মঙ্গলবার, জুলাই ১৬, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

নগরজীবনে এক যন্ত্রণার নাম সিএনজি অটোরিকশা

নগরজীবনের এক যন্ত্রণার নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা। হওয়ার কথা ছিল রাজধানীর উচ্চমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের অন্যতম ভরসার বাহন। জনসাধারণের সেবার জন্য এগুলো রাস্তায় নামানো হয়েছিল। কিন্তু চালকদের বেপরোয়া আচরণের কারণে এই অটোরিকশা এখন এক ভোগান্তির নাম।

কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চালকরা হরহামেশা দুই থেকে পাঁচ গুণ বেশি ভাড়া আদায় করছেন যাত্রীদের কাছ থেকে। মিটার থাকলেও বেশির ভাগ চালক মিটারে যেতে চান না। আবার স্বল্প দূরত্ব হলে তো কোনোভাবেই চালকদের রাজি করানো যায় না। এতে প্রতিদিন হয়রানির শিকার হচ্ছেন অসংখ্য মানুষ।

চালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা যাত্রীদের একধরনের জিম্মি করে দ্বিগুণেরও বেশি ভাড়া আদায় করেন এবং মিটারে না গিয়ে যাত্রীদের চুক্তিতে যেতে বাধ্য করেন। আবার কোনো চালক মিটারে যেতে রাজি হন অদ্ভুত এক শর্তে- ‘মিটারে যা উঠবে তার থেকে ৫০ টাকা বেশি দিতে হবে’।

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) নিয়ম অনুযায়ী, একজন যাত্রীকে তার পছন্দমতো জায়গায় নির্দিষ্ট মিটারে নিয়ে যেতে একজন চালক বাধ্য। তিনি কোনোভাবেই তাকে ‘না’ বলতে পারবেন না। মিটার ছাড়া কোনো অবস্থায় চুক্তিতে যাত্রী বহন করতে পারবেন না। কিন্তু এখন অটোরিকশা চালকরা সেই নিয়মের ধারেকাছেও নেই।

ভুক্তভোগীরা বলেন, সেবার নামে সিএনজিচালিত অটোরিকশা জনসাধারণের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন সময় অভিযোগ ও অভিযান চালিয়েও বন্ধ করা যাচ্ছে না চালকদের দৌরাত্ম্য।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, অটোরিকশা যাত্রীরা প্রতিদিন প্রতারণার শিকার হয়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। তারা চালকদের খামখেয়ালির কাছে অসহায়ের মতো আত্মসমর্পণ করছেন।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সাম্প্রতিক এক জরিপ দেখা যাচ্ছে, গত বছর নভেম্বরে বাড়তি ভাড়া কার্যকরের পর ৬২ শতাংশ সিএনজি অটোরিকশা চালকই তা মানেন না। বকশিশ দাবি করেন ৮১ শতাংশ। আর যাত্রীদের পছন্দের গন্তব্যে যেতে চান না ৭৩ শতাংশ চালক। আর মিটার নেই ৩৮ শতাংশ অটোরিকশায়।

রোববার সকাল ১০টায় জিগাতলা থেকে গুলিস্তান যাবেন মোহাম্মদ বেলাল হোসেন। পেশায় তিনি চাকরিজীবী। সকাল সোয়া ৯টা থেকে দাঁড়িয়ে আছেন বাসের জন্য। কিন্তু কোনো বাসে উঠতে পারছেন না ভিড়ের কারণে। তাই বাধ্য হয়ে অটোরিকশায় যাওয়ার উদ্যোগ নেন। কিন্তু অটোরিকশা ভাড়া করতে গিয়ে তিনি পড়েন বিপাকে। কোনো চালকই মিটারে যেতে রাজি হচ্ছেন না। তারা জিগাতলা থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত ভাড়া চাইছেন ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। একপর্যায়ে তিনি বাধ্য হয়ে চালকের চাহিদা মতো টাকায় অটোরিকশায় ওঠেন। কিন্তু অটোরিকশা ছাড়াও হয় চালকের মর্জিতে। বেলাল হোসেন অটোরিকশায় ওঠার পর চালক নেমে যান পান কেনার জন্য, হেলেদুলে হাটেন, যাত্রীর ব্যাপারে কোন গুরুত্ব নেই।

এ সময় কথা বলতে চাইলে বেলাল হোসেন কিছুটা হতাশ কণ্ঠে চাপা ক্ষোভ নিয়ে বলেন, ‘সরকারের উচিত যারা মিটারে যাচ্ছে না তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া। তাহলেই হয়তো এই চালকদের শিক্ষা হবে।’

একজন সিএনজি অটোরিকশাচালকের দৈনিক আয় সম্পর্কে জানতে কথা হয় চালক বসির মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘অটোরিকশামালিক প্রতিদিন এখন একটি গাড়িকে দুবার ভাড়া দেন। ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এক শিফট, আবার রাত ১০টা পর্যন্ত আরেক শিফট। গাড়িভাড়া প্রতি শিফটে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা নেওয়া হয়। চালক এককভাবে দুই শিফটের জন্য নিলে সাড়ে ৯০০ টাকা থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। কিন্তু কিছু মালিক আবার তিন শিফটে গাড়ি ভাড়া দেন। রাতেও তারা বাড়তি একটি শিফট করেছেন।’

বসির মিয়া বলেন, ‘কোনো ড্রাইভার প্রতিবাদ করলেই পরে আর সেই ড্রাইভারকে মালিক গাড়ি দেন না। গাড়ির চেয়ে ড্রাইভার বেশি হওয়ায় মালিকরা এ সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছেন। ফলে ড্রাইভাররাও কোনো ঝামেলায় জড়াতে চান না মালিকের সঙ্গে। মালিকের কথাই আইন মেনে নিয়ে বাধ্য হয়েই চুপচাপ থাকেন। আর মালিকের বাড়তি চাপে তারা বাধ্য হয়েই যাত্রীসাধারণের পকেট কাটেন।’

এ বিষয়ে পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. শামছুল হক বলেন, ‘মূলত সরকারি কর্তৃপক্ষই গণপরিবহনে বিশৃঙ্খলার জন্য দায়ী। পরিবহন ব্যবসায়ীদের কাছে নতজানু নীতির কারণ, পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই।’

তিনি বলেন, ‘চালকরা নিয়ম না মানলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা উচিত। কারণ, মালিকরা এমন শর্তেই গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নেন। কিন্তু গাড়ি রাস্তায় নামার পর তারা মুহূর্তেই শর্তের কথা ভুলে যান। এ জন্য নিয়ম ও আইন করার পাশাপাশি তদারকি জোরদার করা খুব জরুরি।’

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

ছাত্রপক্ষের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক জিহাদ, সদস্যসচিব হাসিব

খালিদ সাইফুল্লাহ জিহাদকে আহ্বায়ক এবং জুবায়ের হাসিবকে সদস্যসচিব করে বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে খুবিতে বিক্ষোভ

সংসদে আইন পাশ করে কোটা সংস্কারের দাবি ও বিভিন্ন ক্যাম্পাসে কোটা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন, কেন্দ্রীয় মন্দির, অপরাজিতা ছাত্রী হল, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, আবাসিক ছাত্র হল, শহিদ তাজ উদ্দিন আহমেদ প্রশাসন ভবনসহ বিভিন্ন ভবনের সামনে দিয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে দিয়ে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। তবে শিক্ষার্থীরা সড়কের একপাশে অবরোধ করায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলায় বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ করে আহত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গায়ে কেন হাত দেওয়া হলো প্রশাসনকে এর জবাব দিতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ দিয়ে হামলা করে ছাত্র সমাজকে দমানো যাবে না।

ভারি বৃষ্টির আভাস ৪ বিভাগে, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

দেশের চার বিভাগে ভারি এবং চার বিভাগে হালকা বৃষ্টি হতেবিস্তারিত পড়ুন

  • সরকারের জিম্মি থেকে দেশ ও জনগণ মুক্তি চায়: রাশেদ প্রধান
  • সতর্কবার্তা যাচ্ছে কোটা আন্দোলনে
  • পাকিস্তানের সংসদে পিটিআইকে সংরক্ষিত আসন দিতে আদালতের নির্দেশ
  • তিন দিন পর সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক
  • বাংলা ব্লকেডে শিক্ষার্থীরা, ‘কঠোর’ পুলিশ, মাঠে ছাত্রলীগও
  • ছাগলকাণ্ড: মতিউর পরিবারের আরও ১১৬টি ব্যাংক হিসাব, জমি-ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য দরকার রাজনৈতিক দাওয়াই: মির্জা আব্বাস
  • পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা, পিছু হটল রায়ট কার
  • কোটা আন্দোলন: মেট্রোরেলের শাহবাগ স্টেশন বন্ধ
  • আসামিসহ প্রিজন ভ্যান আটকে দিলো আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা
  • কোটা আন্দোলন: শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান প্রধান বিচারপতির
  • দশম দিনে গড়াল ঢাবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি