ব্যবসায়ী জুনায়েদ খুন, দুই সন্দেহে ঘুরপাক খাচ্ছে রহস্য

রাজধানীর মিরপুরে আবাসিক হোটেল ও প্রপার্টিজ ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জুনায়েদকে গুলি করে হত্যার ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটিত হয়নি। তবে চাঁদাবাজি ও এবং ব্যবসায়িক বিরোধকে গুরুত্ব দিয়েছে তদন্ত করছে পুলিশ।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার পর্যন্ত সন্দেহভাজন পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে তিনজনকে র্যাব ও দু’জনকে পুলিশ আটক করে। গত মঙ্গলবারে গভীর রাতে মিরপুর এলাকায় আলাদা অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, দারুস সালাম থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে জুনায়েদের তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করা হচ্ছে। তার পকেটে তিন লাখ ছয় হাজার টাকার একটি চেক তিন টুকরো অবস্থায় পাওয়া গেছে। এটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ, র্যাব, পিবিআই কাজ করছে। কি কারণে জুনায়েদকে হত্যা করা হয়েছে তা পরিবারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারছে না। চাঁদাবাজি বা ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে হত্যা করা হতে পারে।’
র্যাব-৪ এর অধিনায়ক খন্দকার অতিরিক্ত ডিআইজি লুৎফুল কবির বলেন, ‘জুনায়েদ যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, আবাসিক হোটেল বা দোকানের মালিক ছিলেন তার খোঁজ নেয়া হচ্ছে। কোনো শত্রুতা বা চাঁদার দাবিতে তাকে হত্যা করা হয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দু’বছর আগে জুনায়েদের বাড়ির সামনে গুলির ঘটনায় দারুস সালাম থানায় করা জিডির বিষয়ে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।’
সূত্র জানায়, পুলিশ ব্যবসায়িক বিরোধের পাশাপাশি চাঁদাবাজির বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। এ জন্য জুনায়েদের পরিচিত দুইজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। র্যাবও তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তবে রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি কেউ।
নিহতের ভাই ডা. সাইদ হোসেন সোহাগ বলেন, ‘কারা, কী কারণে জুনায়েদকে হত্যা করেছে সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই। তবে ব্যবসায়িক দ্বন্দ বা চাঁদার দাবিতে তাকে হত্যা করা হতে পারে। হত্যাকারী যেই হোক তার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছে।’
গত মঙ্গলবার ভোরে মিরপুরের পাইকপাড়া সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার জামে মসজিদের সামনে থেকে হোটেল ও প্রপার্টিজ ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জুনায়েদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই ডা. সাইদ হোসেন সোহাগ দারুস সালাম থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। জুনায়েদ তার স্ত্রী লাকী আক্তার ও দু’সন্তানকে নিয়ে উত্তর টোলারবাগের ১৯/কে সেল প্রত্যাশা ভবনের ৩-এ ফ্ল্যাটে থাকতেন।
জানা গেছে, জুনায়েদ দক্ষিণ বিশিলের ১১২ নম্বর নিউ হোটেল শাহজালাল আবাসিক হোটেলের মালিক ছিলেন। এ ছাড়া তিনি মিরপুর প্রপার্টিজ’র ক্যাশিয়ার, ওয়েসিস রিয়েল এস্টেট এন্ড ডেভেলপারস নামক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক অংশিদার, মিরপুর-১ নম্বরে একটি মার্কেট ও বেশ কয়েকটি দোকানের মালিক ছিলেন।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

ধানমন্ডি ৩২-এ প্রদীপ প্রজ্বলন, অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচীর ওপর হামলা
আমাদের কন্ঠস্বর: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সব ধরনের হত্যারবিস্তারিত পড়ুন

ঢাকায় এক দিনে ৪ জনকে পিটিয়ে হত্যা
রাজধানী ঢাকায় এক দিনে চারজনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।বিস্তারিত পড়ুন

রাজধানীতে আনসার ব্যাটালিয়ন মোতায়েন
ঢাকা মহানগরীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১৬ প্লাটুন আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য মোতায়েনবিস্তারিত পড়ুন