নিজের যৌনি নিয়ে অক্ষয়ের সামনেই প্রকাশ্যে এ কী বলে বসলেন টুইঙ্কল খন্না!

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক কর্ণ জোহর মঞ্চে আমন্ত্রণ করেন টুইঙ্কলের গাইনোকলজিস্ট ডাক্তার শেহরিয়ারকে। তাঁর সামনেই আলোচনা শুরু হয় টুইঙ্কলের গর্ভাবস্থা নিয়ে। সেই সময়েই নিজের যোনি নিয়ে মন্তব্য করে সকলকে চমকে দেন টুইঙ্কল।
অক্ষয় কুমারের জীবনের অন্যতম অবলম্বন তিনি। ২০০১ সালে তাঁর সঙ্গে বিয়ে হয় অক্ষয়ের। তার পর ১৫ বছরের দাম্পত্য কাটিয়ে ফেললেন অক্ষয় কুমার-টুইঙ্কল খন্না। ইতিমধ্যে দুই সন্তানের জনক-জননী হয়েছেন তাঁরা। ভিতরকার খবর যতটুকু জানা যায়, সুখেই রয়েছেন দু’জনে।
১৯৯০-এর দশকে টুইঙ্কলও বেশ কিছু বলিউড ছবিতে নায়িকা হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সাফল্য তাঁর অধরাই থেকে যায়। তবে অভিনয়ের দুনিয়ায় ব্যর্থ হলেও হোমমেকার হিসেবে তিনি পুরোদস্তুর সফল। অক্ষয়ের সঙ্গে চুটিয়ে সংসার করছেন তিনি। দু’জনের মধ্যে কোথাও কোনও অভিযোগ-অভিমান এখনও দানা বাধেনি বলেই শোনা যায়।
কিন্তু এই টুইঙ্কলই বছর খানেক আগে তীব্র বিতর্ক তৈরি করেছিলেন নিজের গোপনাঙ্গ নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করে। এবং গোপনাঙ্গ মানে যে কোনও গোপনাঙ্গ নয়, একেবারে নিজের যোনি নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করে বসেছিলেন টুইঙ্কল।
ঠিক কী হয়েছিল? আসলে ১৮ অগস্ট ২০১৫ তারিখে প্রকাশিত হয় টুইঙ্কলের লেখা বই ‘মিসেস ফানি বোনস’। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অক্ষয় কুমার, আমির খান, এবং কর্ণ জোহর। বই প্রকাশের কিছু দিন আগেই মা হয়েছিলেন টুইঙ্কল। সেই সূত্রেই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক কর্ণ জোহর মঞ্চে আমন্ত্রণ করেন টুইঙ্কলের গাইনোকলজিস্ট ডাক্তার শেহরিয়ারকে। তাঁর সামনেই আলোচনা শুরু হয় টুইঙ্কলের গর্ভাবস্থা নিয়ে। সেই সময়েই নিজের যোনি নিয়ে মন্তব্য করে সকলকে চমকে দেন টুইঙ্কল।
টুইঙ্কল কথা বলছিলেন সন্তান প্রসবের আগে নিজের ফলস লেবার পেন নিয়ে। তিনি জানান, হঠাৎ করে একদিন ব্যথা ওঠায় তিনি ভেবেছিলেন, সন্তান প্রসবের সময় হয়ে গিয়েছে। ঘটনাচক্রে ডাক্তার শেহরিয়ার আবার সেই সময়ে নিজের স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে বাইরে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন। আতঙ্কিত টুইঙ্কল ডাক্তারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। ডাক্তার প্রথমে ফোন ধরতে পারেননি। পরে ফ্রি হয়ে তিনি নিজেই বারংবার ফোন করতে থাকেন টুইঙ্কলকে। ততক্ষণে টুইঙ্কলের আতঙ্ক কেটে গিয়েছে, তিনি বুঝে গিয়েছেন, ব্যথাটা ছিল নিছকই ফলস লেবার পেন। সেই সময়ে বার বার ফোনে বিরক্ত হয়ে টুইঙ্কল নাকি তাঁর জাক্তারকে বলেন, ‘আমার যোনি নিয়ে ভাবনা ছাড়ুন, নিজের হাতের কাছে যে যোনি রয়েছে, সে দিকে মন দিন।’ অর্থাৎ ইঙ্গিতে টুইঙ্কল নিজের স্ত্রীয়ের প্রতি ডাক্তারকে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন।
প্রকাশ্যে নিজের গোপনাঙ্গ নিয়ে মন্তব্য করে সেই সময়ে উপস্থিত জনতাকে বেশ খানিকটা চমকেই দিয়েছিলেন টুইঙ্কল।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

পৃথিবীর সব প্রাণী ধ্বংস হবে কবে, জানালেন বিজ্ঞানীরা
পৃথিবীতে কোনো প্রাণী বা প্রজাতিই স্থায়ী নয়। একদিন না একদিনবিস্তারিত পড়ুন

এটিএম থেকে টাকার পরিবর্তে কী বের হচ্ছে?
এটিএম বুথের মেশিন থেকে টাকাই তো বের হওয়ার কথা। কিন্তুবিস্তারিত পড়ুন

৩৩ বছরে ছুটি নিয়েছেন মাত্র একদিন
১৯৪০-এ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নার্সিংয়ে হাতেখড়ি। দু’টি বিশ্বযুদ্ধ, ২৪ বার প্রধানমন্ত্রীবিস্তারিত পড়ুন