রবিবার, জুন ১৬, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

বিশাখাপত্তনমে কয়েকদিন

মো: লিখন শেখ: ঘুম ভাঙ্গল সকাল প্রায় পৌনে ছয়টার সময়। ট্রেনের জানালা দিয়েই দেখতে পাচ্ছিলাম সকালের নরম আলোয় চোখজুড়ানো ছোট ছোট পাহাড়। হাওড়া-এর্নাকুলাম সুবিধা স্পেশাল এ চেপে বসেছিলাম কাল বিকেল পাঁচটার সময়। উদ্দেশ্য বিশাখাপতনম। সাড়ে ছয়টার সময় ট্রেন পৌঁছানোর কথা। তাড়াতাড়ি উঠে রেডি হয়ে নিলাম। ঠিক ছটা চল্লিশ নাগাদ নেমে পড়লাম ভাইজাগ ষ্টেশনে। আমরা মোট সাতজন।

আগে থেকেই বুকিং ছিল অন্ধ্রপ্রদেশ টুরিসম এর হারিথা বিচ রিসর্টে। এক কাপ করে চা খেয়ে স্টেশন থেকে অটোরিকশ নিয়ে পাড়ি দিলাম হোটেল এর উদ্দেশ্যে। সুযোগ বুঝে ভাল দাঁও হাঁকিয়ে নিল রিকশওয়ালা। কুড়ি মিনিটের পথ যেতে দর চেয়ে বসল চারশ টাকা। শেষ পর্য্যন্ত সাড়ে তিনশ টাকায় রফা হল। আধঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে গেলাম রুসিকোণ্ডা বিচের ধারে অবস্থিত বিশাল হোটেলটিতে।

কিন্তু বিপত্তি দিয়ে শুরু। অটো চলতে শুরু করার পর দেখা গেল বাবা মোবাইল ফেলে এসেছে ট্রেইন এ। আবার অটো নিয়ে স্টেশন ফিরে দৌড়াতে দৌড়াতে গিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে মোবাইল নিয়ে আসা হল। ভাগ্যিস ট্রেন সেদিন ভাইজাগে লেট করেছিল ছাড়তে। তারপর পৌঁছালাম হোটেলে।

অন্ধ্রপ্রদেশের অন্যতম বিখ্যাত রুসিকোণ্ডা বিচের পাশেই অনুচ্চ পাহাড়টির উপর অবস্থিত এই হোটেল। প্রতিটা ঘর সমুদ্রমুখী এবং প্রত্যেকটা ঘরের সঙ্গেই সংলগ্ন বারান্দা। তাই ঘরে বসেই উপভোগ করা যায় সমুদ্র এবং অনতিদূরে অবস্থিত পাহাড়ের সৌন্দর্য।

পুজার সময়। হোটেলে ভিড় বেশি। লোকজন আসছে, চেক ইন করছে আবার অনেকে এখানকার পাট চুকিয়ে অন্য কোথাও চলে যাচ্ছে। রিসেপসনের ভদ্রলোক বেশ ব্যস্ত। আমাদের কাগজ দেখে গম্ভীরভাবে জানিয়ে দিলেন অপেক্ষা করতে হবে। তিনটে ঘর এই মুহুর্তে খালি নেই। ঘর খালি হলে পরিস্কার করে দেওয়া হবে। তাই লবিতেই বসে থাকতে হল প্রায় তিন ঘণ্টা। এই ফাঁকে প্রাতরাশ সেরে নিলাম হোটেলের রেস্তোরায়। তারপর ঘর মিলতেই চান করে পরিষ্কার হয়ে রাত্রের ট্রেন জার্নির ক্লান্তি দুরে করে নিলাম। বাকিরা হোটেলে বিশ্রাম নিলেও নেমে গেলাম রুসিকোণ্ডা বিচে। অক্টোবর মাস কিন্তু রোদের তাপ ভাল, সঙ্গে সমুদ্রের গরম হাওয়া। একটা প্যাচপেচে গরম আবহাওয়া। তাই বিচে লোক খুব কম।  

একদিকে সমুদ্র আর তিনদিকে পাহাড় ঘেরা এই বিচের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ। যদিও বিচের আয়তন খুব  ছোট। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানলাম ২০১২ সালের হুদহুদ ঝড়ে বিচটি বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তারপর এখনো সেভাবে গড়ে ওঠেনি । তার নমুনা দেখলাম বেশ কিছু। মাথা মুড়ে যাওয়া কিছু নারকেল গাছ, গোড়াসুদ্ধ উপড়ে পড়ে থাকা বিশালাকার ল্যাম্পপোস্ট তার সাক্ষ্য দিচ্ছে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

চলে গেলেন অভিনেত্রী সীমানা

অভিনেত্রী সীমানার দীর্ঘ লড়াই শেষ। ফিরল না জ্ঞান। মাত্র ৩৯বিস্তারিত পড়ুন

শাকিবের সঙ্গে আমার বিয়ের সম্ভাবনা থাকতেই পারে: মিষ্টি জান্নাত

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান ডাক্তার পাত্রীকে বিয়ে করছেন বলে সংবাদবিস্তারিত পড়ুন

এবার পরিবারের পছন্দে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন শাকিব খান

চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীর সঙ্গে অনেক আগেই দাম্পত্যবিস্তারিত পড়ুন

  • বুবলী আগে থেকেই বিবাহিত, সেখানে একটি মেয়েও আছে: সুরুজ বাঙালি
  • এফডিসিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা
  • অভিনেতা ওয়ালিউল হক রুমি মারা গেছেন
  • এক রোমাঞ্চকর অসমাপ্ত ভ্রমণ গল্প
  • পরীমণিকে আদালতে হাজির হতে সমন
  • শাকিব ছাড়া দ্বিতীয় কোনো পুরুষের জায়গা নেই: বুবলী
  • সিনেমা মুক্তি দিতে হল না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নায়ক
  • সংগীত শিল্পী খালিদ আর নেই
  • কঠিন রোগে ভুগছেন হিনা খান, চাইলেন ভক্তদের সাহায্য
  • মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে সমাহিত হবেন সাদি মহম্মদ
  • কে কোন ক্যাটাগরিতে জিতলেন অস্কার?