শনিবার, জুলাই ২০, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

যেভাবে আপনার সৃজনশীল চিন্তা ধারাকে প্রসারিত করবেন

জীবনে উন্নতি এবং খ্যাতির প্রধান সোপান সৃজনশীল কাজ। সৃজনশীল চিন্তা এবং ভাবনা ছাড়া কখনও এই জগতে বড় হওয়া সম্ভব না। কিন্তু সবাই ক্রিয়েটিভ চিন্তা করতে পারে না বা অনেকে ভাবে তাদের সৃজনশীল চিন্তা করার ক্ষমতা নাই। কিন্তু এটি ভুল। মানুষ জন্ম থেকে কিছু নিয়ে জন্মায় না। যা হয় সব তার নিজের পরিবেশ এবং কাজের ফল।

সেহেতু আপনি চেষ্টা করলে আপনার অতিরিক্ত কিছু কোয়ালিটি গড়ে তুলতে পারেন। যা হয়তো আপনার ভবিষ্যৎ কে আরও একটু সুন্দর করতে সহায়তা করবে। গান্ধীজীর একটা কথা আছে, The future depends on what you do today (আপনি আজ যা করবেন তার উপর নির্ভর করবে আপনার ভবিষ্যৎ)।

কিন্তু অনেক সময় আমরা ভাবি সৃজনশীল কাজ হয়তো আমার দ্বারা সম্ভব না। বা আমি ঐসব লোকের দলে না। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, আপনি যেখানেই থাকুন, যেভাবেই থাকুন সেখান থেকেই আপনি আবার ইউ-টার্ন দিতে পারেন। তবে সেজন্য আপনার নিজের উপর অগাধ কনফিডেন্স থাকা লাগবে। নিজেকে সৃজনশীল করে তুলতে সবচেয়ে বেশি যেটা জরুরি সেটা হচ্ছে প্রচুর বই পড়া এবং সেটা অবশ্যই নির্জনে বসে যাতে আপনার পড়াটা আপনার ভেতরে গেঁথে যায়। যে ২০ ধারণা আপনাকে সৃজনশীল চিন্তা করতে সহায়তা করবে তা থাকছে আজ।

১) সৃষ্টিশীল লেখকের বই পড়ুনঃ
বই শুধু মনের ক্ষুদাই মেটাই না, এটা আপনাকে আপনার মতো করে ভাবতে শেখায় সাথে নতুন নতুন কিছুর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। নতুন নতুন আইডিয়ার সাথে রাখে, নতুন উদ্ভাবনের মাঝে নিজেকে তৈরি করে। সেহেতু নতুন পুরাতন ভালো ভালো লেখকের বই পড়ুন। বই আপনাকে নতুন বহু জিনিসের সাথে পরিচিত করবে, নতুন কিছু সৃষ্টিতে সাহস, শক্তি এবং ভাবনা দিবে।

২) নতুন মানুষের সংস্পর্শ আসুনঃ
যখনি সুযোগ হবে তখনই পারলে নতুন কিছু মানুষের সান্নিধ্য নিন। আপনার চলার পথে, কর্মক্ষেত্রে যেখানে নতুন মানুষ পাবেন তাদের সাথে আপনার চিন্তা-ভাবনা শেয়ার করুন এবং তাদের চিন্তাকে আগ্রহের সহিত শুনুন। এখান থেকে মূল্যবান কিছু ভাবনা আপনি পেয়ে যেতেই পারেন। তাছাড়া সেই অভিজ্ঞতা আপনার নতুন কিছু সৃষ্টিতে সহায়তা করবে।

৩) ভাবনা বিনিময় করুনঃ
আপনার নতুন ভাবনা বিনিময় করুন। অন্যের ভাবনার সাথেও নিজে সম্পৃক্ত হন। বিভিন্ন ব্লগের সাথে যুক্ত হন। ব্লগ আপনার ভাবনা শেয়ার এবং অন্যের ভাবনার সাথে সম্পৃক্ত হতে বিশেষ সহায়তা করবে। অন্যের ভাবনায় যখন আপনি কমেন্ট করতে যাবেন তখন আপনি তাদের মতের সাথে কিছু মন্তব্য করবেন। যা আপনার চিন্তা শক্তি বৃদ্ধি করবে। বিভিন্ন ফোরামে যুক্ত থাকলে আপনি চিন্তা শক্তি বহুগুন বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া নতুন নতুন মানুষ, চিন্তার সাথে নিজেকে মানাতে পারবেন।

৪) রিল্যাক্স মুডে ভাবুনঃ
আমরা সারাদিন কর্মব্যস্ততার মধ্যে থাকি। এই সময় নানা ভাবনা আমাদের মনে উঁকি দেয়। কিছু আসলেই কাজের কিন্তু আমরা ব্যস্ততার মধ্যে সেগুলো গুলিয়ে ফেলি। সেহেতু আপনি দিনের যে সময় খুব ফ্রি থাকেন। সেই সময় জাস্ট নিরিবিলি বসে পড়ুন বা নির্জন কোথাও সময় দিন নিজের কাছে নিজেকে, এই রিল্যাক্সের সময় আপনি নতুন কিছু মনের গহীন থেকে বের করতে পারবেনই। প্রকৃতির নিরন্তর কাছে থেকে এবং নিজের কাছে নিজেকে সপে দিলে আপনার ভিন্ন ভাবনার ভেতর নতুন কিছু আনতে সহজ করবে। তবে নতুন কিছু বের করার উদ্দেশ্যে বা সংকল্প করে বসবেন না। জাস্ট রিল্যাক্স করবেন এবং এটা আপনাকে কখন নতুন ভাবনা নিয়ে আসবে আপনি নিজেই বুঝে উঠতে পারবেন না।

৫) সাম্প্রতিক নিউজের সাথে একাত্ম থাকুনঃ
নতুন নতুন সৃজনশীল উদ্ভাবন করতে সাপ্রতিক নিউজের থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি দেশের বিভিন্ন ঘটনার সাথে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ঘটনার সাথে আপনি জড়িত হতে পারবেন। যা আপনার নতুন ভাবনা তৈরিতে খুব সাহায্য করবে।

৬) নিজের সাথে কথা বলুনঃ
মাঝে মাঝে আপনি খুব হতাশ হতে পারেন বা নিজের কাছে অপরাধী হয়ে উঠতে পারেন। এই সময় এটা আপনাকে খুব সাহায্য করবে। জাস্ট নিজেই নিজের সাথে কথা বলবেন এবং শব্ধ করে। মনীষীরা নাকি এটাতে অনেক ফল পাইতেন।
তবে সাবধান মানুষের সামনে এটা করতে যাবেন না, তাহলে পাগল বলতে দ্বিধা করবে না।

৭) তর্ক করুনঃ
পরিচিত বন্ধু বা হালকা পরিচিত কারও সাথে তর্কে জড়াতে পারেন। নিজেদের তৈরি টপিকস বা সাম্প্রতিক কোন নতুন ঘটনা নিয়ে, এতে আপনার যুক্তি শক্তি এবং চিন্তা শক্তি বাড়বে।

৮) নিজের কাজ নিজে করুন মাঝে মাঝেঃ
নিজের কাজ নিজে করুন মাঝে মাঝে। এতে আপনি গোছাতে পারবেন নিজের কিছু ভাবনা। সবসময় অন্নকে দিয়ে কাজ করাতে বিশ্বাসী হবেন না। নিজের কাজের ভেতর অনেক ভাবনা লুকিয়ে থাকে।

৯) রিয়িলিটি শো দেখুনঃ
মাঝে মাঝে বিনোদনের জন্য রিয়িলিটি শো দেখুন। এটি আপনাকে নতুন কারও চিন্তার সাথে একাত্ম হতে সহায়তা করবে। নতুন মানুষের চিন্তা থেকে নতুন কিছু ভাবনা বের হতেই পারে।

নিজের ভাবনাকে মাঝে মাঝে বেশি মূল্য দিনঃ
সব সময় আপনার ক্লায়েন্ট যা চাইবে তা না করে নিজের থেকেও কিছু করার চেষ্টা করুন। এতে আপনার নিজের ভেতরের সুপ্ত প্রতিভা খুঁজে পেতে সহায়ক হবে। আপনার মনের ক্লান্তিও দূর হবে।

১১) নতুন জায়গায় ভ্রমণ করুনঃ
সময় সুযোগ পেলেই নতুন নতুন জায়গায় ভ্রমণ করুন। দেশের ভেতর বা দেশের বাইরে। এতে করে আপনি অনেক নতুন মানুষের সাথে মিশতে পারবেন। পুরাতন বন্ধুদের সাথে হঠাৎ করে নতুন কোন জায়গায় ভ্রমণ করুন। এতে আপনি উৎসাহ পাবেন, সাথে নতুন অনেক ধারণার সাথে যুক্ত হতে পারবেন।

১২) নতুন বন্ধু তৈরি করুনঃ
সুযোগ হলে নতুন নতুন বন্ধু তৈরি করুন। তাতে আপনি নতুন অনেক আইডিয়ার সাথে একাত্ম হতে পারবেন। তাদের সাথে এক সাথে ট্রিট দিতে পারেন, এটাকে আপনাকে সবল করবে বিভিন্ন দিকে।

১৩) খেলা-ধুলায় যুক্ত থাকুনঃ
নতুন পুরাতন বন্ধুদের সাথে গ্রুপ কোন খেলা করতে পারেন। তাতে আপনার ব্রেন ভালো কাজ করবে, বহুদিনের কর্মক্লান্তি দূর হবে। পছন্দের খেলা মাঠে বসে উপভোগ করতে পারেন অনেকে মিলে।

১৪) স্পেশাল টি ব্রেকে যানঃ
সবসময় যেখান থেকে চা বা কফি খান তার ব্যতিক্রম মাঝে মাঝে করুন। একটু দূরে রোড সাইডে চা খেতে পারেন। যেখান থেকে বাইরের মানুষের চলাচল দেখা যাবে। তবে খুব কোলাহল থাকবে না। বিশ্বাস করুন, এটি আপনাকে অনেক বেশি সজীব করবে।

১৫) নিজেকে নতুন গিফট করুনঃ
মাঝে মাঝে পারলে নিজের জন্য নিজেই গিফট কিনুন। তবে প্রয়োজনীয় কিছু কিনুন। যা আপনার চাহিদাও মেটাবে আবার নিজেকে সজীব এবং মোটিভেট করবে।

১৬) ভিন্ন রাইডে চড়ুনঃ
আপনি যে সব যানে চলাচল করেন, তার ব্যতিক্রম করুন মাঝে মাঝে। হয়তো পাবলিক বাসে উঠে পড়লেন বা ট্রেনে চড়ে একটু ঘুরে আসলেন। এটা আপনাকে নতুন নতুন অনেক অভিজ্ঞতা তৈরিতে সহায়তা করবে। নৌকা ভ্রমণেও আপনার অনেক সজীব করবে।

১৭) মেডিটেশন করুনঃ
মেডিটেশন বা ইয়োগা কর্ম ক্লান্তি বা স্ট্রেস দূর করতে খুব সাহায্য করে। মাঝে মাঝে আপনি গ্রুপ মেডিটেশনে যুক্ত হতে পারেন বা গ্রুপ ইয়োগা এটা আপনাকে প্রশান্তি করবে, নতুন ধারণা তৈরিতে অনেক বেশি হেল্প করবে। নিজে নিজে প্রকৃতির মাঝেও মেডিটেশন করবেন মাঝে মাঝে। এটা আপনার সুপ্ত প্রতিভা জাগ্রত করবে।

১৮) প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যানঃ
মাঝে মাঝে খুব বেশি প্রকৃতির সাথে মিশে যান। পার্ক সবসময় হারিয়ে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত নন। সেজন্য নিরিবিলি নির্জন প্রকৃতি বেঁছে নিন। সাথে সঙ্গী হিসেবে আপন কাউকে রাখুন। এটা আপনাকে শহরের কর্ম ব্যস্ততা থেকে দূরে রাখবে এবং নতুন উদ্ভাবনী চিন্তা করতে সহায়তা করবে।

১৯) দাতব্য সংস্থার সাথে যুক্ত থাকুনঃ
দাতব্য কিছু সংস্থার সাথে নিজেকে যুক্ত রাখুন এবং মাঝে মাঝে সেখানে ভিজিট করুন। এতে করে আপনি আপনার জগতের বাইরের কিছু নতুন মুখের সাথে উঠা-বসা করতে পারবেন। আপনাকে নতুন কিছু করার প্ল্যান এবং সাহস দিবে।

২০) কিছু লেখার চেষ্টা করুনঃ
মিজের কাছে হোক আর বিভিন্ন ব্লগে হোক নিজের ছোট্ট ভাবনা মাঝে মাঝে লিখে রাখুন। এতে করে আপনার চিন্তার প্রসারতা আপনার কাছে তুলে ধরবে এই লেখা মাঝে মাঝে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

মানবদেহে আদার অনেক উপকার

আমাদের দিনে কয়েকবার রঙিন খাবার খাওয়া উচিত, কিন্তু আপনি কিবিস্তারিত পড়ুন

হোটেল ঘরে বিছানার চাদর সাদা হয় কেন ?

বেড়াতে গিয়ে হোটেলের ঘরে ঢুকে প্রথম যে বিষয়টি নজরে আসে,বিস্তারিত পড়ুন

ধনিয়া পাতার উপকারি গুণ

চিকিৎসকদের মতে, ধনে বা ধনিয়া একটি ভেষজ উদ্ভিদ যার অনেকবিস্তারিত পড়ুন

  • ওজন কমাতে যা খাওয়া যেতে পারে
  • প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রসুন
  • আমলকি কখনো স্বাস্থ্যের জন্য ‘বিপজ্জনক’ হয়ে ওঠে
  • বাসি দই ও পান্তা ভাতের আশ্চর্যজনক উপকারিতা
  • স্বাদে ও পুষ্টিগুণে ভরপুর সবজি হলো লাউ
  • মৌসুমের সব রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রার পারদ উঠল ৪৩ ডিগ্রিতে
  • যেসব অঞ্চলে টানা ৩ দিন ঝড়বৃষ্টি
  • ২৪ ঘণ্টা না যেতেই ফের কমলো স্বর্ণের দাম
  • গরমে চুলের যত্ন নেবেন কীভাবে?
  • একলাফে সোনার দাম ভ‌রিতে কমলো ৩১৩৮ টাকা
  • কত দিন পর পর টুথব্রাশ বদলাবেন?
  • ত্বকের দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়