তামিম-দিলশানের ব্যাটে বিধ্বস্ত মুশফিকের সিলেট

প্রথম ছয় ম্যাচে মাত্র একটি জয়, ঘরের মাঠে আগের দুই ম্যাচেই হার—ভীষণ চাপের মধ্যে ছিল চিটাগং ভাইকিংস। একটা জয় ভীষণ প্রয়োজন ছিল তাদের। শেষ পর্যন্ত জ্বলে উঠে দারুণ এক জয় পেল তামিমের দল। সিলেট সুপারস্টার্সকে অতি সহজে ১০ উইকেটে হারিয়ে বিপিএলে শেষ চারের আশাও বাঁচিয়ে রাখল তারা।
চিটাগং ভাইকিংসের এই স্বস্তির জয়ে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন তামিম। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার তিলকারত্নে দিলশান। দুজনের দুটো চমৎকার অর্ধশতক ২৩ বল হাতে রেখেই জয় এনে দিয়েছে চট্টগ্রামের দলটিকে।
সপ্তম ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসের এটা দ্বিতীয় জয়। অন্যদিকে ষষ্ঠ ম্যাচে সিলেট সুপার স্টার্সের পঞ্চম হার। চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ১৪০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন তামিম ও দিলশান। মোহাম্মদ শহীদের করা প্রথম ওভারেই দলকে ১২ রান উপহার দিয়েছেন তামিম।
পঞ্চম ওভারে আবার রানের ফোয়ারা। অভিজ্ঞ বাঁ-হাতি স্পিনার আবদুর রাজ্জাকের সেই ওভারে ১৫ রান পেয়েছে চিটাগং ভাইকিংস। যার মধ্যে ছিল দিলশানের দুটি চার ও একটি ছক্কা।
রানের এই গতিধারা রোধ করতে পারেনি সিলেট সুপারস্টার্স। সাতজন বোলার ব্যবহার করেছেন সিলেট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। কিন্তু উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে পারেননি।
৬৭ রানে অপরাজিত তামিমের ৫১ বলের অধিনায়কোচিত ইনিংসটি সাজানো ছিল আটটি চারে। দিলশান একটু বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন। শ্রীলঙ্কান ওপেনারের ব্যাট থেকেও এসেছে ৬৭ রান। মাত্র ৪৬ বলের ঝড়ো ইনিংসটি নির্মিত ছয়টি চার ও তিনটি বিশাল ছক্কায়।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম ম্যাচে আজ ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।বিস্তারিত পড়ুন

বিপিএলে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন বরিশাল
বিপিএলের ফাইনালে শুরুতে ব্যাটিং করে রেকর্ড রান সংগ্রহ করে প্রথমবিস্তারিত পড়ুন

শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদনেও আগুন
রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার ৫ নম্বর সড়কে আওয়ামী লীগ সভাপতিবিস্তারিত পড়ুন