সোমবার, এপ্রিল ১৫, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

বাংলাদেশ আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে

সিরিজের দ্বিতীয় টি২০ তে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে বাংলাদেশ। জিততে হলে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার নিজেদের রেকর্ডকে নতুন করে লিখতে হবে বাংলাদেশকে। সিরিজের শেষ টি২০তে বাংলাদেশের জিততে হলে প্রয়োজন ১৭০ রান।

টসে জিতে আবারো ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসটিকে সমান দুইভাগে ভাগ করা যায়। ইনিংসের প্রথমার্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং ছিল অসাধারণ, বাংলাদেশের বোলিং ছিল গড়পরতার এবং ফিল্ডিং ছিল জঘণ্য। সব মিলিয়ে যা হওয়ার তাই হল। প্রথম দশ ওভারে ডি ভিলিয়ার্স আর ডি ককের ব্যাটে চড়ে বিনা উইকেটে ৯৫ রান তুলে ২০০ রানের দিকেই যাচ্ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

এই পুরো দশ ওভারে মুস্তাফিজের একটি আনপ্লেয়েবল ডেলিভারিতে ডি ভিলিয়ার্সের ক্যাচ তুলে দেয়া ছাড়া আর বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য আনন্দের আর কোন ঘটনা নেই। প্রচুর পরিমাণে মিসফিল্ডিং, ওভারথ্রো সাথে উইকেটের পিছনে নাসিরের পর পর দুই বলে দুইবার এবং সাকিবের বলে একবার মুশফিক বল ধরতে ব্যররথ হলে অতিরিক্ত ৮ রান আসে। বাংলাদেশকে দিকভ্রান্তই মনে হচ্ছিল।

তবে ইনিংসের দ্বিতীয়ার্ধে যেন নতুন করে শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই ডি ভিলিয়ার্সের চেয়েও আক্রমণাত্মক খেলতে থাকা ডি কককে ফেরান আরাফাত সানি। পরের ওভারটি নাসিরের স্বপ্নের ওভারগুলোর একটি হয়ে থাকবে। প্রথমে তিনি ফেরান ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন পাওয়া ডুমিনি কে। পরের বলেই ফেরান ভয়ঙ্কর ডি ভিলিয়ার্সকে। ভিলিয়ার্সের আউটটি নিয়ে যদিও যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। ওভারের শেষ বলেই আবার তাঁর বলে কট বিহাইন্ড হয়েছিলেন ডেভিড মিলার। তবে এক ওভারে পরপর দুইটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দিয়ে আম্পায়ার আনিসুর রহমান মিলারকে নট আউট দিলেন।

কিন্তু এই ওভারের যেই চাপ সৃষ্টি হয় দক্ষিণ আফ্রিকার উপর তা আঠারো ওভার পর্যন্ত ধরে রাখে বাংলাদেশ। ইনিংসের ১১ থেকে ১৮ ওভারের মধ্যে মাত্র ৪২ রান দিয়ে চারটি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশের বোলাররা। এসময় ফিল্ডিং, কীপিং বোলিং সবই ছিল অসাধারন। চাপে পড়ে আগের ম্যাচের ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ ডু প্লেসিস মুস্তাফিজের বলে উইকেটের পিছনে ক্যাচ তুলে আউট হন।

তবে শেষ দুই ওভারে সাকিব এবং মুস্তাফিজের বল থেকে ৩২ রান তুলে নেন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানেরা। এর মধ্যে সাকিবের ওভারেই আসে ১৯ রান। অথচ এর আগের ওভারেই সাকিব মাত্র ৩ রান দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন তাদের। রাইলি রুশো ৬ বলেই ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ডেভিড মিলার করেন ২৮ বলে ৩০ রান। এছাড়া ডি ভিলিয়ার্স ৪০ এবং ডি কক ৪৪ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে নাসির হসেন ২৬ রানে দুই এবং আরাফাত সানি ৩১ রানে ১ উইকেট নেন।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

মুস্তাফিজকে স্বাগত জানাল চেন্নাই সুপার কিংস

আগামী ২২ মার্চ পর্দা উঠছে বিশ্বের জনপ্রিয় ক্রিকেট লিগ ইন্ডিয়ানবিস্তারিত পড়ুন

তানজিদ-রিশাদের তাণ্ডবে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

টস জিতে ব্যাট নেওয়া শ্রীলঙ্কা জানিত লিয়ানাগের সেঞ্চুরিতে ভর করবিস্তারিত পড়ুন

দুই নারী আম্পায়ারকে নিয়োগ দিচ্ছে বিসিবি

দেশের ক্রিকেটে নারীদের অগ্রযাত্রা চলছে। নিগার সুলতানা জ্যোতির দল দাপটেরবিস্তারিত পড়ুন

  • মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার ফাইনালে বাংলাদেশের নীলা
  • সিরিজ বাঁচার লক্ষ্যে
  • ক্রিকেটার ও সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান ফুটওয়্যারের ব্যবসায় নামছেন
  • বিপিএল চ্যাম্পিয়ন তামিমের ফরচুন বরিশাল
  • মোস্তাফিজকে ছেড়ে দিল মুম্বাই
  • গেইল ছাড়াই বাংলাদেশে আসছে উইন্ডিজ
  • পাকিস্তানের জালে বাংলাদেশের মেয়েদের ১৭ গোল
  • পুত্র সন্তানের বাবা হলেন ইমরুলও
  • এ বিজয় আমাদের : প্রধানমন্ত্রী
  • পাকিস্তানকে উড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ
  • সপরিবারে এশিয়া কাপে নান্নু, খালি বাসায় চোরদের হানা
  • যে কদিন মাঠের বাইরে থাকতে হবে তামিমকে