ভাগ্যাহত রোহিঙ্গা কারা ও কেন তারা সমুদ্রে ভাসছে ?
ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের ছবি প্রায়শই আমরা পত্রিকার পাতায় এবং টেলিভিশনের পর্দায় দেখে থাকি, সেগুলো সাধারণত প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে হয়ে থাকে।
এ ধরনের মানবিক বিপর্যয় ঘটছে প্রতিনিয়ত পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে। অতি সম্প্রতি নেপালে ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণে সেখানে ঘটেছে মানবিক বিপর্যয়। তার সপ্তাহখানেক পরই আর একটি বিপর্যয় আমরা প্রত্যক্ষ করছি, কিন্তু এটি প্রাকৃতিক নয়, মানব সৃষ্ট বিপর্যয়। আর সেই বিপর্যয়টি হলো হাজার হাজার বাঙালি ও রোহিঙ্গা অভিবাসী মালাক্কা প্রণালী ও আন্দামান সাগরে ভেসে বেড়াচ্ছে দুই মাস ধরে।
নাগরিকত্ব না পেয়ে দশকের পর দশক ধরে মিয়ানমারে ‘রাষ্ট্রহীন’ অবস্থায় কষ্টকর দিন যাপন করে আ

In this June 26, 2014 photo, Rohingya man carries vegetables in the rain at The Chaung village, north of Sittwe, Rakhine State, Myanmar. A growing sense of desperation is fueling a mass exodus of Rohingya Muslims from western Myanmar, with at least 8,000 members of the long-persecuted minority fleeing by boat in the last two weeks, according to an expert. (AP Photo/Gemunu Amarasinghe)
সছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষ। সেখানকার মানবেতর জীবন থেকে মুক্তির আশায় ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ পথে বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমায় রোহিঙ্গারা। তবে বিপদসংকুল সে পথেও যে অমানবতা ওৎ পেতে আছে সে কথাটি হয়তো ভুলে যান তারা।
সম্প্রতি মানব পাচারের শিকার হয়ে খাবার আর পানিহীন অবস্থায় সে মানবেতর জীবনেরই মুখোমুখি হতে হয়েছে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার সমুদ্র উপক’লে আটকা পড়া হাজার হাজার রোহিঙ্গা। কারা সেসব রোহিঙ্গা? কেন তারা মিয়ানমার ছেড়ে পালাচ্ছেন? কেন তারা সাগরে আটকা পড়েন? তাদের প্রতি অন্যান্য দেশের দৃষ্টিভঙ্গিই বা কী?
রোহিঙ্গা কারা?
রোহিঙ্গা হলো মিয়ানমারে বসবাসরত একটি স্বতন্ত্র মুসলিম জনগোষ্ঠী। এক হাজার বছর আগে সেখানে আসা মুসলিম বাণিজ্যবিদদের বংশধর বলে ধারণা করা হয় তাদের।
মিয়ানমার ছাড়াও বাংলাদেশ, সৌদি আরব আর পাকিস্তানেও বাস করে তারা।
মিয়ানমারে তাদের ভূমির অধিকার নেই এবং তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে চরমভাবে নিষিদ্ধ। এমনকি রোহিঙ্গাদের দিয়ে সেখানে জোরপূর্বক কাজ করিয়ে নেয়া হয়।
বাংলাদেশেও অনেক রোহিঙ্গা দারিদ্র্যের জীবন-যাপন করে। কোন কাগজপত্র নেই। চাকরির আশা নেই।
কেন তারা সমুদ্রে ভাসছে?
আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা আইওএম’র হিসেব অনুযায়ী, বাংলাদেশ আর মিয়ানমারের অন্তত ৮ হাজার অভিবাসী সাগরে বিভিন্ন নৌকায় ভাসমান আছে। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলীয় জঙ্গলে মানব পাচার শিবির আর বেশ কয়েকটি মরদেহ শনাক্ত হওয়ার পর পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরালো করে দেশটি। এমন অবস্থায় ধরপাকড়ের ভয়ে অভিবাসীদের সাগরের মাঝপথে ফেলেই পালাতে শুরু করে পাচারকারীরা।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে স্বৈরাচারী শাসক বললেন ট্রাম্প
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দাবি ছিল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পবিস্তারিত পড়ুন

ধর্ষণের অভিযোগের তদন্ত চলায় এমবাপ্পেকে বিজ্ঞাপন থেকে সরাল রিয়াল
আর্থিক দ্বন্দ্বের মধ্যে পিএসজি ছেড়ে রিয়াল মাদ্রিদে আসার পর একেরবিস্তারিত পড়ুন

মিয়ানমারে বন্যায় মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে ২২৬
ঘূর্ণিঝড় ইয়াগির প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমারে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণেবিস্তারিত পড়ুন