মঙ্গলবার, জুলাই ১৬, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

৩ পার্বত্য জেলায় বৃহস্পতিবারও সকাল-সন্ধ্যা হরতাল

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) আইন-২০১৬ বাতিলের দাবিতে বুধবার তিন পার্বত্য জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শেষে পরদিন বৃহস্পতিবারও ফের সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

এ ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় পাঁচ বাঙালিভিত্তিক সংগঠন পার্বত্য নাগরিক পরিষদ, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ, পার্বত্য গণপরিষদ, চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলন ও পার্বত্য বাঙালি ছাত্র ঐক্যপরিষদ। এছাড়া হরতালের সমর্থনে সংহতি জানিয়েছে পার্বত্য গণশ্রমিক পরিষদ নামে আরেকটি সংগঠন।

সকাল থেকে শহরের বনরুপা, কাঠালতলী, পৌরসভা, রিজার্ভবাজার, তবলছড়ি, ডিসি অফিস এলাকা, কলেজগেট, ভেদভেদী ও মানিকছড়িসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দিনব্যাপী পিকেটিংয়ে অংশ নেন হরতালকারীরা। এছাড়া হরতালের সমর্থনে শহরে বিক্ষিপ্ত মিছিল বের করেন তারা।

এদিকে হরতালের কারণে শহরসহ জেলাব্যাপী কোথাও কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারেনি। সব দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। উপজেলাগুলোতেও সড়ক ও নৌপথে কোনো প্রকার যান চলাচল করেনি। ফলে হরতালে অচল হয়ে পড়ে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি। সরকারি অফিস-আদালতসহ বিভিন্ন কর্মপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও লোকজনের উপস্থিতি ছিল কম।

হরতালে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বত্র নিরাপত্তাবাহিনীর টহল জোরদার ছিল।

সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি সদর সার্কেল) চিত্তরঞ্জন পাল জানান, ভোর থেকে দিনব্যাপী বাঙালি সংগঠনগুলোর ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে অতিবাহিত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বত্র পর্যাপ্ত পুলিশি টহল জোরদার রয়েছে।

এদিকে বুধবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শেষে বৃহস্পতিবারও রাঙামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল দিয়েছে ওই পাঁচ বাঙালি সংগঠন।

এ ব্যাপারে সংগঠনগুলোর পক্ষে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের নেতা মো. ইব্রাহীম, জাহাঙ্গীর আলম, নজরুল ইসলাম, আসাদুজ্জামানসহ অন্য নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) আইন-২০১৬’র ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালিদেরকে ভূমি থেকে উচ্ছেদ হতে হবে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। এমন আশঙ্কায় অবিলম্বে সংশোধিত আইনটি বাতিলের দাবিতে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি।

কিন্তু সরকার আমাদের দাবি মানার বদলে ওই কালো আইনটিকে অধ্যাদেশ আকারে জারি করতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরও করেছেন অধ্যাদেশে। তাই এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবারও তিন পার্বত্য জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল দিতে বাধ্য হতে হয়েছে। প্রয়োজনে পরবর্তীতে আরও লাগাতার কঠোর কর্মসূচি দিয়ে তিন পার্বত্য জেলা অচল করে দেয়া হবে বলেও হুমকি দেন বাঙালি নেতারা।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

কুড়িগ্রামে ভয়াবহ বন্যায় ২ লাখ মানুষ পানিবন্দী

কুড়িগ্রামে টানা ৬ দিন বন্যায়  ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।  মানুষজনবিস্তারিত পড়ুন

সিলেটে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

দ্বিতীয় দফার বন্যায় সিলেট অঞ্চলে সাত লক্ষাধিক মানুষ এখনও পানিবন্দি।বিস্তারিত পড়ুন

চালু হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্ত হাট

প্রায় সাড়ে চার বছর পর আগামী ২৯ জুলাই থেকে চালুবিস্তারিত পড়ুন

  • রায়পুরায়  বিএনপির প্রায় ১০০ নেতা কর্মী আ’লীগে যোগদান
  • সিলেটে ৯ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
  • সকাল থেকে ঢাকায় বৃষ্টি
  • রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় দুই নারীর আত্মহত্যা
  • ছুটি শেষে কর্মচঞ্চল আখাউড়া স্থলবন্দর
  • নোয়াখালীতে অস্ত্র ঠেকিয়ে কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগ
  • নান্দাইলে চাচাতো ভাইয়ের হাতে চাচাতো ভাই খুন
  • সিলেট বিভাগের বন্যা ভয়ঙ্কর রুপ নিচ্ছে
  • সবুজবাগে পরিবেশমন্ত্রীর সেলাই মেশিন বিতরণ
  • ঈদযাত্রায় মহাসড়কে  চলছে ধীরগতিতে গাড়ি
  • হরিজনদের উচ্ছেদ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলার প্রতিবাদ
  • দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস