সোমবার, মে ২০, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খুশি, গরুর মাংসের দাম বৃদ্ধি

বাংলাদেশে গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় তিনি খুব খুশি হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। তার দাবি, এটা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গরু পাচার রুখতে বিএসএফের সাফল্যের প্রমাণ।

তিনি আরও বলেন, “সেদিন বাংলাদেশের হাইকমিশনার আমার সঙ্গে দেখা করতে এলে গরু পাচার নিয়ে আমরা কথা বলছিলাম – তখন রাষ্ট্রদূত জানালেন সীমান্তে এই কড়াকড়ি শুরু হওয়ার পর সে দেশে বিফের দাম না কি ৫০ শতাংশ বেড়ে গেছে। শুনে আমি খুশি হয়েছি।”

ভারতের শাসক দল বিজেপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে গরুকে গোধন বলে বর্ণনা করে থাকে, এবং দেশের বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোতেও গোমাংস নিষিদ্ধ করার জন্য নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সেই একই পটভূমি থেকেই ‘রাষ্ট্রীয় গোধন মহাসঙ্ঘ’-র সেমিনারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং-ও জানান, এই পদে আসার এক মাসের মধ্যেই তিনি ঠিক করে ফেলেছিলেন যে কোনওভাবে হোক বাংলাদেশে গরু পাচার রুখবেন।

“প্রথমবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সফরে গিয়েই আমি জওয়ানদের বলেছিলাম আমার এই সফর তখনই সার্থক হবে যখন সীমান্ত পেরিয়ে আর একটি গরুও বাংলাদেশে যেতে পারবে না। সেই কাজে তারা দারুণ সফল হয়েছেন।”

মন্ত্রী অবশ্য সেই সঙ্গেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন, বাংলাদেশের মানুষের বিফ কিনতে কষ্ট হচ্ছে বলে তিনি খুশি নন, তিনি খুশি ভারত থেকে গরু পাচার কমছে বলে।

গোসম্পদ রক্ষা করতে তাদের সরকারের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করে রাজনাথ সিং আরও বলেন, ভারতে যে কোনও জনদরদী সরকারের উচিত গরিষ্ঠ হিন্দুর ভাবাবেগকে মর্যাদা দিয়ে গোহত্যা নিরুৎসাহিত করা। তার এই যুক্তি প্রতিষ্ঠা করতে রাজনাথ সিং ইতিহাস থেকে মুঘল ও ব্রিটিশ শাসকদের দৃষ্টান্তও টেনে আনেন।

“মুঘল বাদশাহরা ভারতে শত শত বছর রাজত্ব করতে পেরেছিলেন কারণ মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও তারা কখনও গোহত্যায় উৎসাহ দেননি… মুঘল বাদশাহরা এই বাস্তবতাটা জানতেন অবাধে গোহত্যার অনুমতি দিলে বা গোমাংস খেতে দিলে প্রজাদের মন পাওয়া যাবে না – রাজত্বও বেশিদিন টিকবে না। এমন কী বাবরও তার উইলে সে কথা লিখে গেছেন। কিন্তু ইংরেজ শাসকরা আসার পরই ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতি ও পরম্পরাকে তারা উপেক্ষা করা শুরু করলেন।”

ভারতীয় ইতিহাসের বিশেষজ্ঞ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কিংশুক চ্যাটার্জি অবশ্য মনে করেন, হিন্দুদের সংবেদনশীলতা নিয়ে মুঘল ও ব্রিটিশরা উভয়েই সচেতন ছিলেন।

তিনি বলছেন, “আকবরের নির্দেশ ছিল জবাইখানাগুলো যেসব শহরের পরিধির বাইরে হয়। অন্য মুঘল বাদশাহরাও সেই রীতি বজায় রাখায় কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু ব্রিটিশ আমলে শহরের সীমা বাড়তে বাড়তে যখন সেটাকে ছুঁয়ে ফেলল, তখনই গন্ডগোলের শুরু। ব্রিটিশ জমানায় ১৮৯২-৯৩ সালে প্রথম যে বড় দাঙ্গা হয়েছিল, তার পেছনেও ছিল এই কারণ।”

এখনকার বিজেপি আমলে সরকার অবশ্য এই জবাইখানাগুলোই পুরোপুরি বিলোপ করার কথা বলছে – যদিও তারা সে ব্যাপারে আইন প্রণয়নের ভার ছেড়ে দিচ্ছে রাজ্য সরকারগুলোর ওপরেই।

এমন কী, দুধ দেওয়া বন্ধ করার পর ভারতের গরুর ঠিকানা যাতে বাংলাদেশ বা জবাইখানা না-হয়, তার জন্য নিখরচায় তাদের পশুখাদ্য দেওয়ার প্রস্তাবও সরকারের বিবেচনায় আছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি খলীকুজ্জমান, সম্পাদক আইনুল

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি ড. কাজী খলীকুজ্জমানবিস্তারিত পড়ুন

উপজেলা নির্বাচনের ২য় ধাপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৪৫৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যেবিস্তারিত পড়ুন

  • সবুজ ও জলবায়ু অভিঘাত মোকাবিলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা একান্তই জরুরি: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
  • মেট্রোরেলে ভ্যাট বসানোর সিদ্ধান্ত ভুল: ওবায়দুল কাদের
  • ম্যাসেজ টু কমিশনার (M2C) : রাস্তার অবৈধ দোকান সরানো হলো
  • শিল্পকলা পুরস্কার পেলেন ১৩ জন আলোকচিত্র শিল্পী
  • ‘আমলাতন্ত্রকে ভেঙে গণমুখী বাজেট তৈরির আহ্বান’
  • চড়াই-উতরাই থাকবে হতাশ হবেন না: প্রধানমন্ত্রী
  • দাম বাড়ছেই ডিমের
  • শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ
  • নিরাপদে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালো বাংলাদেশ দল
  • নীতি সহায়তা যুক্ত হচ্ছে রফতানিতে
  • ৪ হাজার কোটির খুলনা-মোংলা রেলপথ প্রস্তুত 
  • বাকৃবি গবেষকের সাফল্য এই প্রথম সুস্বাদু দেশীয় শিং মাছের জিনোম সিকুয়েন্স উদ্ভাবন