রবিবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

জেনে নিন, ঘুমের মধ্যে ঘেমে যাওয়া কি শারীরিক অসুস্থতার লক্ষণ ?

১. শরীরের তাপমাত্রা এবং ঘুমানোর পরিবেশ :

অনেকেরই ঘুমানোর সময়ে শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে। এর ফলে ঘুমের মাঝে ঘেমে একাকার হয়ে যায়। এছাড়া ঘুমানোর পরিবেশ অনেক বেশি গরম থাকলেও ঘেমে যাওয়ার সমস্যাটি হতে পারে।

২. ঘুমের মধ্যে ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা :

অনেকেই আছেন যারা প্রায়ই ঘুমের মধ্যে ভয়ংকর স্বপ্ন দেখে থাকেন। ভয়ংকর স্বপ্ন আমাদের শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং শরীর ঘামাতে সহায়তা করে। এর ফলেও একজন ব্যক্তি ঘুমের মাঝে ঘেমে থাকেন। উপরের কারণগুলির ফলে একজনের ঘুমের মাঝে ঘেমে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে এই কারণগুলি ছাড়া ঘেমে যাওয়া অস্বাভাবিক। তখন এটি অসুস্থতার লক্ষণ হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। আপনার যদি ঘেমে যাওয়ার পাশাপাশি জ্বর বা ওজন কমে যাওয়ার মত লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। কেননা ঘুমের মধ্যে শরীর ঘেমে যাওয়া কিছু রোগের লক্ষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত যেমন যক্ষ্মা, হরমোনজনিত অসুস্থতা, হাইপারথাইরোইডিজম, ডায়বেটিস, মস্তিষ্ক বা স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা ইত্যাদি।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

তরমুজ খেলে কি সত্যিই ওজন কমে?

বাজারে এখন তরমুজে ভরে গেছে। টকটকে লাল রসালো এই ফলবিস্তারিত পড়ুন

পরোক্ষ ধূমপান থে‌কে নারী‌দের সুরক্ষা চায় ‘নারী মৈত্রী’

বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পাঁচ বিশিষ্ট জয়িতাকে সম্মাননা তুলেবিস্তারিত পড়ুন

বছরে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে ৩০০০ শিশু

বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩ হাজার শিশু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে। এসববিস্তারিত পড়ুন

  • আপনি মানসিক রোগী কিনা বুঝবেন কিভাবে?
  • শীত হোক বা গ্রীষ্ম—সারা বছরেই পায়ে দুর্গন্ধ ?
  • রেফ্রিজারেটর খুললেই নাকে হাত, বাজে গন্ধ ?
  • খালি পেটে না খাওয়া ভালো যেসব খাবার
  • ইতিবাচক জীবনের জন্য শ্বাস নেবেন যেভাবে
  • পুরুষের ক্যানসারের যেসব লক্ষণকে অবহেলা করা কারো উচিত নয়
  • করোনারি হৃদরোগের নীরব ৪টি লক্ষণ, জানা দরকার সকলেরই
  • স্তন ক্যানসারের কারণ ও লক্ষণ জানেন?
  • এলার্জির সমস্যা কমাবে আপনি পাবেন একটুখানী স্বস্তি
  • জানা দরকারঃ ক্যান্সারের শীর্ষ অজানা লক্ষণগুলো
  • ২ কোটি ২৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে
  • ধূমপানের কুফলে শরীরের প্রায় সব অঙ্গই সরাসরি আক্রান্ত হয়, তবে ফুসফুস এবং হৃদযন্ত্রই বেশি আক্রান্ত হয়।