রবিবার, জুলাই ১৪, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

রাস্তায় কেনা পানিও ডেকে আনতে পারে বিপদ!

রাজধানীর কল্যাণপুর থেকে মতিঝিলে প্রতিদিন অফিস করতে যান বেসরকারি চাকুরিজীবী মোস্তফা। আজ রোববার সকালেও বাসে করে অফিসে যাচ্ছিলেন তিনি। মাঝপথে ফার্মগেটের রাস্তায় এক বোতল মাম পানি খেয়ে খোয়া গেল তার মোবাইল ও নগদ ৭ হাজার টাকা।

ঢাকা মেডিকেলের বেডে আবস্থান করা মস্তোফা বলেন, আমি সকাল ৯টায় কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে মতিঝিলের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। ফার্মগেট এসে বাসের ভিতরে এক পানি বিক্রেতা থেকে মাম পানি কিনে খাই। পরে আমার কি হয়েছে আমি বলতে পারিনা। ঘুম থেকে উঠে দেখি আমি মেডিকেলের বেডে। আমার মোবাইল মানিব্যাগ ৭ হাজার টাকা কোন কিছুই নেই।

পরে ডাক্তারের কাছে শুনতে পাই, আমি মতিঝিলের এক গলিতে পড়েছিলাম স্থানীয় লোকজন আমাকে মেডিকেলে ভর্তি করে চলে যায়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন প্রতিদিন এরকম বিভিন্ন বয়সি মানুষ অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে সবকিছু হাড়িয়ে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হয়।

এ চক্রকে সহজে প্রশাসন ধরতে পারে না। কখনও দামি কোম্পানির পানিতে কিছু মিশিয়ে খাওয়ায়, কখনও বিভিন্ন খাবার খাওয়ানোর মাধ্যমে অজ্ঞান করে। প্রশাসন অনেক ক্ষেত্রে তৎপর হলেও এই চক্রকে র্নিমূল করতে পারছে না।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মিটফোর্ড হাসপাতাল সূত্র জানায়, ছয় বছরে চার হাজার মানুষ দুই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। সর্বশেষ গত ৬ ফেব্রুয়ারি মিটফোর্ড হাসপাতালে মারা গেছেন মুন্সীগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা মো. হাবীবুল্লাহ। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এবং ইছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।

গত জুন মাসে বক্ষব্যাধি হাসপাতালে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তিনিও অজ্ঞান পার্টির শিকার বলে ধারণা পুলিশের। জুলাই মাসে এক দিনে ১০ জন অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অজ্ঞান পার্টি এমন বেপরোয়া যে শুধু সাধারণ মানুষ নয়, তাদের কবলে পড়ছে পুলিশ প্রশাসনের লোকও।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

ছাত্রপক্ষের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক জিহাদ, সদস্যসচিব হাসিব

খালিদ সাইফুল্লাহ জিহাদকে আহ্বায়ক এবং জুবায়ের হাসিবকে সদস্যসচিব করে বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে খুবিতে বিক্ষোভ

সংসদে আইন পাশ করে কোটা সংস্কারের দাবি ও বিভিন্ন ক্যাম্পাসে কোটা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন, কেন্দ্রীয় মন্দির, অপরাজিতা ছাত্রী হল, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, আবাসিক ছাত্র হল, শহিদ তাজ উদ্দিন আহমেদ প্রশাসন ভবনসহ বিভিন্ন ভবনের সামনে দিয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে দিয়ে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। তবে শিক্ষার্থীরা সড়কের একপাশে অবরোধ করায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলায় বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ করে আহত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গায়ে কেন হাত দেওয়া হলো প্রশাসনকে এর জবাব দিতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ দিয়ে হামলা করে ছাত্র সমাজকে দমানো যাবে না।

ভারি বৃষ্টির আভাস ৪ বিভাগে, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

দেশের চার বিভাগে ভারি এবং চার বিভাগে হালকা বৃষ্টি হতেবিস্তারিত পড়ুন

  • সরকারের জিম্মি থেকে দেশ ও জনগণ মুক্তি চায়: রাশেদ প্রধান
  • সতর্কবার্তা যাচ্ছে কোটা আন্দোলনে
  • পাকিস্তানের সংসদে পিটিআইকে সংরক্ষিত আসন দিতে আদালতের নির্দেশ
  • তিন দিন পর সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক
  • বাংলা ব্লকেডে শিক্ষার্থীরা, ‘কঠোর’ পুলিশ, মাঠে ছাত্রলীগও
  • ছাগলকাণ্ড: মতিউর পরিবারের আরও ১১৬টি ব্যাংক হিসাব, জমি-ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য দরকার রাজনৈতিক দাওয়াই: মির্জা আব্বাস
  • পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা, পিছু হটল রায়ট কার
  • কোটা আন্দোলন: মেট্রোরেলের শাহবাগ স্টেশন বন্ধ
  • আসামিসহ প্রিজন ভ্যান আটকে দিলো আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা
  • কোটা আন্দোলন: শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান প্রধান বিচারপতির
  • দশম দিনে গড়াল ঢাবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি