মঙ্গলবার, জুন ১৮, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

হত্যা নাকি আত্মহত্যা: সালমান শাহর মৃত্যু

১৯৯৬ সালে ৬ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় অপমৃত্যু মামলা।
১৯৯৭ সালে ২৪ জুলাই অপমৃত্যুকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন।
১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আত্মহত্যা বলে সিআইডির চূড়ান্ত প্রতিবেদন।
২০০৩ সালে বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু।
২০১৪ সালে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বলে তদন্ত প্রতিবদন।
২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি র‍্যাবকে পুনঃতদন্তের নির্দেশ।
২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল তদন্ত স্থগিত !

হত্যা নাকি আত্মহত্যা? সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে, গত ১৯ বছর ধরে এই রহস্যের খোঁজ চলছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হত্যার অভিযোগের প্রমাণ মেলেনি। তবে, তা মানতে নারাজ পরিবার। আর, সম্প্রতি র‍্যাবের তদন্ত স্থগিত করার বিষয়টিকে নজিরবিহীন বলছেন, বাদীর আইনজীবী।

সালমান শাহ। বাংলা সিনেমায় ধূমকেতুর মতোই যার আবির্ভাব। নাইট কুইন ফুলের মতো সুবাস বিলিয়ে হারিয়ে গেছেন, অনন্ত লোকে। মাত্র ২৫ বছর বয়সে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, নিজ বাসায় মেলে, তার মরদেহ। যা হত্যা নাকি আত্মহত্যা, ফয়সালা হয়নি আজও। ৬ সেপ্টেম্বরই রমনা থানায় অপমৃত্যু মামলা করেন, বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী। পরে, ১৯৯৭ সালে ২৪ জুলাই একে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করেন তিনি। এতে অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যার অভিযোগের তদন্ত করতে, সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।

দু’বার সিআইডি এবং একবার গোয়েন্দা পুলিশ আত্মহত্যা বলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন সালমানের বাবার নারাজি আবেদনে ২০০৩ সালে শুরু হয়, বিচার বিভাগীয় তদন্ত। এক যুগ পর, গত বছর বলা হয়, হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। যার বিরুদ্ধে এবার নারাজি আবেদন করেন, মা নীলা চৌধুরী। এতে চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি মামলাটি র‍্যাবকে পুনঃতদন্ত কোরে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন, ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত।

কিন্তু, ১৯ এপ্রিল, রাষ্ট্রপক্ষের রিভিউ আবেদনে তদন্ত স্থগিত করেন, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. কামরুল হোসেন মোল্লা। আরো শুনানির জন্য দিন ঠিক করা হয়, ২৭ জুলাই। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর দাবি, বাদী মারা গেলে, অপমৃত্যুর মামলা চলে না। অথচ দণ্ডবিধিতে বলা আছে, বাদীর সই চেনে এমন যে কেউ মামলা পরিচালনা করতে পারবেন।

এই মামলায় রিজভী আহমেদ নামে এক ব্যক্তির ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির পরও, বারবার আত্মহত্যা বলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়াকে রহস্যজনক বলে মনে করেন, মা নীলা চৌধুরী। রহস্য উদঘাটনে সরকারের সহযোগিতাও চান তিনি।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদুল আজহার ত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশবিস্তারিত পড়ুন

আবারও ১৯৭৪ সালের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে

দেশে আবারও ১৯৭৪ সালের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে বলেবিস্তারিত পড়ুন

উজানের ঢলে তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি

টানা বর্ষণ ও ভারত থেকে আসা উজানের পানিতে তিস্তা নদীরবিস্তারিত পড়ুন

  • জনশুমারিতে জন্মনিবন্ধনের বাইরে প্রায় তিন কোটি নাগরিক
  • সবুজবাগে পরিবেশমন্ত্রীর সেলাই মেশিন বিতরণ
  • ২১-২২ জুন ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট-সোশ্যাল জাস্টিস ফর অল : শীর্ষ সম্মেলন
  • ঈদযাত্রায় মহাসড়কে  চলছে ধীরগতিতে গাড়ি
  • ঈদ যাত্রা নিরাপদ করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে 
  • জমজমাট শপিংমল-মার্কেট
  • ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হবে আরাফাত ময়দান
  • সড়কে যানজট নেই : ওবায়দুল কাদের
  • দেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গাছ লাগাতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী
  • উত্তরাঞ্চলের ঈদযাত্রা হবে নির্ঝঞ্জাট
  • সাবেক কমিশনার ওয়াহিদা রহমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
  • Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *