শুক্রবার, এপ্রিল ৪, ২০২৫

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

আজ মহান বিজয়ের ৪৫ বছর

পৌষের কুয়াশা জড়ানো ভোরে আজও পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে শুরু হয়েছে নতুন একটি দিন।

তবে এই দিনের তাত্পর্য অন্য রকম। কেননা দিনটি মনে করিয়ে দিয়েছে ৪৫ বছর আগের এক গৌরবোজ্জ্বল দিনের বীরত্বগাথা। আজ ১৬ ডিসেম্বর, আজ বাঙালির অপার আনন্দের দিন, মহান বিজয় দিবস।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে অস্থায়ী মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আসে চূড়ান্ত বিজয়। সেদিন শীতের বিকেলে রমনার রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) দাম্ভিক পাকিস্তানি সেনারা যে অস্ত্র দিয়ে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল বাঙালির বুকে, হত্যা করেছিল ৩০ লাখ বাঙালিকে, সেই অস্ত্র পায়ের কাছে নামিয়ে রেখে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর নেতাদের সামনে। বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে সেদিন রচিত হয়েছিল

বাঙালি জাতির এই গৌরবের ইতিহাস। আর ওই মুহূর্তের মধ্য দিয়েই বিশ্ব মানচিত্রে লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে স্বাধীন ভূখণ্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল বাংলাদেশ।

জাতি আজ সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করবে দেশের জন্য প্রাণ উত্সর্গ করা বীর সন্তানদের। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে স্বাধীনতার রূপকার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী নেতাদের। কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, সম্ভ্রম হারানো মা-বোনদের। সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে নামবে মানুষের ঢল। রাজধানীসহ সারা দেশে সরকারি-বেসরকারিভাবে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মানুষ মাতবে বিজয়ের উৎসবে।

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কয়েকজন ডাকসাইটে রাজাকার-আলবদর নেতার ফাঁসি কার্যকরের পর এবারের বিজয় দিবস কিছুটা ভিন্ন মাত্রায় উদ&যাপিত হচ্ছে। আজ সরকারি ছুটি। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উত্তোলন করা হবে জাতীয় পতাকা। রাজধানীসহ দেশের বড় বড় শহরের প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপ জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হবে। রাতে গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনায় করা হবে আলোকসজ্জা। হাসপাতাল, কারাগার ও এতিমখানাগুলোতে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হবে। সংবাদপত্র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছে, বেতার ও টিভি চ্যানেলগুলো সমপ্রচার করছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত দেশের স্বাধীনতা-সার্বভেৌমত্বকে আরো অর্থবহ করতে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। ‘ পৃথক বাণীতে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়ন ও গণতনে্ত্রর ধারাবাহিকতা রক্ষা করার মধ্য দিয়ে সবাই মিলে একটি সেবামুখী, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আর বিএনপি চেয়ারপারসন তাঁর বাণীতে বলেছেন, ‘প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে বিপদমুক্ত করতে স্বাধীনতাযুদ্ধের চেতনায় বলীয়ান হয়ে আমাদের জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। ‘

কর্মসূচি : আনন্দের এই দিনের কর্মসূচি শুরু হবে ভোরে শেরেবাংলানগরে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে (পুরনো বিমানবন্দর) ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে। সূর্যোদয়ের পরপরই সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে সব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকরা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় সেনাবাহিনীর আমনি্ত্রত সদস্যরাসহ ভিআইপিদের শ্রদ্ধা জানানোর পর স্মৃতিসৌধ সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

সকাল ১০টায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে সম্মিলিত বাহিনীর বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমভিত্তিক যানি্ত্রক বহর প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করবেন। প্রধানমন্ত্রীও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
এ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের চিত্রাঙ্কন, রচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করেছে। এ ছাড়া মহানগর, জেলা ও উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। দেশের সব শিশু পার্ক ও জাদুঘর বিনা টিকিটে উন্মুক্ত রাখা হবে।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারা দেশের সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৬টা ৩৪ মিনিটে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ জিয়ারত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। বিকেল ৩টায় বিজয় শোভাযাত্রাসহকারে পাক হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমবেত হয়ে শিখা চিরন্তনে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর অভিমুখে বিজয় শোভাযাত্রা বের করা হবে। ক্ষমতাসীন এই দলের পক্ষ থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

মিরপুরে ঝগড়ার জেরে ‘সাততলা থেকে ফেলে’ যুবককে হত্যার অভিযোগ

রাজধানী ঢাকার মিরপুরের পাইকপাড়া এলাকায় এক যুবককে বাসা থেকে ডেকেবিস্তারিত পড়ুন

‘হলে থাকতেন-টিউশনি করতেন, এখন পাঁচ-ছয় কোটি টাকার গাড়িতে চড়েন’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু বলেছেন, “কিছু উপদেষ্টা আছেন যারাবিস্তারিত পড়ুন

শুক্রবার বৈঠকে বসছেন ইউনূস-মোদি

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বাংলাদেশেরবিস্তারিত পড়ুন

  • এসএসসি পেছানোর দাবিতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি, যা বলছে শিক্ষা বোর্ড
  • মব-নারীবিদ্বেষ-তৌহিদি জনতা: দেশে চরমপন্থা বিকাশের সুযোগ সত্যি নাকি বিভ্রান্তি?
  • নাহিদ: আওয়ামী দুঃশাসনের ভুক্তভোগীদের কাছে ৫ আগস্ট অবশ্যই দ্বিতীয় স্বাধীনতা
  • দেশে গ্যাস অনুসন্ধানে মস্কোর সহযোগিতা চায় ঢাকা
  • ঈদের চাঁদ দেখা নিয়ে যে আহ্বান জানালো সৌদি আরব
  • ৬ ডলারে নামছে না রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা, কমছে ৫০ সেন্ট
  • আরও একমাস বাড়লো পাঁচটি সংস্কার কমিশনের মেয়াদ
  • নাহিদ ইসলাম: সরকারের উচিত আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করা
  • তামিমকে নিয়ে যা বললেন দেশ-বিদেশের ক্রিকেটাররা
  • ঈদের ছুটিতে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ
  • তামিমের উদ্দেশে সাকিব: তুমি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবে
  • নোয়াখালীতে এনসিপির হান্নান মাসউদের ওপর হামলা