দেহব্যবসায় নামাতে ছাত্রীকে মা ও স্বামীর অত্যাচার

দেহব্যবসায় নামানোর জন্য নিজের মা ও স্বামী অনেকদিন ধরেই অত্যাচার চালিয়ে আসছিল। কিন্তু তাতে রাজি না হওয়ায় বেড়ে যায় অত্যাচারের মাত্রাটা। তাকে বাঁচাতে কেউ এগিয়ে আসেনি। তাই ভারতের তেলেঙ্গানার ঝাঁসি রানি সিদ্ধান্ত নেন, বিষয়টি জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে সি আর এবং পুলিশ প্রধানকে চিঠি লিখবেন। লিখেও ফেললেন চিঠিটা।
চিঠি যাতে তাড়াতাড়ি পৌঁছায় সে জন্য সাধারণ পোস্টে না পাঠিয়ে স্পিড পোস্ট করেন ওই তরুণী। কিন্তু সেই চিঠি যতোক্ষণে মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ প্রধানের হাতে এলো ততক্ষণে সব শেষ। মুখ্যমন্ত্রী কিংবা পুলিশ প্রধানও তাকে সাহায্য করতে না আসায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেন ২১ বছরের বিটেক ছাত্রী ঝাঁসি।
আসলে চিঠিটা সঠিক সময় সঠিক লোকের হাতেই পাৌঁছায়নি। চিঠি পেয়েই সেখানে গিয়ে পুলিশ দেখে বাড়ির দরজা বন্ধ। জানা যায়, ঝাঁসি আত্মহত্যা করেছেন। কেউ কিছু জানার আগেই মেয়ের দেহের সত্কার করে দেন মা। তবে ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত ঝাঁসির মা ও স্বামী।
চিঠিটা যদি সময়মতো পৌঁছাতো, তাহলে হয়তো অন্যরকম কিছু ঘটতে পারতো। অন্যরকমভাবে লেখা হতো গল্পটা। একটা অসহায় মেয়ের জীবন হয়তো বেঁচে যেতো।
এদিকে জানা যায়, ২ বছর আগে টাকার বিনিময়ে জোর করে মেয়েকে এক লম্পটের সঙ্গে বিয়ে দেন তার মা। বিয়ের পর থেকেই শুরু হয় অশান্তি। তাই কোনোভাবেই স্বামীর সঙ্গে থাকতে রাজি ছিলেন না ঝাঁসি। কারণ তার স্বামী চাইতো ঝাঁসি যেন দেহব্যবসা করে টাকা রোজগার করে। আর এতে রাজি ছিলেন তার মা নিজেও।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

পৃথিবীর সব প্রাণী ধ্বংস হবে কবে, জানালেন বিজ্ঞানীরা
পৃথিবীতে কোনো প্রাণী বা প্রজাতিই স্থায়ী নয়। একদিন না একদিনবিস্তারিত পড়ুন

এটিএম থেকে টাকার পরিবর্তে কী বের হচ্ছে?
এটিএম বুথের মেশিন থেকে টাকাই তো বের হওয়ার কথা। কিন্তুবিস্তারিত পড়ুন

৩৩ বছরে ছুটি নিয়েছেন মাত্র একদিন
১৯৪০-এ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নার্সিংয়ে হাতেখড়ি। দু’টি বিশ্বযুদ্ধ, ২৪ বার প্রধানমন্ত্রীবিস্তারিত পড়ুন