কাউখালীতে পানির দামে বিক্রি হচ্ছে সুপারী
পিরোজপুরের কাউখালীতে সুপারী চাষীরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একদিকে ফলন কম অন্য দিকে সুপারীর বাজার দর থাকায় কৃষকরা চরম দূর্দিনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
উপজেলার কৃষি জমির এক তৃতীয়াংশ ভূমিতে সুপারী চাষ করে চাষীরা বাম্পার ফলনের আশায় সুপারী মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করে। গত বছর ভাল ফলন হলেও পানির দরে সুপারী বিক্রি হওয়ায় চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সুপারী চাষীরা। এবারে ভেবেছিলে সুপারীর ন্যায্য মূল্য পাওয়া যাবে কিন্তু বাজারে পানির দরে সুপারি বিক্রয় করা যাচ্ছেনা। কারন হিসাবে চাষীরা জানান বিদেশী সুপারীর আমদানীর ফলে দেশীয় সুপারীর কোন চাহিদা বাজারে না থাকায় বাজার দরের এই বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
একদিকে বিদেশী সুপারীর গুনগত মান এবং অপেক্ষাকৃত বড় সাইজের হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে বিদেশী সুপারী চাহিদা বেশী থাকায় দেশীয় সুপারী চাষীরা মার খাচ্ছে। আবার সুপারীর বাজারে এক শ্রেনী মধ্য স্বত্ব ভোগী হারিয়াদের দৌরাত্বে সাধারন চাষীরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দক্ষিনাঞ্চলের ধান, পান ও সুপারী এই তিন নিয়ে বিখ্যাত উপজেলা গুলোর মধ্যে সুপারী চাষে শীর্ষ স্থান দখল করে কাউখালী উপজেলা। এখানে থেকে প্রতি বছর মৌসুমে কয়েক হাজার কোটি টাকার পাকা ও শুকনো সুপারী দেশে বিদেশে রপ্তানী করা হয়।
এ অঞ্চলের সুপারীর পাকা মৌসুম ভাদ্র থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত তিন মাস ধরে সমানতালে সুপারী বেচা কেনা ও সংগ্রহ করা হয়। এবং শুকনো মৌসুম ফাল্গুন থেকে সারা বছরই কম বেশী চলতে থাকে। গত বছর স্থানীয় ভাষায় ১০টির ১ ঘা ২১ শে ঘা কুড়ির ৫ কুড়ি সুপারীর দাম ৮-৯ শত টাকা ছিল। বর্তমান বাজারে তার অর্ধেকেরও কম দামে নেমে এসেছে। ফলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে সুপারী চাষীদের মধ্যে।
এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী শিয়ালকাঠী পান্নু সিকদার জানান, গত বছর ১ লক্ষ সুপারী কিনে এ বছর তা ৬০ হাজার টাকায় তা বিক্রি করতে পারছেন না। ফলে ছোট বড় স্থায়ী ব্যবসায়ীরা পথে বসে উপক্রম হয়েছে।
পিরোজপুরের কাউখালীর কচা, সন্ধ্যা, কালীগঙ্গা, গাবখানসহ বিভিন্ন নদনদীতে অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে মা ইলিশ ধরার মহোৎসবে ব্যস্ত জেলেরা। প্রশাসনের নাকের ডগায় এ সকল নদী ও নদীর শাখা প্রশাখাগুলোতে অত্যন্ত ছোট ফাঁসের কারেন্ট জাল দিয়ে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও বিক্রয় বন্ধের আগ মূহুর্তেই জেলেরা মজুদ রাখার জন্য মা ইলিশ ধরার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।
আগামী ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন পর্যন্ত ইলিশের প্রজননের মৌসুম বিধায় সরকারীভাবে ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও মজুদ এবং বিক্রয় দন্ডনীয় অপরাধ বলে ঘোষনা করা করা হয়। প্রশাসনের সাথে আঁতাত করে ছোট ছোট নৌকায় বিভিন্ন ধরনের মাছ নিধনের জাল দিয়ে নদীর জলধারাকে আটকিয়ে মাছ আহরণ করছে। এতে জলপথ দিয়ে লঞ্চ, স্টীমার, তেলবাহী জাহাজসহ বিভিন্ন ধরনের নৌযান চলাচলে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ
সিরাজগঞ্জে প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করল স্কুলের নৈশ প্রহরী
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে স্কুলেরবিস্তারিত পড়ুন
স্বরূপকাঠীতে চাঁই বিক্রি করে স্বাবলম্বী অনেক পরিবার, রয়েছে স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধার অভাব
এম. ডি. ইউসুফ, পিরোজপুর প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীতে বাঁশ দিয়ে তৈরীবিস্তারিত পড়ুন
বখাটে ছেলে রুবেলকে পরকিয়া প্রেমিক ও বন্ধু সহ গনধোলাই দিয়েছে স্থানীয় জনতা
স্বরুপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধিঃ উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের ডুবী গ্রামের আবুল কালামেরবিস্তারিত পড়ুন