রবিবার, জুলাই ১৪, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০ দিনের ছুটি শুরু কাল

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন)। বুধবার ছুটির আগে শেষ দিনের মতো ক্লাস হয়েছে।

রাজধানীর বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশে দেখা গেছে, একেক প্রতিষ্ঠান একেক রকম ছুটির তারিখ ঘোষণা করেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাৎসরিক ছুটির তালিকার সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে এরইমধ্যে নোটিশ দিয়েছে।
 
বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের নোটিশে বলা হয়, গ্রীষ্মকালীন ছুটি ও পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ১৩ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত ২০ দিন সব ধরনের ক্লাস বন্ধ থাকবে। আগামী ৩ জুলাই থেকে যথারীতি ক্লাস চলবে।
 
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঈদুল আজহার ছুটি কমিয়ে ২৪ জুন থেকে ক্লাস চালু করবে।

মতিঝিল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক রোকোনুজ্জামান জানান, প্রথমে ছুটি দেয়া হয়েছিল ২ জুলাই পর্যন্ত। কিন্তু ষাণ্মাষিক মূল্যায়ন রয়েছে। সেটা বিবেচনায় নিয়ে ২৯ জুন পর্যন্ত বন্ধের নোটিশ দেয়া হয়েছে। ৩০ জুন থেকে স্কুল খোলা থাকবে।
  
ভিকারুননিসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘১৩ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত আমাদের ছুটি। ২৪ তারিখ থেকে যথারীতি ক্লাস চলবে। শিক্ষার্থীদের শিখনকালীন ঘাটতি পূরণে ছুটি কমিয়েছি আমরা।’
 
কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চাইলে নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী ছুটি কমাতে পারবে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক প্রফেসর সৈয়দ জাফর আলী।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে ঈদের ছুটি শুরু হয়ে যাবে। এ ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান গ্রীষ্মকালীন ছুটি দিতে পারে। গ্রীষ্মকালীন ছুটি নিয়ে কোনো পরিবর্তন হলে, তা পরে জানিয়ে দেয়া হবে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

ছাত্রপক্ষের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক জিহাদ, সদস্যসচিব হাসিব

খালিদ সাইফুল্লাহ জিহাদকে আহ্বায়ক এবং জুবায়ের হাসিবকে সদস্যসচিব করে বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে খুবিতে বিক্ষোভ

সংসদে আইন পাশ করে কোটা সংস্কারের দাবি ও বিভিন্ন ক্যাম্পাসে কোটা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন, কেন্দ্রীয় মন্দির, অপরাজিতা ছাত্রী হল, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, আবাসিক ছাত্র হল, শহিদ তাজ উদ্দিন আহমেদ প্রশাসন ভবনসহ বিভিন্ন ভবনের সামনে দিয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে দিয়ে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। তবে শিক্ষার্থীরা সড়কের একপাশে অবরোধ করায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলায় বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ করে আহত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গায়ে কেন হাত দেওয়া হলো প্রশাসনকে এর জবাব দিতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ দিয়ে হামলা করে ছাত্র সমাজকে দমানো যাবে না।

ভারি বৃষ্টির আভাস ৪ বিভাগে, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

দেশের চার বিভাগে ভারি এবং চার বিভাগে হালকা বৃষ্টি হতেবিস্তারিত পড়ুন

  • সরকারের জিম্মি থেকে দেশ ও জনগণ মুক্তি চায়: রাশেদ প্রধান
  • সতর্কবার্তা যাচ্ছে কোটা আন্দোলনে
  • পাকিস্তানের সংসদে পিটিআইকে সংরক্ষিত আসন দিতে আদালতের নির্দেশ
  • তিন দিন পর সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক
  • বাংলা ব্লকেডে শিক্ষার্থীরা, ‘কঠোর’ পুলিশ, মাঠে ছাত্রলীগও
  • ছাগলকাণ্ড: মতিউর পরিবারের আরও ১১৬টি ব্যাংক হিসাব, জমি-ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য দরকার রাজনৈতিক দাওয়াই: মির্জা আব্বাস
  • পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা, পিছু হটল রায়ট কার
  • কোটা আন্দোলন: মেট্রোরেলের শাহবাগ স্টেশন বন্ধ
  • আসামিসহ প্রিজন ভ্যান আটকে দিলো আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা
  • কোটা আন্দোলন: শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান প্রধান বিচারপতির
  • দশম দিনে গড়াল ঢাবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি