‘জনগণ খালেদা জিয়াকে রেডকার্ড দেখাবে’


স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, দু’দিন আগেও খালেদা জিয়া বলেছে এ সরকার অবৈধ, পার্লামেন্ট অবৈধ। আবার তারা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এই সরকারের অধিনে পৌর নির্বাচন করলো। এখন ইউপি নির্বাচন করবে। এক মুখে কত কথা বলবেন। মানুষ এখন আপনার কথা শুনে হাসে খালেদা জিয়া। আপনি যতই আন্দোলন করেন না কেন, ২০১৯ সালের আগে দেশে কোন জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। ২০১৯ সালের নির্বাচনে আসেন, আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল খেলা হবে। আর ওই নির্বাচনে জনগন আপনাকে রেডকার্ড দেখাবে বেগম খালেদা জিয়াকে।
শনিবার ভোলা শহরের সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বাষিক সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, আমাদের সতর্ক থাকতে দহবে। বিএনপি-জাতায়াতের জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি বন্ধ হলেও, তাদেও চক্রান্ত বন্ধ হয় নাই। আমরা বলেছি আসেন বসে আলোচনা করি কি ভাবে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায়। কিন্তু খালেদা জিয়া আসলেন না। তিনি আন্দোলনের নামে রাস্তায় মানুষ পুরিয়ে মেরেছে। ৫ জানুয়ারি নির্বাচন না হলে বাংলাদেশ থাইল্যান্ড, ব্যাংকরের মত মার্শাল হয়ে যেতো। ওই নির্বাচনে শেখ হাসিনা ক্ষতায় এসেছে বলেই দেশে উন্নয়ন হচ্ছে। দেশে এখন গ্যাস, বিদ্যুৎ, খাদ্যে কোন ঘাটতি নেই।
স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আর তা অব্যহত থাকবে। এমন একদিন আসবে শেখ হাসিনার “একটা জাতীকে বদলে দেওয়ার গল্প” পৃথিবীর মানুষ শুনবে।
সকালে জাতিয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন শুরু হয়। এসময় স্বাগত বক্তব্যেও মধ্যদিয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
এছাড়াও সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় আ.লীগের সাধারন সম্পাদক জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় আ.লীগের যুগ্ন সম্পাদক জাহাঙ্গির করির নানক, কেন্দ্রীয় আ.লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাসিম, দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া, সাবেক খাদ্য মন্ত্রী ড. আবদুল রাজ্জাক এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি, জাতীয় সংসদের চিপ হুইপ আ.স.ম ফিরোজ এমপি, বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী আবদুল্লা আল ইসলাম জ্যাকব, আলী আজম মুকুল এমপি, নুরন্নিবী চৌধুরী শাওন এমপি, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফজলুল কাদের মজনু মোল্লা, সাধারন সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু, মেয়র মনিরুজ্জামানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবিন্দ।
এর আগে সকাল থেকে সম্মেলন স্থলে বিভিন্ন ইউনিয় ও পৌর ওয়ার্ড থেকে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। দুপুর নাগাদ প্রায় ৩০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে সম্মেলন স্থল কানায় কানায় ভরে যায়।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ
রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধবিস্তারিত পড়ুন


অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন


সাবেক এমপি মিয়াজী যশোরের পার্ক থেকে আটক
ঝিনাইদহ-৩ আসনের সাবেক এমপি ও শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক সচিববিস্তারিত পড়ুন













