মঙ্গলবার, জুলাই ১৬, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

‘বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করতে পারিনি, হাত বাঁধা ছিল’

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু দিবস আমার জন্য কষ্টকর দিন। এই দিনে আমি বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করতে পারিনি। আমার হাত বাঁধা ছিল বলে জানিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান ও সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের চেয়ারম্যান কে এম সফিউল্লাহ।

তিনি রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ ‘৭১ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সময় সেনাপ্রধান ছিলেন কে এম সফিউল্লাহ।

আলোচনা সভায় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডে জিয়া যে জড়িত ছিলেন, সেটি তদন্তেই বেরিয়ে এসেছে। মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া যায় না বলে এ মামলায় জিয়ার বিচার হয়নি। জিয়াকে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের প্রধান পরিকল্পনাকারী হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা কেবল কয়েকজনের ষড়যন্ত্র ছিল না। এটি ছিল আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। ওই ঘটনায় পর্দার আড়ালে যারা ছিল, তাদের মুখোশ উন্মোচিত করা উচিত। জাতীয় শোক দিবসে খালেদা জিয়ার মিথ্যা জন্মদিন পালন করার পরিণতি ভালো হবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের ভাইস চেয়ারম্যান ৮ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমান চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল হান্নান খান, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাক্ষী ও ফোরামের যুগ্ম মহাসচিব মেজর (অব.) জিয়া উদ্দিন আহমেদ, সাবেক রাষ্ট্রদূত ওয়ালি উর রহমান, ফোরামের সহসভাপতি ও তৎকালীন টুঙ্গিপাড়ার পুলিশ কর্মকর্তা এডিআইজি নুরুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের মহাসচিব হারুন হাবীব।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

ছাত্রপক্ষের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক জিহাদ, সদস্যসচিব হাসিব

খালিদ সাইফুল্লাহ জিহাদকে আহ্বায়ক এবং জুবায়ের হাসিবকে সদস্যসচিব করে বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে খুবিতে বিক্ষোভ

সংসদে আইন পাশ করে কোটা সংস্কারের দাবি ও বিভিন্ন ক্যাম্পাসে কোটা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন, কেন্দ্রীয় মন্দির, অপরাজিতা ছাত্রী হল, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, আবাসিক ছাত্র হল, শহিদ তাজ উদ্দিন আহমেদ প্রশাসন ভবনসহ বিভিন্ন ভবনের সামনে দিয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে দিয়ে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। তবে শিক্ষার্থীরা সড়কের একপাশে অবরোধ করায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলায় বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ করে আহত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গায়ে কেন হাত দেওয়া হলো প্রশাসনকে এর জবাব দিতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ দিয়ে হামলা করে ছাত্র সমাজকে দমানো যাবে না।

ভারি বৃষ্টির আভাস ৪ বিভাগে, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

দেশের চার বিভাগে ভারি এবং চার বিভাগে হালকা বৃষ্টি হতেবিস্তারিত পড়ুন

  • সরকারের জিম্মি থেকে দেশ ও জনগণ মুক্তি চায়: রাশেদ প্রধান
  • সতর্কবার্তা যাচ্ছে কোটা আন্দোলনে
  • পাকিস্তানের সংসদে পিটিআইকে সংরক্ষিত আসন দিতে আদালতের নির্দেশ
  • তিন দিন পর সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক
  • বাংলা ব্লকেডে শিক্ষার্থীরা, ‘কঠোর’ পুলিশ, মাঠে ছাত্রলীগও
  • ছাগলকাণ্ড: মতিউর পরিবারের আরও ১১৬টি ব্যাংক হিসাব, জমি-ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য দরকার রাজনৈতিক দাওয়াই: মির্জা আব্বাস
  • পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা, পিছু হটল রায়ট কার
  • কোটা আন্দোলন: মেট্রোরেলের শাহবাগ স্টেশন বন্ধ
  • আসামিসহ প্রিজন ভ্যান আটকে দিলো আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা
  • কোটা আন্দোলন: শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান প্রধান বিচারপতির
  • দশম দিনে গড়াল ঢাবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি