বুধবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

১৫ সন্তানের বাবার আবদার আবার পুত্রসন্তানের

পুত্রসন্তান একটি৷ আশা আরও একটির৷ সেই আশায় আশায় ১৪ কন্যাসন্তানের জনক-জননী হয়ে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন আদিবাসী দম্পতি রামসিন সংগোদ ও তাঁর স্ত্রী কানু৷ কিন্তু তাঁদের ১৫ তম সন্তানটিও একটি কন্যাসন্তান৷ রামসিংয়ে আশা পুত্রের জন্য শেষবার চেষ্টা করে দেখবেন তিনি৷

পুত্রসন্তানের আকাঙ্ক্ষা যে কোন পর্যায়ে যেতে পারে, তা এই দম্পতিকে না দেখলে ভাবা যায় না৷ গুজরাটের ঝারিভুজি গ্রামে দরিদ্র কৃষক রামসিং চেয়েছিলেন পুত্র সন্তানের জনক হতে৷ কিন্তু তাঁদের পরপর সবগুলি সন্তানই হয় কন্যাসন্তান৷ রামসিংয়ের স্ত্রী কানু জানান, সেইসময়, রামসিং তাঁকে ভয় দেখাতে থাকেন, পুত্রসন্তান না হলে, তিনি দ্বিতীয়বার বিবাহ করবেন৷ অনাথ কানু স্বামীর ঘরছাড়া হওয়ার ভয়ে আবার সন্তানধারণে রাজি হয়ে যান৷ সেবার তাঁদের পুত্রসন্তানই হয়৷ আনন্দে ছেলের নাম রেখেছিলেন বিজয়৷ কিন্তু এবার রামসিনের নতুন আবদার শুরু হয় দ্বিতীয় পু্ত্রসন্তানের জন্য৷ কিন্তু তাঁদের ১৫তম সন্তানটিও কন্যাসন্তানই৷ তবু হতাশ নন রামসিং৷ তিনি এখনও শেষ চেষ্টা করে দেখতে চান৷ ২ অগস্ট ১৪ তম কন্যার জন্মের পরই পরের পরিকল্পনা করে ফেলেছেন তিনি৷

স্বামীর দাবিতে প্রায় প্রতিবছর সন্তানধারণের যন্ত্রণা নিতে নিতে ক্লান্ত রামসিংয়ে স্ত্রী কানু৷ গত ১৫ বছর ধরে প্রায় প্রতি বছর ধরেই তিনি গর্ভযন্ত্রণা পেয়ে চলেছেন৷ বড় দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছে৷ তাদের বয়সও মোটে ১৭ ও ১৫৷ শেষ সন্তানটির বয়স এখনও ২ বছর হয়নি৷ এর মধ্যেই আরও এক সন্তানের জন্ম দিয়েছেন৷ এরই মধ্যে আবার সন্তানধারণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতও নন তিনি৷ স্বামীকে তিনি জানিয়েছেন, এই ধকল তিনি আর নিতে পারবেন না৷ ৩৩ বছরের কানু জানিয়েছেন, তাঁর শরীরও অশক্ত৷ কিন্তু কানুর সে কথায় কান দিতে চান না রামসিন৷তিনি চাইছেনষ শেষবারের মতো চেষ্টা করে দেখা যেতেই পারে৷

কেন এইভাবে হন্যে হয়ে পুত্রসন্তান চাইছেন তাঁরা? তাঁদের সম্প্রদায়ের রেওয়াজ যে, বোনের বিয়েতে দাদা বা ভাইকে পাত্রপক্ষের সমস্ত দাবিদাওয়া মেটাতে হয়৷ বর্তমানে ১৮ মাস বয়সী বিজয় যে তা করে উঠতে পারবে না তা জানেন রামসিং৷ আর তাই দ্বিতীয় পুত্রসন্তানের জন্য জিদ তাঁর৷ কিন্তু কিছুদিন আগেও স্বামীর মতে সহমত থাকলেও, এখন অশক্ত শরীর নিয়ে আর রাজি হতে চাইছেন না কানু৷ তাঁর বক্তব্য, এবার অন্তত মেনে নেওয়া উচিত যে, ভগবান তাঁদের একটি সন্তানই দিতে চেয়েছেন৷

রামসিনের গ্রামে প্রায় সকলেরই আটটি কিংবা নটি করে সন্তান৷ কিন্তু পুত্রসন্তানের মোহে এই আদিবাসী দম্পতি যেন সব সীমা অতিক্রম করে গেলেন৷ দেশে শিক্ষার তথাকথিত প্রসার ও কন্যাসন্তান বাঁচানোর প্রকল্প ইত্যাদি যে কতটা দেখনদারি, বাস্তবের জমিতে কতটা অকৃতকার্য তাও প্রায় চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে রামসিংয়ের এই পুত্রসন্তানের মোহ৷

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

কঠিন রোগে ভুগছেন হিনা খান, চাইলেন ভক্তদের সাহায্য

ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রীদের মধ্যে হিনা খানের সাজপোশাক নিয়ে চর্চা লেগেইবিস্তারিত পড়ুন

কান্না জড়িত কন্ঠে কুড়িগ্রামে পুলিশের ট্রেইনি কনস্টেবল

আমার বাবা ভিক্ষা করতো, মা রাজমিস্ত্রীর কাজ করতো। সংসারে খুববিস্তারিত পড়ুন

অজানা গল্পঃ গহীন অরণ্যে এক সংগ্রামী নারী

গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের একটি গ্রাম ফুলানিরসিট। সেবিস্তারিত পড়ুন

  • মৌলানা পাস দিয়েছিলেন তারেক মাসুদ
  • আজ শুভ জন্মদিন হুমায়ূন আহমেদ স্যার এর, আয়োজন জুড়ে যা যা থাকছে
  • অভিনেতা ডিপজল দেশে ফিরবেন বৃহস্পতিবার: কি অবস্থায় আছেন তিনি !
  • ড. ইউনূস ফ্রান্সে সম্মাননা নাগরিকত্ব পেলেন
  • সুপারস্টার মেসিকে দেখতে চাকরি বিসর্জন দিলেন এক মেসিভক্ত !
  • দুই হাতে লেখে যে স্কুলের শিক্ষার্থীরা !
  • বাংলাদেশপ্রেমী ফাদার মারিনোর শেষ ইচ্ছা পূরণ হলো না !
  • বন্ধু ফাদার মারিনো রিগন আর নেই !
  • স্মার্টফোন কিনে লাখপতি হলেন পারভেজ
  • ‘সন্তানকে আগুনে ছুড়ে আমাকে ধর্ষণ করে সেনারা’
  • বিয়ের পূর্বে তিনি আগের স্ত্রীদের কাছ থেকে অনুমতি নেনঃ চল্লিশ বছরে ১২০ বিয়ে!
  • কেবল চা-পানি পান করে ৬০টি বছর পার করে দিল