সোমবার, জুলাই ১৫, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

বিএনপি নেতাদের এতো আহাজারি কেন : প্রধানমন্ত্রী

কল্যাণপুরে ৯ জঙ্গি নিহত হওয়ার ঘটনায় বিএনপি নেতাদের দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “এদের (বিএনপি নেতাদের) সঙ্গে জঙ্গিদের কোনো গোপন সূত্র আছে কি না, কোনো ষড়যন্ত্র এরা লিপ্ত কি না সেটাই দেখতে হবে।”

বুধবার রাতে জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, “আমার প্রশ্ন বিএনপি নেতাদের এই আহাজারিটা কেন? এই জঙ্গিদের জন্য তাদের এত দরদ কিসের জন্য? তাদের মনে এই সন্দেহ কেন জঙ্গি কি না? কারণ এদের লাশও পড়ে আছে। গুলশানে তারা যেভাবে ব্যাগ, তাদের জিন্সের প্যান্ট আর কালো আলখাল্লা মাথায় একই ধরনের চাদর বাঁধানো।”

তিনি বলেন, “তারপরও তাদের মনে সন্দেহ বিষয়টা কী? এটা একটা সন্দেহের ব্যাপার। তাহলে তাদের (বিএনপি নেতাদের) কোথায় ঘা লাগলো? কোথায় ব্যাথা পেলেন তারা? তাহলে তাদের উদ্দেশ্যটা কী? এই জঙ্গিদের সঙ্গে তাদের যোগসূত্র কোথায়? এই প্রশ্নটা আমি জাতির কাছে রেখে গেলাম তারাই এটা খুঁজে দেখবেন।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জঙ্গি দমনে যখন চেষ্টা করছি সেখানে তারা (বিএনপি) যদি এই ধররের প্রশ্ন তুলে পুলিশের কার্যক্রমকে যদি জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়; এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু নেই। আমাদের পুলিশ বাহিনী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সারারাত কষ্ট করে জঙ্গিদের মোকাবেলা করছে।”

তিনি বলেন, “বিএনপি নেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ও ব্রি. জে. (অব.) হান্নান শাহ দুজনেরই বক্তব্য নিহতরা জঙ্গি কি না সন্দেহ। গুলশানের ঘটনার সঙ্গে তারা কল্যাণপুরের ঘটনার তুলনা করে। কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ এই দুই ঘটনা তুলনা করতে পারে না।”

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, “এক জায়গায় জঙ্গি ঢুকে মানুষ হত্যা করেছে সেখানে জঙ্গিদের হাত থেকে মানুষদের উদ্ধার করা এবং জঙ্গিদের হত্যা করা অপারেশনটা ভিন্ন ছিলো। আমাদের জঙ্গি দমনে ভিন্নপথ নিতে হয়েছে। আর এখানে (কল্যাণপুর) জঙ্গিদের একটা আস্তানা পাওয়া গেছে। তারা কিন্তু বুঝে গেছে পুলিশ ঘেরাও করে ফেলেছে এবং তারা পুলিশকে গুলিও করেছে। একজন পুলিশ আহত হয়েছে।”

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

ছাত্রপক্ষের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক জিহাদ, সদস্যসচিব হাসিব

খালিদ সাইফুল্লাহ জিহাদকে আহ্বায়ক এবং জুবায়ের হাসিবকে সদস্যসচিব করে বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে খুবিতে বিক্ষোভ

সংসদে আইন পাশ করে কোটা সংস্কারের দাবি ও বিভিন্ন ক্যাম্পাসে কোটা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন, কেন্দ্রীয় মন্দির, অপরাজিতা ছাত্রী হল, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, আবাসিক ছাত্র হল, শহিদ তাজ উদ্দিন আহমেদ প্রশাসন ভবনসহ বিভিন্ন ভবনের সামনে দিয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে দিয়ে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। তবে শিক্ষার্থীরা সড়কের একপাশে অবরোধ করায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলায় বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ করে আহত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গায়ে কেন হাত দেওয়া হলো প্রশাসনকে এর জবাব দিতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ দিয়ে হামলা করে ছাত্র সমাজকে দমানো যাবে না।

ভারি বৃষ্টির আভাস ৪ বিভাগে, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

দেশের চার বিভাগে ভারি এবং চার বিভাগে হালকা বৃষ্টি হতেবিস্তারিত পড়ুন

  • সরকারের জিম্মি থেকে দেশ ও জনগণ মুক্তি চায়: রাশেদ প্রধান
  • সতর্কবার্তা যাচ্ছে কোটা আন্দোলনে
  • পাকিস্তানের সংসদে পিটিআইকে সংরক্ষিত আসন দিতে আদালতের নির্দেশ
  • তিন দিন পর সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক
  • বাংলা ব্লকেডে শিক্ষার্থীরা, ‘কঠোর’ পুলিশ, মাঠে ছাত্রলীগও
  • ছাগলকাণ্ড: মতিউর পরিবারের আরও ১১৬টি ব্যাংক হিসাব, জমি-ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য দরকার রাজনৈতিক দাওয়াই: মির্জা আব্বাস
  • পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা, পিছু হটল রায়ট কার
  • কোটা আন্দোলন: মেট্রোরেলের শাহবাগ স্টেশন বন্ধ
  • আসামিসহ প্রিজন ভ্যান আটকে দিলো আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা
  • কোটা আন্দোলন: শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান প্রধান বিচারপতির
  • দশম দিনে গড়াল ঢাবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি