রবিবার, জুন ১৬, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

পালিয়ে আসা ২৮৮ বিজিপি-সেনাকে ফেরত পাঠালো বিজিবি

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সরকারদলীয় বাহিনী ও বিদ্রোহীদের সঙ্গে চলমান সংঘাত হতে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ২৮৮ জন বিজিপি ও সেনা সদস্যকে অবশেষে ফেরত পাঠিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) ভোরে দু’দেশের প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিতে ইমিগ্রেশন ও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়াস্থ বিআইডব্লিটিএ ঘাটে তাদের হস্তান্তর করা হয়। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে টাগবোটে করে তাদের তুলে দেওয়া হয় গভীর সাগরে অবস্থানরত মিয়ানমারের জাহাজে। বুধবার দুপুরে ১৭৩ বাংলাদেশি বন্দীকে নিয়ে একই ঘাটে এসেছিল মিয়ানমার নৌবাহিনীর সদস্যরা।

জানা যায়, কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়াস্থ প্রত্যাবাসন ঘাট এলাকায় বিজিবি, কোস্টগার্ড ও পুলিশ কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে। ভোর সাড়ে ৪টায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি বর্ডার গার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে রওয়ানা দেওয়া একে একে ১১টি বাসে ভোর সাড়ে ৫টায় পৌঁছায় নুনিয়ারছড়া প্রত্যাবাসন ঘাটে।

তারপর মিয়ানমারের সেনা ও বিজিপির ২৮৮ জন সদস্যের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ঘাটে উপস্থিত বাংলাদেশ ও মিয়ানমার প্রতিনিধি দলে চলে হস্তান্তর প্রক্রিয়ার বৈঠক। যেখানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত ও বিজিপির ৫ সদস্য আর বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ঘণ্টাব্যাপী চলা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে সকাল ৭টায় দ্রুত মিয়ানমারের সেনা ও বিজিপির সদস্যদের তুলে দেওয়া হয় টাগবোটে।

এরপরই মিয়ানমারের সেনা ও বিজিপিবাহী টাগবোটটি রওনা হয় গভীর সাগরে। আর টাগবোটটির সামনে ও পেছনে কঠোর নিরাপত্তার দায়িত্বে নেয় কোস্টগার্ড। পরবর্তীতে তাদের তুলে দেওয়া হয় সাগরে অবস্থানরত মিয়ানমারের জাহাজে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষে হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় থাকা কক্সবাজারের এডিএম মো. ইয়ামিন হোসেন বলেন, প্রথম দফায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি উখিয়ার ইনানীর নৌবাহিনীর জেটি দিয়ে মিয়ানমারের সেনা, বিজিপি ও কাস্টমস কর্মকর্তাসহ ৩৩০ জনকে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়। এরপর গত দেড়মাসে নতুন করে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের সেনা ও বিজিপির আরও ২৮৮ সদস্য। নানা প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার সকালে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারা এখন স্বদেশে ফিরে যাচ্ছেন।

তবে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে মিয়ানমার প্রতিনিধি দল বা বিজিবির কোনো কর্মকর্তাই গণমাধ্যমকে কিছু বলতে রাজি হননি। প্রত্যাবাসন এলাকায় ভিড়তে দেওয়া হয়নি গণমাধ্যমকর্মীদেরও।

তাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে সীমান্ত কিংবা স্থানীয় বাসিন্দারা ছিলেন অস্বস্তিতে। কিন্তু তাদের দ্রুত সময়ের ফেরত দেওয়ায় স্বস্তিতে সীমান্তের বাসিন্দারা।

এ দিকে মিয়ানমারে কারাভোগ শেষে বুধবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে দেশটির জাহাজে করে ফিরেছে বাংলাদেশি ১৭৩ জন নাগরিক। ১৭৩ জনের মধ্যে ১২৯ জন কক্সবাজার জেলার, ৩০ জন বান্দরবান জেলার, সাতজন রাঙ্গামাটি জেলার, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাজবাড়ী, নরসিংদী ও নীলফামারী জেলার একজন করে।

এরও আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতে কয়েক দফায় বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন আরও ৩৩০ জন। যাদের গত ১৫ ফেব্রুয়ারি  মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

২১-২২ জুন ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী ২১ ও ২২ জুন দ্বিপক্ষীয় সফরে চলতি মাসেই ভারতবিস্তারিত পড়ুন

গাজায় ইসরাইলি জিম্মিদের জীবন-মৃত্যু নিয়ে অজানায় হামাস নেতারা

গাজায় অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা শতাধিক ইসরাইলি জিম্মির সঠিক সংখ্যা এবংবিস্তারিত পড়ুন

ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট-সোশ্যাল জাস্টিস ফর অল : শীর্ষ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত গ্লোবাল কোয়ালিশন ফর সোশ্যাল জাস্টিসেবিস্তারিত পড়ুন

  • গাজায় আপাতত যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নেই : বাইডেন
  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পেট্রো-ডলার চুক্তি নবায়ন করবে না সৌদি
  • বিশ্ব অর্থনীতির তালিকায় জাপানকে ছাড়িয়ে গেল রাশিয়া
  • ফ্লোরিডায় ভারি বর্ষণে ফ্লাইট বাতিল ও সতর্কতা জারি
  • ইউক্রেনে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৯
  • তিনদিনে জম্মু-কাশ্মীরে ‘সন্ত্রাসী’ হামলায় নিহত ১২
  • নাফনদে মিয়ানমারের ‘যুদ্ধজাহাজ’
  • কঙ্গোতে নৌকাডুবি, ৮০ জনের বেশি মৃত্যু
  • ভুয়া ঠিকানায় জন্মসনদ নিয়েছে ১০২ রোহিঙ্গা
  • চলতি মাসের শেষে ঢাকা সফরে আসতে পারেন মোদি
  • জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস
  • অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ চাইতে পারেন পবন