সোমবার, জুলাই ১৫, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

সাকিবরা এবার ফুটবলার

বেলা তখন সাড়ে বারোটা। ড্রেসিং রুম থেকে বেরিয়ে এলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান… একে একে সবাই। সঙ্গে একটা ফুটবল। মৌসুমটাই তো ফুটবলের। কর্দমাক্ত মাঠে দাপিয়ে ফুটবল খেলার দুরন্ত সেই শৈশবগুলো যেন ফিরে এল বৃষ্টিঝরা এ দুপুরে। শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অবশ্য কাদার খোঁজ মিলবে না। তবে বৃষ্টিভেজা সবুজ আচ্ছাদনেই রোজকার জিম-ট্রেনিং শেষে ফুটবলটা জমে ভালো।

২২ গজের মতো এখানেও কম যান না সাকিব। মুগ্ধ হয়ে দেখতে হয় বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের ড্রিবলিং, পাসিং আর ফিনিশিং। বেশ কবার সতীর্থদের সঙ্গে ওয়ান-টু খেলেই ঢুকে পড়েন প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগে। এরপর দুর্দান্ত এক ফিনিশিং। বার্সেলোনার ‘টিকিটাকা’র ছোট্ট এক প্রদর্শনী! ক্রিকেট তারকাদের ভিড়ে সাকিবের ফুটবল প্রতিভা আলাদা করে নজরে পড়েই।

ব্যাট-বল হাতে যিনি বিশ্বসেরা, সেই সাকিবের দুরন্ত ফুটবল প্রতিভায় অবশ্য অবাক হওয়ার কিছু নেই। ছোটবেলায় কিন্তু ফুটবলটাই বেশি খেলতেন। কখনো কখনো ক্রিকেটের চেয়ে ফুটবলটাই ছিল তাঁর বেশি পছন্দের। ২০১০ ফুটবল বিশ্বকাপের সময় বলেছিলেন, ‘যদি টিভিতে দুটি খেলা একসঙ্গে চলে এবং ক্রিকেটে বাংলাদেশের খেলা না থাকে, কোনো চান্স নেই ক্রিকেট খেলা দেখার। মোটামুটি মানের হলেও ফুটবলই দেখব।’

ফুটবল তাঁর রক্তেই। বাবা মাশরুর রেজা ছিলেন ফুটবলার। নিজে জাতীয় ফুটবল দলে খেলতে পারেননি, তবে তাঁর হাতেই গড়া ভাগনে উজ্জ্বল খেলেছেন বাংলাদেশ ফুটবল দলে। মাশরুরও চেয়েছিলেন, ছেলে বড় হয়ে ফুটবলারই হোক। কিন্তু সাকিবের চাওয়া ছিল অন্য রকম। তিনিও জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখেছেন। তবে ফুটবল নয়; ক্রিকেটে। স্বপ্ন পূরণের সিঁড়ির দেখা পেলেন বিকেএসপিতে ভর্তি হয়ে। এরপর বয়সভিত্তিক ক্রিকেট পেরিয়ে জাতীয় দলে।

প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে ছুটছেন সাকিব, আজ অনুশীলনে। তবে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাটা সাকিবের রক্তেই। আর্জেন্টিনা তাঁর প্রিয় দল। সাকিব মেসি বলতে পাগল। সময় পেলেই বসে যান মেসির খেলা দেখতে। রাত জেগে দেখেন বার্সেলোনার খেলাও। অনুশীলনে শখের ফুটবলে সাকিবের ভেতরের ফুটবলারটা হাজির হয় মাঝে মধ্যেই।

সাকিবকে ক্রিকেট থেকে নিরস্ত করতে ব্যাট-বল দা-কুড়োল দিয়ে কেটেছেন তাঁর বাবা। একটা জেদ তো ছিলই। তবে ছেলেকে ফুটবলার বানাতে না পেরে এখন আর কোনো আক্ষেপ নেই মাশরুর রেজার। গত ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে বলেছিলেন, ‘সাকিব ফুটবলার হয়নি এ নিয়ে কোনো অপূর্ণতা নেই। এখন বরং মনে হয়, ফুটবলার হলে সে আজ এ অবস্থায় আসতে পারত না। ক্রিকেটে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে পারে।

ফুটবলে পারে না। সাকিব ফুটবল খেললে আজকের সাকিব হতে পারত না। যদিও ছোটবেলায় ফুটবলটাও সে দারুণ খেলত। তাতেও হয়তো জাতীয় দলে সুযোগ পেত। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পেত না বা আজকের অবস্থানে আসতে পারত না। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে নিজেকে নাম্বার ওয়ান করতে পারত না।’

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

মুস্তাফিজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ওয়াসিম আকরাম

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দুর্দান্ত বোলার মুস্তাফিজুর রহমান। কাটার, স্লোয়ারে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদেরবিস্তারিত পড়ুন

দিয়াগো কস্তার বীরত্বে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল পর্তুগাল

অতিরিক্ত সময়ে পেনাল্টি পেয়েও ব্যর্থ হন দলের সেরা তারকা ক্রিস্তিয়ানোবিস্তারিত পড়ুন

শান্তর অধিনায়কত্ব নিয়ে বিসিবি যা ভাবছে

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সব ফরম্যাটের জন্য বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব পানবিস্তারিত পড়ুন

  • চিলিকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা
  • প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা
  • অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমিতে আফগানিস্তান
  • সেমিফাইনাল নিশ্চিতের মিশনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে ইংল্যান্ড
  • আবারও বৃষ্টিতে বন্ধ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ
  • বৃষ্টির পর অস্ট্রেলিয়া শিবিরে রিশাদের জোড়া আঘাত
  • টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছক্কা হাঁকানোর তালিকায় সেরা দশে হৃদয়
  • টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটএ বাংলাদেশের ম্যাচ
  • আফগানিস্তানকে বিশাল ব্যবধানে হারালো ওয়েষ্ট ইন্ডিজ
  • নেপালকে হারিয়ে সুপার এইটে বাংলাদেশ
  • অস্ট্রেলিয়ার জয়ে ইংল্যান্ড সুপার এইটে
  • বিশ্বকাপে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে যে রেকর্ড গড়লেন সাকিব