শুক্রবার, মে ২৪, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

সিলেটে দোকানে দোকানে পানি, ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদরের ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম। বন্যার কারণে তার দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় মেঝেতে কয়েক দফা ইট ফেলে কোনো রকমে দোকানঘরে চলাফেরা করছেন। বেড়েছে সাপের উপদ্রবও। অন্য সময় দোকানে দৈনিক বিক্রি হতো ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। কিন্তু বন্যা দেখা দেওয়ার পর থেকে গড়ে ২০ টাকাও বিক্রি হচ্ছে না।

শুধু ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম নয়, বন্যার কারণে এ উপজেলা সদরের বাজারে অবস্থিত প্রায় ৭০০টি দোকানের মধ্যে অন্তত ৫০০টি দোকানে পানি ঢুকে পড়েছে। এ অবস্থায় বেচাকেনা বন্ধ রয়েছে। যেসব দোকানে একটু কম পানি ঢুকেছে, কেবল সেখানেই কিছুটা বেচাকেনা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, এক মাসেও বন্যার পানি না কমায় ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

বন্যার কারণে গত একমাস ধরে এ উপজেলায় চারদিকে কেবল পানি আর পানি। বাসাবাড়ি, দোকানপাট, সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-সবখানেই পানি। কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও কোমর অথবা বুকসমান পানি।

উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামের ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় বসবাস করছে। তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় সেখানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

তবে প্রায় দুই সপ্তাহে ধরে বৃষ্টি বেড়ে যাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পার্শ্ববর্তী কুশিয়ারা নদীর পানি উপচে এ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যার কারণে উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামের ৪০ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় বসবাস করছে। তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় সেখানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে উপজেলায় তিনটি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। সেখানে ৫২টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। এ ছাড়া বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রাণসামগ্রীও বিতরণ করা হচ্ছে।

সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভারতের আসামের বরাক উপত্যকায় সম্প্রতি ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। তাই কুশিয়ারার পানি এখন উপচে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, বৃষ্টি না কমলে বন্যা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের কোনো উপায় নেই।

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হুরে জান্নাত বলেন, উপজেলা সদরের পার্শ্ববর্তী কুশিয়ারা নদীর পানি মারাত্মকভাবে বেড়ে যাওয়ায় উপজেলাজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। তবে বন্যার্ত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে প্রচেষ্টা করছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তাই দুর্ভোগ তো কিছুটা হবেই।

শাহীন আহমদ নামের সদরের এক বাসিন্দা জানান, তার বাসায় হাঁটুসমান পানি। এ কারণে ঘরে কিছু ইট ফেলে, তার ওপর কয়েকটি চৌকি বিছিয়ে কোনো রকমে মাচা বেঁধে বসবাস করছেন। তবে ঘরে দুটি শিশু থাকায় তার চিন্তা বেশি হচ্ছে। কখন জানি তারা পানিতে পড়ে যায়, এ নিয়ে তার দুর্ভাবনা হচ্ছে। এ ছাড়া রান্নাবান্না করতেও তাদের সমস্যা হচ্ছে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

সিলেটে বন্যার উন্নতি হলেও পিছু ছাড়ছে না দুর্ভোগ

পানি কমতে শুরু করায় সিলেটের আট উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটাবিস্তারিত পড়ুন

সিলেটে মৃদু ভূমিকম্প

সিলেটে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর পরিমাণ ছিলবিস্তারিত পড়ুন

সিলেটে ঢলের পানিতে শিশুসহ চার ও বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু

সিলেটের সীমান্তবর্তী কোম্পানীগঞ্জে বন্যার পানিতে গতকাল শনিবার দু‘শিশু সহ একবিস্তারিত পড়ুন

  • ১০ ঘণ্টা পর সিলেটের পথে রেল চলাচল শুরু
  • ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে সিলেটে হিন্দু মহাজোট নেতা গ্রেপ্তার
  • বিয়ের প্রথম রাতে বর নিখোঁজ, সারা রাত একা বাসরঘরে বসে আছে নববধূ !! এলাকায় তোলপাড় চলছে ..
  • স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, ৩ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি
  • স্বামীর সহযোগিতায় চার সন্তানের জননীকে ধর্ষণের পর হত্যা!
  • আতিয়া মহলের ২ মামলায় পিবিআই’র তদন্ত শুরু
  • সিলেটে মা-মেয়েকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, যুবক গ্রেপ্তার
  • সিলেটে বন্যায় প্রায় ১০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত
  • জেলা ছাত্রলীগের ভাগ্য নির্ধারণ আজ!
  • বিশ্বনাথে আ’লীগের দু’গ্রুপের দ্বন্দ্বে ১৪৪ধারা জারি
  • সিলেটে মার্কিনকন্যার একইসঙ্গে ২ স্বামীর ঘর, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!