শনিবার, জুলাই ২০, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

২১শে অাগস্ট গ্রেনেড হামলা; কবে শেষ হবে বিচার!

আদালত প্রতিবেদক: ২০০৪ সালের ২১ শে অাগস্ট বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের জনসভায় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা দুই দুইটি মামলা দীর্ঘ ১২ বছর অতিবাহিত হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত বিচার শেষ হয়নি। সংশ্লিষ্ট আইনে মামলার বিচার ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করার বাধ্যবাদকতা থাকলেও আইনের তোয়াক্কা না করে উচ্চ আদালতের অজুহাতে বছরের পর বছর ঢিমে তালে চলছে আলোচিত এই মামলার বিচার। এমনকি মামলার দীর্ঘসূত্রীতায় অতিষ্ঠ হয়ে কয়দিন আগে সংসদের স্থায়ী কমিটি থেকে বিলম্ব হওয়ার কারণ দর্শানোরও নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মামলায় ২২৪ তম সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের কথা রয়েছে আগামী মঙ্গলবার।

মামলায় মোট ৪৯১ জনকে সাক্ষ্য মানা হয়েছে। নথি ঘেটে দেখা যায়, এই প্রতিবেদন তৈরি করা পর্যন্ত মাত্র ২২৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনায় আহত উম্মে কুলসুম এদিন আদালতের বারান্দায় বিডিলাইভকে বলেন, সব সাক্ষ্য গ্রহণ করতে গেলে হয়ত এ বিচার আর সম্পন্ন হবে না!

রাষ্ট্রের আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে গতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে তাতে আরও বছর পাঁচেক লেগে যাবে।

৩১৫ সাক্ষীর সকলের সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার আছে কিনা জানতে চাইলে মামলার রাষ্ট্রপক্ষের পিপি রেজাউর রহমান বিডিলাইভকে বলেন, ‘সকলের সাক্ষ্য গ্রহণ করা না হলে বিচারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে’।

মামলা নিষ্পত্তির জন্য সকল সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক কিনা জানতে চাইলে সাবেক ঢাকা মহাননগর পিপি ও ক্রিমিনাল আইন বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট এহসানুল হক সমাজী বলেন, ‘সকল সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা বধ্যতামূলক নয়। আইনে আছে বিচারক যদি চায় তবে মাত্র দুইজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে আসামিকে শাস্তি দিতে পারে’।

অ্যাডভোকেট সমাজী সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা উল্লেখ করে বলেন, ‘যদি মামলাটি জঘন্য এবং চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড হয় তবে আদালত বিজ্ঞ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর সাথে আলোচনা করে মাত্র একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য নিয়েও মামলা নিষ্পত্তি করে দিতে পারেন’।

তিনি একটি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘দলিল হস্তান্তর আইন সহ আরও কিছু আইন আছে যেখানে একজন মাত্র সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে মামলা নিষ্পত্তি করা হয়’। তিনি সাক্ষ্য আইনের ১৩৫ ধারা উল্লেখ করে আরও বলেন ‘মামলায় অপরাধ প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক কোনো সাক্ষীর দরকার নাই’।

২১শে গ্রেনেড হামলার পর হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগপত্র দাখিলের পর মামলা দুটি ঢাকা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করা হয়। কিন্ত দীর্ঘ ১১ বছর কেটে গেলেও এখন পর্যন্ত মামলার বিচারিক কাজে তেমন কোনো অগ্রগতি নেই।

কেন নেই জানতে চাইলে মাামলার রাষ্ট্রপক্ষের পিপি রেজাউর রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করার জন্য এবং শেখ হাসিনাকে হত্যা করার লক্ষে হাওয়া ভবন ও আব্দুস সালাম পিন্টুর বাসভবনে বসে ষড়যন্ত্র করা হয় সেই ষড়যন্ত্র মোতাবেক মুফতি হান্নানসহ আরও অনেক দুষ্কৃতিকারীরা এ নারকীয় গ্রেনেড হামলা চালায়। তারা যে আর্জেস গ্রেনেড ব্যাবহার করেছে তা কেবল পাকিস্তান উৎপাদন করে বিশ্বের অন্য কোনো দেশ এই আর্জেস গ্রেনেড উৎপাদন করে না।’

‘সুতরাং যে গ্রেনেড ব্যাবহার করা হয়েছে তা নিশ্চিত পাকিস্তান থেকে এসেছে। সেই হামলায় জিল্লুর রহমানের স্ত্রীসহ ২২ জন নিহত হয়েছে। এমনকি সাবেক ঢাকার মেয়র হানিফ গ্রেনেডের স্পিলিন্টার বিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে মারা যান। চার দলীয় সরকার সেই সময় এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে এমনকি আপনারা জানেন জজ মিঞা নামের এক নাটকও তারা মঞ্চস্থ করেছিল’।

অ্যাডভোকেট রহমান আপনি আমাদের বলুন, ১১ বছরেও কেন মামলার বিচার শেষ করতে পারেননি? দশ বছরে মাত্র ১৭৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হল কেন? ”দেখুন এই মামলায় মোট ৫২ জন আসামিদের ভেতর কেউ কেউ দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামি, কেউ রমনা বটমুল, কেউ কোটালীপাড়ায় বোমা পুতে হত্যা চেষ্টা মামলা আবার কেউ যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামি থাকায় ওই মামলাগুলোতে হাজিরা দেওয়ার কারণে যথা সময়ে গ্রেনেড হামলা মামলায় আসামি হাজির করতে না পারায় মামলা সাক্ষ্য গ্রহণে বিলম্ব হয়েছে। আর একটা বিষয় হল আসামিপক্ষ সময় ক্ষেপনের জন্য অপ্রাসঙ্গিক জেরা করেন যার কারণেও মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ পিছিয়ে গিয়েছে বা বিলম্ব হয়েছে”।

এই মামলা দুটোতো দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে চলছে এবং দ্রুত বিচার আইনের ১০ ধারায় উল্লেখ আছে যে- এ আইেনর মামলা ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে হবে। কিন্ত গ্রেনেড হামলা মামলার বয়স তো ১১ বছর হয়ে গেল এটা কি আইনের লঙ্ঘণ না?

এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাডভোকেট রহমান বলেন, ”উচ্চ আদালত একটি রায়ে সিদ্ধান্ত দিযেছেন যে, ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার শেষ না করলেও চলবে”। উচ্চ আদালতে কোথায়, কোন রায়ে উল্লেখ আছে জিজ্ঞেস করলে অ্যাডভোকেট রহমান বলেন, ”এই মুহুর্তে আমার মনে নাই”। তবে তিনি আশা ব্যাক্ত করে বলেন, ”আমরা আশা করছি শীঘ্র মামলা নিষ্পত্তি সম্ভব হবে”।

২০০৪ সালের এই ভয়াবহ ঘটনায় করা মামলায় প্রথমে ২০০৮ সালের ১১ জুন সিআইডির সহাকরী পুলিশ সুপার ফজলুল করিম মুফতি হান্নানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পরে ২০১০ সালের ৩ জুলাই অধিকতর তদন্তের পর তারেক রহমান, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, লুতফুজ্জামান বাবরসহ ৩০ জনকে আসামির তালিকায় যোগ করে মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্র দেন সিআইডির বিশেষ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ।

ফলে আলোচিত এ মামলার আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ৫২ জনে। ঐ বছরের ১৮ মার্চ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দুই মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্রে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডে কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন এলাকায় ঢাকা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালতে মামলা দুটির বিচার চলছে।

যারা সাক্ষ্য দিয়েছে: এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন অব: মেজর জেনারেল রফিকুল ইসলাম। এই সাক্ষী জবানবন্দিতে বলেন, ”২১ শে গ্রেনেড বোমা হামলায় অবিস্ফরিত চারটি গ্রেনেড সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই এর সাবেক মহাপরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী”।

গত বছরের ৩০ সেপ্টম্বর জজ মিয়া আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেন, তিনি তার সাক্ষ্যে বলেন, ”২০০৫ সালে প্রথমে আমাকে সেনবাগ থানায় ধরে নেওয়া হয়েছিল। চোরাচালানের মামলা রয়েছে জানিয়ে থানায় নেওয়ার পর নোয়াখালীর পুলিশ সুপার আমার সঙ্গে কথা বলেন। মারধরের পর চোখ বেঁধে আমাকে ঢাকায় আনা হয়। এ সময় থানায় জীবন নাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং এই বলে হুমকি দেওয়া হয় যে, ‘তুই বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গ্রেনেড হামলায় জড়িত ছিলি। যদি এটা স্বীকার না করিস, তাহলে অন্য মামলায় আসামি করে তোকে ক্রসফায়ারে দিয়ে দেব”। জজ মিয়াকে আরও বলা হয়, ‘আমরা যেভাবে বলি তোকে সেভাবে শুনতে হবে। আমাদের কথা শুনলে তুই বেঁচে যাবি।’ তখন জজ মিয়া বলেন, স্যার, তাহলে কিভাবে বাঁচাবেন? তারা বলে, তোকে রাজসাক্ষী রাখা হয়েছে।

জজ মিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, তৎকালীন সিআইডি কর্মকর্তা রুহুল আমিন তখন জজ মিয়াকে বলেছিলেন, ‘আমাদের কিছু করার নেই, এটা উপরের নির্দেশ’।

জজ মিয়া সাক্ষ্যের কোনো এক পর্যায়ে আরও বলেন, স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হওয়ার পর শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলার অনেকগুলো ভিডিও দেখানো হয়েছিল তাকে। সিআইডি কর্মকর্তা জজ মিয়াকে বলেন, ‘আমরা যা শেখাব, আদালতে তাই বলবি’। জজ মিয়া বলেন, ”সিআইডি অফিসে আমাকে রেখে গ্রেনেড হামলার বিষয়ে অনেক ঘটনা মুখস্থ করানো হয়’।

মামলার আদ্যপান্ত: বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২১ অাগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। ২০০৮ সালের ১১ জুন আদালতে অভিযাগপত্র দাখিল করে সিআইডি সিনিয়র এএসপি ফজলুল করিম।

ঐ চার্জশিটে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন, হরকাতুল জিহাদের (হুজি) নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়।

২০০৯ সালে মহাজোট সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মামলার অধিকতর তদন্ত শুরু হয়। ২০১০ সালের ৩ জুলাই তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, লুতফুজ্জামান বাবর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদসহ ৩০ জনকে নতুন আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয় সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ।

৫২ জন আসামির মধ্যে ২৫ জন গ্রেফতার হয়েছে এদের মধ্যে ১৪ জন গ্রেফতার হয়েছেন র‌্যাবের হাতে। বাকিরা পুলিশের মাধ্যমে গ্রেফতার হন।

যারা জামিনে আছেন: পুলিশের সাবেক তিন মহা-পরিদর্শক (আইজি) আশরাফুল হুদা, শহীদুল হক, খোদা বকস চৌধুরী, সিআইডির সাবেক তিন কর্মকর্তা রুহুল আমিন, মুন্সী আতিকুর রহমান, আবদুর রশিদ, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক ও ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক বিএনপি নেতা কাউন্সিলর আরিফুর রহমান।

যারা পলাতক আছেন: এ মামলায় এখনো বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, বিএনপির এমপি কাজী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদ, হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. হানিফ, হাফেজ ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই, রাতুল বাবু, ডিএমপির সাবেক ডিসি (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান, ডিএমপির সাবেক ডিসি (দক্ষিণ) খান সাঈদ হাসান, লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, মেজর (অব.) এটিএম আমিন, মাওলানা তাজউদ্দিন, ঝিনাইদহের ইকবাল, বরিশালের মাওলানা আবু বকর, মাগুরার খলিলুর রহমান, ঢাকা দোহারের জাহাঙ্গীর আলম ওরফে বদর ও গোপালগঞ্জের মাওলানা লিটন ওরফে জোবায়ের ওরফে দেলোয়ার এবং ভারতের তিহার কারাগারে আটক হুজির সদস্য আনিসুল মোরসালিন ও মহিবুল মোত্তাকিন পলাতক রয়েছেন।

যারা কারাগারে রয়েছেন: এ মামলার আসামিদের মধ্যে কারাগারে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুতফুজ্জামান বাবর, সামরিক গোয়েন্দা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক মহা-পরিচালক আব্দুর রহিম, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদ, মাওলানা ফরিদ, মুফতি আব্দুল হান্নান ওরফে সাব্বির, হুজির সাবেক আমির মাওলানা আবদুস সালাম, কাশ্মীরি জঙ্গি আব্দুল মাজেদ বাট, জঙ্গি আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোস্তফা, মুফতি আবদুল হান্নান মুন্সী ওরফে আবুল কালাম ওরফে আবদুল মান্নান, মহিবুল্লাহ মফিজুর রহমান ওরফে অভি, শরিফ শাহেদুল আলম বিপুল, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, শাহাদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল, হোসাইন আহম্মেদ তামিম, মো. আবদুস সালাম পিন্টু, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আবদুর রাজ্জাক, রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ওরফে খালিদ সাইফুল্লাহ ওরফে শামিম ওরফে রাশেদ ও মো. উজ্জ্বল ওরফে রতন।

গ্রেনেডের আঘাতে যারা মারা যান: ২১শে আগস্টের হামলায় নিহত হন আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক বেগম আইভি রহমান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ সেন্টু, শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ল্যান্স কর্পোরাল (অব.) মাহবুবুর রশীদ, মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম (আদা চাচা), মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী সুফিয়া বেগম, মাদারীপুরের যুবলীগ নেতা লিটন মুন্সী ওরফে লিটু, নারায়ণগঞ্জের রতন সিকদার, মহানগর রিকশা শ্রমিক লীগ নেতা মো. হানিফ, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী হাসিনা মমতাজ রীনা, সরকারি কবি নজরুল ইসলাম কলেজের ছাত্র মামুন মৃধা, ঢাকা মহানগর যুবলীগ নেতা বেলাল হোসেন, আমিনুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী আবদুল কুদ্দুস পাটোয়ারী, যুবলীগ নেতা আতিক সরকার, শ্রমিক লীগ কর্মী নাসির উদ্দিন সর্দার, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেত্রী রেজিয়া বেগম, আবুল কাসেম, জাহেদ আলী, মমিন আলী, যুবলীগ নেতা শামসুদ্দিন আবুল কালাম আজাদ এবং ইছহাক মিয়া।

এ মামলায় মোট ৮ আসামি আদালতে ফৌযদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন, তারা হলেন, মুফতি হান্নান, মফিজুর রহমান, জাফর, আবুল কালাম আজাদ, জাহাঙ্গীর আলম, আরিফ হাসান সুমন ও রফিকুল ইসলাম। bdlive24

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

রাজধানীতে আনসার ব্যাটালিয়ন মোতায়েন

ঢাকা মহানগরীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১৬ প্লাটুন আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য মোতায়েনবিস্তারিত পড়ুন

টানা তিন দিন মোবাইল ইন্টারনেটে ধীরগতি

দেশের বিভিন্ন স্থানে টানা তিন দিন ধরে মোবাইল ইন্টারনেট সেবাবিস্তারিত পড়ুন

বিক্ষোভকারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে সরকারের প্রতি আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, বিক্ষোভকারীদের অধিকার সমুন্নতবিস্তারিত পড়ুন

  • ঢাবি বন্ধের সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগে ধন্যবাদ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ
  • রাজধানীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ২৩
  • জাহাঙ্গীরনগর রণক্ষেত্র, অর্ধশতাধিক আহত 
  • হত্যাকাণ্ডসহ সব অনভিপ্রেত ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • বৃহস্পতিবার সারাদেশে কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা কোটা আন্দোলনকারীদের
  • ছাত্রপক্ষের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক জিহাদ, সদস্যসচিব হাসিব
  • আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে খুবিতে বিক্ষোভ
  • ভারি বৃষ্টির আভাস ৪ বিভাগে, বাড়তে পারে তাপমাত্রা
  • সরকারের জিম্মি থেকে দেশ ও জনগণ মুক্তি চায়: রাশেদ প্রধান
  • সতর্কবার্তা যাচ্ছে কোটা আন্দোলনে
  • পাকিস্তানের সংসদে পিটিআইকে সংরক্ষিত আসন দিতে আদালতের নির্দেশ
  • তিন দিন পর সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক