বুধবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

স্ত্রী-পুত্রের কী এমন দোষ করেছিল ?

ফরিদগঞ্জের আদশা গ্রামে স্ত্রী ও একমাত্র শিশুপুত্রকে পুড়িয়ে হত্যার পর লাশ ডোবায় ফেলে দেয় রাসেল নামে এক ব্যক্তি। খবর পেয়ে এলাকাবাসী ও শ্বশুরবাড়ি থেকে লোকজন গিয়ে জামাইয়ের বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। বিক্ষুব্ধদের নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আহত হয়েছেন কয়েকজন পুলিশ সদস্যও। এমনকি বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ছবি তুলতে গিয়ে ধাওয়া খেয়েছেন সংবাদকর্মীরাও।

সবার প্রশ্ন- কী এমন দোষ করেছিল দশমাস বয়সী একমাত্র শিশুপুত্র? বাবা হয়ে ওইটুকুন সন্তানকে পুড়িয়ে ফেলে দিলেন ডোবার পানিতে? যে প্রিয়তম স্ত্রী স্বামীর ডাকে বাবার বাড়ি থেকে ছুটে এসেছিল শ্বশুরবাড়ি, সেও কী এমন দোষ করেছিল? তাকেও পুড়িয়ে হত্যা করে দগ্ধ শরীর ছুঁড়ে ফেলে দেয়া হয়েছে ডোবায়? এমন সব প্রশ্নের কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার আদশা গ্রামের বাসিন্দরা।

রোববার দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ফরিদগঞ্জ উপজেলার আদশা গ্রামে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে স্ত্রী-পুত্রকে।

স্ত্রী-পুত্রকে হত্যার পর পালিয়ে গেছেন ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৬নং গুপ্টি ইউনিয়নের আদশা গ্রামের হাজী বাড়ির সিরাজুল ইসলামের ছেলে রাসেল। পুলিশ তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (২০) ও তাদের একমাত্র শিশুপুত্র ফুয়াদের (১০ মাস) পুড়ে যাওয়া মৃতদেহ ডোবা থেকে উদ্ধার করেছে।

বছর দুয়েক আগে রাসেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার রাঘরপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের মেয়ে ফাতেমা বেগমের। দশ মাস আগে তাদের ঘরে আসে ফুটফুটে সন্তান।

নিহত ফাতেমার ভাই মনির হোসেন জানান, শনিবার রাতে ফাতেমার স্বামী রাসেল ঢাকা থেকে ফিরবে বলে জানালে, তার বোন কোলের শিশুকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে আসে। রোববার সকালে তারা জানতে পারে ফাতেমা ও তার ছেলের লাশ বাড়ির পাশের ডোবায় পড়ে আছে। তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ডোবায় ভাসা তার বোন ও ভাগিনার লাশ দেখতে পায়। তাদের ধারণা, তার বোন ও ভাগিনাকে পুড়িয়ে হত্যার পর লাশ ডোবায় ফেলে পালিয়ে গেছে ঘাতক রাসেল।

এদিকে, ফাতেমা ও শিশু ফুয়াদের পোড়া লাশ দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসী ও রামগঞ্জ থেকে আসা ফাতেমার স্বজনরা রাসেলের বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধারের জন্য উপস্থিত হলে বিক্ষুদ্ধ লোকজন তাদের ওপরও হামলা করে। এ সময় এসআই ইকবাল, কনস্টেবল শাহাজাহানসহ দুজন আহত হয়। ছবি তুলতে গেলে সংবাদকর্মীদের ওপরও চড়াও হয় বিক্ষুব্ধরা। পরিস্থিতি ভয়াবহ পর্যায়ে চলে গেছে ফরিদগঞ্জ থানা এবং চাঁদপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

নোয়াখালীতে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ

পেট্রলবোমা হামলার মামলায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাবিস্তারিত পড়ুন

নোয়াখালীতে মাজারের খাদেমকে গলা কেটে হত্যা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায় সোনা মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ওবিস্তারিত পড়ুন

ঘটনাটি ছোট বোন ও ভাই ছাড়া আর কেউ জানতনাঃ নোয়াখালীতে নির্যাতন শেষে স্ত্রীকে তালাক নোটিশ

আশ্রাফুল তানজিল, নোয়াখালী : নোয়াখালী সদর উপজেলার মহব্বতপুর এলাকার নিজবিস্তারিত পড়ুন

  • নোয়াখালী থেকে ছেড়ে যাওয়া ড্রীম লাইন গাড়ী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ২০, নিহত-১
  • নোয়াখালীতে ৬ পা বিশিষ্ট বাছুরের জন্ম, এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি
  • নোয়াখালী এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন, মালামাল পুড়ে ছাই
  • বিভাগ হলে শুধু নোয়াখালী নয়, বরং সারা বাংলাদেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধি হবে। (ভিডিও দেখুন)
  • স্বামীকে হত্যার পর স্ত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা
  • নোয়াখালীতে গৃহকর্মী ও যুবকসহ ২টি লাশ উদ্ধার
  • নোয়াখালীতে শিক্ষার্থী-পুলিশ ব্যাপক সংঘর্ষ, অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা
  • নোয়াখালীতে ভারী বর্ষণের কৃষকের ভাগ্য পানিতে
  • নোয়াখালীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যা !! মামলা দায়ের
  • নোয়াখালীর দুই শিশু সন্তানের জননীকে বাথরুমে নিয়ে গলাকেটে হত্যা !!
  • নোয়াখালীতে দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে অপহরণ করে গণধর্ষণ
  • নোয়াখালীর ২ নম্বর কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু