মঙ্গলবার, জুন ১৮, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

রেলের উন্নয়নে সাড়ে ১২শ কোটির টাকার ঋণ দেবে ইআইবি

বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে বড় বিনিয়োগ ঘোষণা করেছে ইউরোপীয় ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (ইআইবি)। গত ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য সাড়ে ১৩ কোটি ইউরোর বা প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার একটি ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ইআইবির বোর্ড সভা।

আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত ৭২ কিলোমিটার ডাবল লাইন নির্মাণে সহঋণদাতা হিসেবে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে।গত দুই বছর ধরে এদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়িয়ে ইআইবি আগামীতেও দেশের এ খাতে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ইআইবির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাথন টেইলর জানান, ইআইবির এক্সটার্নাল ম্যান্ডেটের দুটি উদ্দেশ্য পূরণ করবে রেলওয়ের প্রকল্পটি। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় সড়ক থেকে রেলপথে যাত্রী স্থানান্তরে ভূমিকা রাখবে এটি। পাশাপাশি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে এ রেলপথ। এ কারণেই প্রকল্পটিতে ঋণ দেওয়ার বিষয়টি অনুমোদন করেছে।

সংস্থাটির ওয়েবসাইটে বলা হয়, ঢাকা-চট্টগ্রাম ডাবল লাইনে উন্নীত করার অংশ হিসেবে আখাউড়া থেকে লাকসাম ডাবল লাইন প্রকল্পটি ব্যয় হবে প্রায় ৫৫ কোটি ৫০ লাখ ইউরো বা ৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) দেবে ৩৩ কোটি ২০ লাখ ও ইআইবি ১৩ কোটি ৫০ লাখ ইউরো। বাকি অর্থ বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে সরবরাহ করবে।

ইআইবি বলছে, জ্বালানি তেলের ব্যবহার হ্রাসের মাধ্যমে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমবে। ফলে প্রকল্পটি ইআইবির জলবায়ু অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে এটি। এছাড়া সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে প্রকল্পটি গণপরিবহনের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং জাতীয় অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

জানা যায়, বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম ৩২১ কিলোমিটার রেলপথের মধ্যে ডাবল লাইন ১৮৭ কিলোমিটার। টঙ্গী থেকে ভৈরব বাজার পর্যন্ত ৬২ কিলোমিটারও আগামী মাসে চালুর কথা রয়েছে। তবে আখাউড়া থেকে লাকসাম ৭১ কিলোমিটার সিঙ্গেল লাইন রয়ে গেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের এ অংশ ডাবল লাইনে উন্নীত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শে ডাবল লাইনের পাশাপাশি ডুয়াল গেজ ট্রেন চলাচল ব্যবস্থাও চালু করা হবে।

এতে প্রকল্পটির আওতায় নতুন ডুয়াল গেজ লাইন নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যমান লাইনটি ডুয়াল গেজে রূপান্তর করা হবে। এরই মধ্যে প্রকল্পটির ঠিকাদার নিয়োগে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এখন মূল্যায়ন পর্যায়ে রয়েছে। আগামী বছর শুরু হয়ে ২০২০ সালে ডাবল লাইন ডুয়াল গেজের কাজ শেষ করার কথা।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদুল আজহার ত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশবিস্তারিত পড়ুন

আবারও ১৯৭৪ সালের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে

দেশে আবারও ১৯৭৪ সালের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে বলেবিস্তারিত পড়ুন

উজানের ঢলে তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি

টানা বর্ষণ ও ভারত থেকে আসা উজানের পানিতে তিস্তা নদীরবিস্তারিত পড়ুন

  • জনশুমারিতে জন্মনিবন্ধনের বাইরে প্রায় তিন কোটি নাগরিক
  • সবুজবাগে পরিবেশমন্ত্রীর সেলাই মেশিন বিতরণ
  • ২১-২২ জুন ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট-সোশ্যাল জাস্টিস ফর অল : শীর্ষ সম্মেলন
  • ঈদযাত্রায় মহাসড়কে  চলছে ধীরগতিতে গাড়ি
  • ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে 
  • জমজমাট শপিংমল-মার্কেট
  • ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হবে আরাফাত ময়দান
  • সড়কে যানজট নেই : ওবায়দুল কাদের
  • দেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গাছ লাগাতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী
  • উত্তরাঞ্চলের ঈদযাত্রা হবে নির্ঝঞ্জাট
  • সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা