তরুণীর ঘরভর্তি সেক্স টয়। কিন্তু খবর যা ভাবছেন, তা নয়…


লন্ডনের গ্যাবি বর্টন-গেনের বয়স ১৯। ইতিমধ্যেই তাঁর ওয়ার্ডরোব উপচে উঠেছে কয়েকশো পাউন্ডের সেক্স টয়েজ-এ। তবে তার সিংহভাগই কেনা নয়, উপহার পাওয়া আর এই মূল্যবান উপহারগুলি তিনি পেয়ে থাকেন একটি অনলাইন সেক্স টয় শপ থেকে। কেন?
অতি অল্প বয়স থেকেই গ্যাবি একজন সেক্স-অ্যাডিক্ট। তাঁর নিজের কথায়, বছর দুই আগে পর্যন্তও তাঁর ঝঞ্ঝাট হত মনের মতো সেক্স পার্টনার বা বয়ফ্রেন্ড পেতে। কেউ নাকি তাঁকে পুরোপুরি তৃপ্তি দিতে পারত না। সেই সময় থেকেই সেক্স টয়ের প্রতি তাঁর আকর্ষণ। প্রচুর সেক্স টয় কিনতেন তিনি একটি অনলাইন শপ থেকে।
এমন একজন সোনার চাঁদ কাস্টমার পেয়ে খুবই খুশি হয় সেই টয় শপ। তারাই প্রস্তাব দেয় গ্যাবিকে যে ওদের প্রডাক্টের রিভিউ লিখে দিলে প্রতি মাসে এক্কেবারে ফ্রিতে নতুন নতুন সেক্স টয় পাবেন গ্যাবি। যেমন কথা, তেমনি কাজ। লেগে পড়েন গ্যাবি এবং এরই মধ্যে একজন বয়ফ্রেন্ডও জুটে যায়, যিনি একদম আক্ষরিক অর্থে পার্টনার-ইন-ক্রাইম।
এখন প্রতি মাসে গড়ে ২০টি করে নতুন টয় পাঠানো হয় গ্যাবির ঠিকানায়। দিনের বেলা গ্যাবি কাজ করেন একটি ইনসিওরেন্স কোম্পানির হয়ে। আর বাড়ি ফিরেই তাঁর অন্য ‘অবতার’। প্রায় প্রতিদিনই একটি-দু’টি টয় অপেক্ষা করে থাকে গ্যাবির জন্য। আর প্রতিদিনই বয়ফ্রেন্ডকে সঙ্গে নিয়ে মেতে ওঠেন নতুন খেলনার পরীক্ষা-নিরীক্ষায়। গ্যাবি বলেছেন, দিনে তিনবার সেক্স না-করলে নাকি তাঁর শরীর কেমন করে
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


ভিসা প্রার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নির্দেশনা
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদনকারী সব অনভিবাসী ভিসা প্রার্থীদের সব সামাজিকবিস্তারিত পড়ুন


স্বর্ণের দামে আবারও বড় পতন
চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদহার বাড়ার আশঙ্কায়বিস্তারিত পড়ুন


দেশ থেকে যে ৩ চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে বিশ্বকাপ
দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপেরবিস্তারিত পড়ুন













