শনিবার, জুলাই ১৩, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

এমনও দিন গিয়েছে, যখন না খেয়ে দিন কাটাতে হয়েছে!

ফুটপাথে বসে থাকেন ইনি৷ কিন্তু ভিক্ষা করেন না৷ উপার্জন করেন৷ এমনও দিন গিয়েছে, যখন না খেয়ে দিন কাটাতে হয়েছে তাঁকে৷ কিন্তু তাও ভিক্ষার রাস্তায় হাঁটেননি৷ ধারকর্জ করেই কিনেছিলনে এই ওজন করার যন্ত্রটি৷ ফুটপাথেই সেটি নিয়ে তিনি বসে থাকেন৷ কেউ ওজন করালে ২ টাকা দেন৷ সেটাই তাঁর রোজগার৷ নাহ, ভিক্ষা করেননি তিনি, অভাব থাকলেও নয়৷

খবর মানেই অন্ধকার নয়৷ আমরা তুলে ধরলাম এমন কিছু আলোর ছবি, যা দেখে এই সমাজের একজন হিসেবে হয়ত আপনি গর্ববোধই করবেন৷
এ সময় জুড়ে হাজারো অন্ধকারের ছবি৷ চারিদিকের খবর দেখতে দেখতে মনে হয়, খুন, জখম, ধর্ষণ, জোচ্চুরি, ধর্মীয় উসকানিই যেন সময়ের মুখ হয়ে উঠতে বদ্ধপরিকর৷ এহেন অন্ধকার সময়েরই কোনও কোনও ছবি ছড়িয়ে দিতে পারে আশার আলো৷ যেমন এই কিশোরটি৷ বাবার মৃত্যুর পর মাকে সাহায্য করতে যে বেছে নিয়েছে কাগজ ফেরির কাজ৷ পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্ছে পড়াশোনাও৷ কিংবা যে ছেলেরা রাস্তায় ফুল ফেরি করেও স্কুলে যাওয়া ছাড়েনি৷
mumbai-boy

উপরে যার ছবি দেখছেন, সকালে আমজনতার ঘুম ভাঙার আগেই উঠে পড়ে সে৷ সংগ্রহ করে পেপার৷ তারপর এলাকার কয়েকটা বাড়িতে তা ফেরি করে৷ সকাল ৮টা অবধি চলে এই কাজ৷ তরপর শুরু হয় স্কুলে যাওয়ার তাড়া৷ কেন এমন কাজ কর সে? কেননা, কিছুদিন আগেই বাবাকে হারিয়েছে সে৷ মাকে একলা হাতে সংসার টানতে দেখছে প্রতিনিয়ত৷ তাই বয়সে বালক হলেও, হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি৷ মাকে সাহায্য করতে লেগে পড়েছে কাজে৷ মাসে তার রোজগার হয় ১০০০ টাকা৷ তাইই সে তুলে দেয় মায়ের হাতে৷ সে জানে এই টাকা কিছুই নয়, তবে মাকে সাহায্য করতে কিছু না কিছু সে করতেই চায়৷

12011202_406377249571258_3539320267331128798_n

এরা দু’জনেই রাস্তায় ফুল ফেরি করে৷ গাড়ির বন্ধ কাচের দরজার সামনে গিয়ে ফুল কেনার আর্জি জানায়৷ কেউ নেয়৷ কেউবা নেয় না৷ বন্ধ দরজায় মাথা কুটেই ফিরে আসতে হয়৷ দেখে অনেকেই হাসাহাসি করে৷ কিন্তু তাতে এদের কিছু যায় আসে না৷ সকালে এরা স্কুলে যায়৷ দিনে ফুল ফেরি করে৷ যে হাসে হাসুক, ওরা জানে, পরিবারের জন্য ওদের এ কাজটুকপ করতেই হবে৷
11921704_403803866495263_844389801738224218_n-300x200

এই মহিলার বাড়ির লোক চেয়েছিলেন পুত্রসন্তান৷ কিন্তু মনে মনে তিনি কামনা করেছিলেন কন্যাসন্তানেরই৷ যখন কন্যাসন্তানের জন্ম দিলেন তখন বাড়ির প্রায় প্রত্যেকেই মনক্ষুণ্ণ হয়েছিলেন৷ কিন্তু গোপনে আনন্দে পেয়েছিলেন তিনি৷ মেয়েকে জড়িয়ে ধরেছিলেন৷ তাঁর ছোট্ট পরিকে যে কোনও মূল্যে রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর তিনি৷

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

চা কন্যা খায়রুন ইতিহাস গড়লেন  

চা শ্রমিকদের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে সব মহলেই পরিচিত হবিগঞ্জেরবিস্তারিত পড়ুন

চার্জ গঠন বাতিল চেয়ে রিট করবেন ড. ইউনূস

 শ্রমিক-কর্মচারীদের লভ্যাংশ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড.বিস্তারিত পড়ুন

ড. ইউনূসের মন্তব্য দেশের মানুষের জন্য অপমানজনক : আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, কর ফাঁকি দেওয়ার মামলাকে পৃথিবীর বিভিন্নবিস্তারিত পড়ুন

  • স্বাধীনতার জন্য সিরাজুল আলম খান জীবন যৌবন উৎসর্গ করেছিল
  • ৫৩ বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ ১০৬ জনকে সম্মাননা দিল ‘আমরা একাত্তর’
  • হাতিয়ায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি
  • ৫৭ বছর বয়সে এসএসসি পাস করলেন পুলিশ সদস্য
  • শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ
  • চলে গেলেন হায়দার আকবর খান রনো
  • গফরগাঁওয়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক শামছুন নাহার
  • ‘ও আল্লাহ আমার ইকবালরে কই নিয়ে গেলা’
  • ভিক্ষুকে সয়লাভ নোয়াখালীর শহর
  • কঠিন রোগে ভুগছেন হিনা খান, চাইলেন ভক্তদের সাহায্য
  • কান্না জড়িত কন্ঠে কুড়িগ্রামে পুলিশের ট্রেইনি কনস্টেবল
  • অজানা গল্পঃ গহীন অরণ্যে এক সংগ্রামী নারী