সোমবার, জুলাই ১৫, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

‘বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও নষ্ট হবে’

য়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হলে শুধু সুন্দরবনই ধ্বংস হবে না, এর মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কও নষ্ট হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আজ শুক্রবার রাজধানীতে আলোচনায় তাঁরা এ মন্তব্য করেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে বছরে ৩১ হাজার টন ক্ষতিকর সালফার অক্সাইড ও নাইট্রোজেন-ডাই-অক্সাইডের মতো বহু উপাদান তৈরি হবে। এ কারণে সুন্দরবনের প্রাণ পশুর নদ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি সুন্দরবনও ধ্বংস হবে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ বদরুল ইমাম বলেন, ‘পরিবেশগত দিকগুলো স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হলে, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটা হলে, তবে অবশ্যই সুন্দরবনের ওপর প্রতিকূল প্রভাব পড়বে। পৃথিবীতে কোনো কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নেই, যেখানে দূষণ হয় না।… মন্ত্রী থেকে শুরু করে বহু লোকের সাথে আমি একান্তে কথা বলেছি। আমার মনে হয় যে, তারা যে যুক্তিগুলো দিচ্ছেন সেগুলো তাদের হৃদয় থেকে আসছে না।’

তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্ব খুব গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ-ভারতের জনগণের মধ্যে যোগাযোগও খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কোম্পানি যে কাজটা করছে, সুন্দরবন বিনাশ করা সেটা শুধু সুন্দরবন বিনাশ করবে, তা-ই না। এটা বাংলাদেশ-ভারতের যে বন্ধুত্বের সম্ভাবনা সেই সম্ভাবনারও বিনাশ করবে।’

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন সুলতানা কামলা সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘এখানে প্রতিটা মানুষের যে অধিকার এবং তার বেঁচে থাকার যে পরিবেশ, সেটা সম্মানিত, সেটা সুরক্ষিত থাকবে, সেটা করার দায়িত্ব আপনাদের।’

দেশের অমূল্য সম্পদ সুন্দরবন বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজের বিশিষ্টজনরা। বিশেষজ্ঞদের বিরোধিতা সত্ত্বেও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে সম্প্রতি ভারতে দুটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

ছাত্রপক্ষের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক জিহাদ, সদস্যসচিব হাসিব

খালিদ সাইফুল্লাহ জিহাদকে আহ্বায়ক এবং জুবায়ের হাসিবকে সদস্যসচিব করে বাংলাদেশবিস্তারিত পড়ুন

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে খুবিতে বিক্ষোভ

সংসদে আইন পাশ করে কোটা সংস্কারের দাবি ও বিভিন্ন ক্যাম্পাসে কোটা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবন, কেন্দ্রীয় মন্দির, অপরাজিতা ছাত্রী হল, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, আবাসিক ছাত্র হল, শহিদ তাজ উদ্দিন আহমেদ প্রশাসন ভবনসহ বিভিন্ন ভবনের সামনে দিয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে দিয়ে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। তবে শিক্ষার্থীরা সড়কের একপাশে অবরোধ করায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলায় বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ করে আহত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গায়ে কেন হাত দেওয়া হলো প্রশাসনকে এর জবাব দিতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ দিয়ে হামলা করে ছাত্র সমাজকে দমানো যাবে না।

ভারি বৃষ্টির আভাস ৪ বিভাগে, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

দেশের চার বিভাগে ভারি এবং চার বিভাগে হালকা বৃষ্টি হতেবিস্তারিত পড়ুন

  • সরকারের জিম্মি থেকে দেশ ও জনগণ মুক্তি চায়: রাশেদ প্রধান
  • সতর্কবার্তা যাচ্ছে কোটা আন্দোলনে
  • পাকিস্তানের সংসদে পিটিআইকে সংরক্ষিত আসন দিতে আদালতের নির্দেশ
  • তিন দিন পর সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক
  • বাংলা ব্লকেডে শিক্ষার্থীরা, ‘কঠোর’ পুলিশ, মাঠে ছাত্রলীগও
  • ছাগলকাণ্ড: মতিউর পরিবারের আরও ১১৬টি ব্যাংক হিসাব, জমি-ফ্ল্যাট জব্দের নির্দেশ
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য দরকার রাজনৈতিক দাওয়াই: মির্জা আব্বাস
  • পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা, পিছু হটল রায়ট কার
  • কোটা আন্দোলন: মেট্রোরেলের শাহবাগ স্টেশন বন্ধ
  • আসামিসহ প্রিজন ভ্যান আটকে দিলো আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা
  • কোটা আন্দোলন: শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান প্রধান বিচারপতির
  • দশম দিনে গড়াল ঢাবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি