মঙ্গলবার, জুলাই ১৬, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

দুই টাকার নোট চীনে পাচারের তিন কারণ

বাংলাদেশ সরকারের দুই টাকার নোট পাচারের চেষ্টা করেছিল একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট। তবে সে চেষ্টা প্রাথমিকভাবে ব্যর্থ করে দিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দারা। গত বৃহস্পতিবার চীনে পাচারের সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুটি পোস্টাল পার্সেলে ২৮টি প্যাকেটে ৫৬ হাজার টাকা জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। ‘হেলথ কেয়ার সার্ভিস’ বই হিসেবে পাচারের চেষ্টা হয়েছিল নোটগুলো। স্ক্যানিংয়ের সময় সন্দেহ হয় শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষের। পরে খুলে দেখা যায়, সাদা বইয়ের আড়ালে বের হয় চকচকে দুই টাকার নোট!

এ ব্যাপারে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বলেন, শাহজালালে দুই টাকার ২৮ হাজার পিস নোট পাচারের চেষ্টার নেপথ্যে তিনটি কারণ উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, প্রথমত ধারণা করা হচ্ছে পরীক্ষামূলকভাবে দুই টাকার নোট পাচার করা হচ্ছে। সফল হলে বড় কোনো চালান নেওয়া হতে পারে পরে। দ্বিতীয়ত দুই টাকার চকচকে নোটের সিকিউরিটি সুতা সংগ্রহ করে বড় নোট বানিয়ে আবার দেশে আনা হতে পারে জাল টাকা, যা বাজারে ছড়িয়ে দিয়ে বড় ধরনের জালিয়াতির ছক কষতে পারে সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট।

তৃতীয়ত নেহায়েত শখের চাহিদা মেটাতে বিক্রির উদ্দেশ্যে নেওয়া হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রা সংগ্রহে রাখার একটা বাজার রয়েছে দেশের বাইরে।

ড. মইনুল খান আরো বলেন, দুই টাকার নোট পাচারকারী প্রেরক ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করেছেন কেন তা জানার চেষ্টা চলছে। প্রেরক মেডিক্যাল বই হিসেবে মিথ্যা ঘোষণা দিয়েছেন, প্রেরক স্বনামধন্য চিকিত্সক, থাকেন বিদেশে। তার নাম ব্যবহার করা হয়েছে সন্দেহ এড়াতে। কিন্তু কাজ হয়নি।

২৮ কেজি ওজনের পার্সেলে ৫৬ হাজার টাকা পাচার করে কত টাকা মুনাফা অর্জন সম্ভব জানতে চাইলে তিনি বলেন, ক্রিমিনাল ইন্টেন্ট কী হতে পারে— এসব প্রশ্নের বিশ্বাসযোগ্য উত্তর খোঁজা হচ্ছে। সিন্ডিকেটের কাউকে ধরা সম্ভব হলে এর সঠিক উত্তরই পাওয়া যাবে। সে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফরেন পোস্ট অফিসের মুদ্রা পাচারের সংবাদে দুটি পার্সেল শুল্ক গোয়েন্দাদের নজরদারিতে পড়ে। স্ক্যানিং মেশিনে সাদা বই দেখা যায়। কার্টনের গায়ে ‘হেলথ কেয়ার সার্ভিস’ লেখা আর প্রেরক ডা. রেদওয়ান।

কার্টনে লেখা ঠিকানা অনুযায়ী রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ডা. রেদওয়ান আল করিম ভূঁইয়া (১৪/৩, বি, উত্তর-পূর্ব যাত্রাবাড়ী, দ্বিতীয় তলা, ঢাকা-১২০৪) হংকং ও বেইজিংয়ে এটি পাঠাচ্ছিলেন। প্রথম কার্টনের ওপর হংকংয়ের বাও রুই নামের একজন ও দ্বিতীয় কার্টনে শেইফেং জিন, বেইজিং, চীন নামে আরেকজন প্রাপকের ঠিকানা লেখা রয়েছে।

কার্টন খোলার পর বই আকৃতির প্যাকেট দেখা যায়। স্ক্যানিংয়ে যাতে ধরা না পড়ে সেজন্য ওপরে ও নীচে দেওয়া হয়েছিল কার্বন কাগজ। তবে প্যাকেট খোলার পর সবই জানা যায়। বই আকৃতির প্রতি প্যাকেটে দুই টাকার এক হাজার নোটে দুই হাজার টাকা হলেও প্যাকেটের ওজন অনুযায়ী লাগানো হয় ৭৫৮ টাকার ডাকটিকিট। হংকংয়ের ঠিকানায় ২৪টি প্যাকেটে ২৪ হাজার ও চীনের ঠিকানায় চারটি প্যাকেটে ৪ হাজার দুই টাকার নোট ছিল।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

মিরপুরে অজ্ঞান পার্টির কবলে কিশোর, খোয়ালো অটোরিকশা

রাজধানী মিরপুরের দিয়া বাড়িতে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে ব্যাটারি চালিতবিস্তারিত পড়ুন

নয়াপল্টনে র‍্যাবের অভিযানে অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামাদিসহ আটক ১

রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় ৬৩ নম্বর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ বিটিআরসিরবিস্তারিত পড়ুন

গার্ডরুমে সহকর্মীর গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহত

রাজধানীর গুলশান-বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক এলাকায় গুলশান থানার ক্ষেত্রাধিন ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনেরবিস্তারিত পড়ুন

  • বাংলাদেশ ব্যাংক ও দুদকের ৭২ কর্মকর্তার চাকরি ছাড়ায় নানা আলোচনা
  • রাজধানীর শিশু হাসপাতালে আগুন
  • বায়ু দূষণ: শীর্ষস্থানে বাংলাদেশ, দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তান
  • ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, তাড়াহুড়োয় ভুল হয়ে গেছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
  • রাজধানীতে হাতিরপুলের আগুন নিয়ন্ত্রণে
  • হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া
  • রাস্তায় ইফতার করলেন ডিএমপি কমিশনার
  • অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল অভিশ্রুতি নাকি বৃষ্টি
  • তিন অপহরণকারী আটক, অপহৃত শিশু উদ্ধার !
  • ধর্ষণ করার আগে ছাত্রীটিকে দল বেঁধে মারধর করল
  • কখনো অঝর ধারায়, কখনো বা থেমে থেমে বৃষ্টি, ভোগান্তি সারাদিন
  • অধরা সিদ্দিকুরের দুর্দশায় দায়ী পুলিশরা