শনিবার, জুলাই ২০, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

সাংবাদিকদের সিটিটিসির প্রধান

গুলশান হামলার দায়িত্বে ছিলেন মারজান

রাজধানীর গুলশানে স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার দায়িত্বে ছিলেন মারজান নামের এক ব্যক্তি। এ হামলায় হাসনাত করিম, মেজর জিয়া ও তাহমিদের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন।

আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, হামলার দিন যে পাঁচ জঙ্গি কমান্ডো অভিযানে মারা যায়, তারা বসুন্ধরার বাসা থেকেই এসেছিল। তারা ভিন্ন ভিন্ন পথে হেঁটে একে একে আর্টিজান হোটেলে প্রবেশ করে। তাদের সহযোগিতা করতে আরো দুজন সেখানে প্রবেশ করে। তাঁরা হলেন হাসনাত করিম ও তাহমিদ।

এ হামলার মূল হোতা তামিম ও জিয়া। তাঁরা বাইরে থেকে পুরো হামলার নেতৃত্ব দেন। আর তামিম ও জিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করে ওই দিনের হামলার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মারজান।

মনিরুল বলেন, গুলশান হামলার বিভিন্ন সাক্ষী ও আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে মারজানের ব্যাপারে তথ্য পাওয়া যায়। সেই তথ্য অধিকতর যাচাই-বাছাই করে মারজান যে ওই হামলায় বাইরে ইনচার্জের দায়িত্ব পালন করেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়।

মারজানকে ধরতে এরই মধ্যে দেশের সব গোয়েন্দা সংস্থার কাছে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তারা কিছু ছবি দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। সেই ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

মারজান কোথায় আছে—জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, মারজান ঢাকাতেই আছেন। তাঁকে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, মারজান হামলার সময় ওই হোটেলের ভেতরে না থাকলেও বাইরে থেকে ফোন ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন। তা ছাড়া যে আইডিতে জঙ্গিরা লাশের ছবি পাঠিয়েছে, সেই আইডির পাসওয়ার্ডও মারজানের কাছে ছিল। ওই পাসওয়ার্ড দেখেই মারজান বিভিন্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন।

পুলিশ ধারণা করছে, বাংলাদেশের দুটি পত্রিকা সেই ছবি প্রকাশ করেছিল। কারণ, দুটি পত্রিকার ছবি ছিল একেবারই স্পষ্ট। ওই পত্রিকা দুটির সম্পাদকদের তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করার জন্য এরই মধ্যে আদালত থেকে গত বৃহস্পতিবার নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে।

ছবির ব্যাপারে মনিরুল বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই ছবি দুটি ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হবে। এরপর ল্যাব টেস্টে যদি এমনটা প্রমাণিত হয় যে ছবি দুটি মারজানদের দেওয়া, তবে আদালতে আইসিটি আইনে মামলার জন্য আবেদন করা হবে।

মেজর জিয়া ও তামিমের ব্যাপারে জানতে চাইলে সিটিটিসির প্রধান বলেন, গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ধারণা, তাঁরা দুজন দেশেই আছেন। তাঁদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। এ ছাড়া কেউ ধরিয়ে দিতে পারলে ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

ড. ইউনূসের মন্তব্য দেশের মানুষের জন্য অপমানজনক : আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, কর ফাঁকি দেওয়ার মামলাকে পৃথিবীর বিভিন্নবিস্তারিত পড়ুন

ময়মনসিংহে ওসি-এসপি’র বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর

সরকারি দায়-দায়িত্ব ও কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, সম্পদের যথাযথবিস্তারিত পড়ুন

ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় জনগণের সাথে রায়েছে বিচার বিভাগ

দেশের মানুষের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিচার বিভাগ জনগণের সঙ্গে আছেবিস্তারিত পড়ুন

  • কোকেনের সবচেয়ে বড় চালানে জড়িতদের নাম পেয়েছে ডিএনসি
  • বাংলাদেশ ব্যাংক ও দুদকের ৭২ কর্মকর্তার চাকরি ছাড়ায় নানা আলোচনা
  • মূল্য ৭ কোটি: পঞ্চগড়ে কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার
  • বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির গেজেট নিয়ে আদেশ
  • জাতীয় শোক দিবসে রাজধানীতে বাড়তি নিরাপত্তা
  • মানবতাবিরোধী অপরাধ: আজহার-কায়সারের আপিল শুনানি ১০ অক্টোবর
  • নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলা: হাইকোর্টের রায় ২২ আগস্ট
  • আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ড পাওয়া রাজাকার হাফিজ গ্রেপ্তার
  • সেলিম ওসমান অসুস্থ, চার্জ শুনানি হল না
  • স্ত্রী-শাশুড়িসহ তুফান ফের রিমান্ডে
  • এই রায়ে আমি ব্যথিত: অ্যাটর্নি জেনারেল
  • রিমান্ডে ধর্ষণের কথা ‘স্বীকার’ করলেন তুফান সরকার