৪ তলায় কেন, টুইন টাওয়ারেই ছিলেন না স্টিভ। সেসময় মিডটাউনে ছিলেন তিনি। এ ব্যাপারে তার কাছে জানতে চাইলে নিজের মিথ্যে বলার জন্যে ক্ষমা চান তিনি। কিন্তু কেন এই মিথ্যে বলেছিলেন স্টিভ? জানা যায়নি এখনো।
২. ইরাক যুদ্ধ নিয়ে বলা মিথ্যে

এবারের গল্পটা ব্রায়ান উইলিয়ামসকে নিয়ে। এই টিভি রিপোর্টার ইরাক যুদ্ধের সময় তাকে গুলি করা হয়েছে বলে দাবী করেন। শুধু তাই নয়, পরবর্তীতে তাহরীর স্কয়ারে সৈন্যরা সাধারন আন্দোলনকারীদের আঘাত করছে বলেও প্রতিবেদন করেন তিনি। যেটা কিনা ইতিহাসের এই বড়বড় দুটো ঘটনায় বেশ প্রভাব ফেলে। কিন্তু পরবর্তীতে এ দুটো কথাকেই মিথ্যে বলে প্রমাণ করে এনবিসি। ৬ মাসের জন্যে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় ব্রায়ানকে। যদিও এখন তিনি আবার কাজ শুরু করেছেন টিভিতে।
৩. আবার ৯/১১

এবারের গল্পটা তানিয়া হেডকে নিয়ে। টুইন টাওয়ার ধ্বংসের কিছুদিন আগেই বাগদান সম্পন্ন হয় তানিয়ার। স্টিভের মতনই তিনিও কাজ করছিলেন টুইন টাওয়ারেই। সেই সাথে তার বাগদত্তা ডেভও। সেই ঘটনার সময় তিনি বেঁচে গেলেও মারা যান ডেভ। তানিয়ার এই মর্মান্তিক ঘটনা সেসময় ছুঁয়ে গিয়েছিল সবার মন। কিন্তু আসল সত্যিটা বেরিয়ে পড়ে তখন যখন জানা যায় যে সেসময় তানিয়া আমেরিকাতেই ছিলেননা। ছিলেন স্পেনে! কিন্তু কেন মিথ্যেটা বললেন তানিয়া? সত্যিটা বেরিয়ে পড়ার পরপরই আমেরিকা ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যান তানিয়া। প্রশ্নের উত্তর তাই জানা যায়নি আজও!
৪. মিথ্যে ভালোবাসার গল্প

হারমান রোজেনব্লাট আর তার স্ত্রী রোমার ভালোবাসার গল্প ছিল সেটা। হিটলারের জার্মান লেবার ক্যাম্পে তখন ছিলেন ১১ বছর বয়সী হারমান। প্রতিদিন রোমা এসে দেয়ালের ওপাশ থেকে আপেল ছুঁড়ে মারতেন হারমানকে। এরপর একদিন হারমান আর তার তিনভাই মুক্তি পান আর কাটতে থাকে সময়। এরকমই একসময় এক ব্লাইন্ড ডেটে গিয়ে হারমানের পরিচয় হয় একটি মেয়ের সাথে। আন্দাজ করতে পারছেন কে সে মেয়েটি? কে আবার? ছোটবেলার সেই আপেল ছুঁড়ে দেওয়া মেয়েটি। রোমা! বোঝার সাথে সাথে রোমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন হারমান এবং বিয়েও হয়ে যায় তাদের। হারমান আর রোমার এই ভালোবাসার গল্প নিয়ে বই, চলচিত্র- কি হয়নি! কিন্তু এর ভেতরেই একদিন বেরিয়ে আসে সত্যি। আদতে এ দুজনের ব্লাইন্ড ডেট আর বিয়ের কথা সত্যি হলেও জার্মান ক্যাম্পের সব কথাই বানানো ছিল হারমানের। কেন এমন করেছেন জানতে চাইলে বলেন হারমান- সবার আনন্দের জন্যে!

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

রাজধানীতে আনসার ব্যাটালিয়ন মোতায়েন

ঢাকা মহানগরীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১৬ প্লাটুন আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য মোতায়েনবিস্তারিত পড়ুন

টানা তিন দিন মোবাইল ইন্টারনেটে ধীরগতি

দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা তিন দিন ধরে মোবাইল ইন্টারনেট সেবাবিস্তারিত পড়ুন

বিক্ষোভকারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে সরকারের প্রতি আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, বিক্ষোভকারীদের অধিকার সমুন্নতবিস্তারিত পড়ুন

  • ঢাবি বন্ধের সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগে ধন্যবাদ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ
  • রাজধানীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ২৩
  • জাহাঙ্গীরনগর রণক্ষেত্র, অর্ধশতাধিক আহত 
  • হত্যাকাণ্ডসহ সব অনভিপ্রেত ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • বৃহস্পতিবার সারাদেশে কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা কোটা আন্দোলনকারীদের
  • ছাত্রপক্ষের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক জিহাদ, সদস্যসচিব হাসিব
  • আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে খুবিতে বিক্ষোভ
  • ভারি বৃষ্টির আভাস ৪ বিভাগে, বাড়তে পারে তাপমাত্রা
  • সরকারের জিম্মি থেকে দেশ ও জনগণ মুক্তি চায়: রাশেদ প্রধান
  • সতর্কবার্তা যাচ্ছে কোটা আন্দোলনে
  • পাকিস্তানের সংসদে পিটিআইকে সংরক্ষিত আসন দিতে আদালতের নির্দেশ
  • তিন দিন পর সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক