ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হলে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যাবে পাকিস্তান


সরাসরি যুদ্ধে যাওয়ার ক্ষমতা নেই৷ তাই ‘কাপুরুষ’দের মতো ছায়াযুদ্ধের আশ্রয়েই বেঁচে থাকবে পাকিস্তান৷যুদ্ধ হলেই পাকিস্তান মরবে৷ মত, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কেকে গাঙ্গুলির৷ একই সঙ্গে সোমবার পাক সেনাবাহিনীর বাঙ্কারে হামলা চালানোর জন্য ভারতীয় জওয়ানদের কুর্নীশ জানালেন তিনি৷ পাকিস্তানকে মোক্ষম জবাব দেওয়া হয়েছে বলেই জানান তিনি৷ তিনি বলেন, এই জবাবটার জন্যই গোটা দেশ অপেক্ষা করছিল৷
সোমবার জম্মুও কাশ্মীরের কৃষ্ণঘাঁটি সেক্টরে পাক-সেনা বাঙ্কারে হামলা চালায় ভারতীয় জওয়ানরা৷কয়েক হাজার ফুট উঁচুতে অ্যান্টি ট্যাঙ্ক কামান নিয়ে গিয়ে হামলা চালানো হয়৷পুরো হামলার ঘটনা ক্যামেরা বন্দীও করেন ভারতীয় জওয়ানরা৷ এদিন সেই হামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাক্তন সেনা কর্তা মেজর জেনারেল কেকে গাঙ্গুলি মন্তব্য করেন, ‘‘সীমান্তে লাগাতার ছায়া যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান৷ এদিন কড়া জবাব পেয়েছে৷’’ একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, পাক সেনাবাহিনীর হামলায় শুধু যে জওয়ানদের মৃত্যু হচ্ছে তা নয়, সীমাম্তবর্তী গ্রামের মানুষদের কাছেও সেখানে থাকা সম্ভব হচ্ছে না৷তাই পাকিস্তানকে এই জবাব দেওয়াটা খুব দরকার ছিল৷
সোমবারের ঘটনার পর পাকিস্তান যে চুপ করে বসে থাকবে না এদিন সেই আশঙ্কাও প্রকাশ করেন মেজর জেনারেল কেকে গাঙ্গুলি৷ তিনি বলেন, ‘‘পাকিস্তান চুপ করে থাকবে না, এটা ঠিক৷কিন্তু তা বলে সরাসরি যুদ্ধে জড়াবে না৷ যুদ্ধ হলেই পাকিস্তান মরবে৷’’ এর আগে যতবার যুদ্ধ হয়েছে প্রত্যেকবার পাকিস্তান হেরেছে বলেও এদিন সেকথা আর একবার স্মরণ করিয়ে দেন তিনি৷ তাঁর মতে, যুদ্ধে যাওয়ার ক্ষমতা নেই পাকিস্তানের৷তবে বরাবরের মতো ছায়াযুদ্ধের আশ্রয়েই বেঁচে থাকবে তারা৷
এদিকে ভারতীয় জওয়ানের হামলার ঘটনার পাল্টা হিসাবে যে কোন পথ পাকিস্তান নিতে পারে বলে জানান প্রাক্তন এই সেনাকর্তা৷তিনি বলেন, অন্য যে কোনও সেক্টরে হামলা চালাতে পারে পাকিস্তান৷এমনকী জঙ্গি অনুপ্রবেশ করানোরও চেষ্টা করবে৷এর জন্য শুধু যে কাশ্মীর সীমান্ত দিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশ হবে তা নয়৷ মেজর জেনারেল কেকে গাঙ্গুলির মতে এর জন্য সমুদ্রপথও ব্যবহার করতে পারে পাক জঙ্গীরা৷ গত সেপ্টেম্বরের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর এই আঘাত পাকিস্তানের কাছে অন্যতম বড় ধাক্কা বলেও এদিন জানান তিনি৷এরজন্য দেশের প্রত্যেক সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করার পরামর্শ দেন তিনি৷ এর জন্য আরও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সেনাবাহিনীর সমরসজ্জা সাজানো উচিত বলেও জানান তিনি৷
প্রাক্তন সেনাকর্তা কেকে গাঙ্গুলি জানান, সেনাবাহিনী সবসময় যে কোনো পরিস্থিতির জন্যই তৈরি থাকে৷ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকে সবুজ সংকেত এলেই তারা যে কোনো রকম আক্রমণের জন্য ঝাঁপিয়ে পরতে পারে৷ সেনা সবুজ সংকেত পেলে পাকিস্তানের যে সমূহ বিপদ বাড়বে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না৷ সূএ: কলকাতা
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


ভিসা প্রার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নির্দেশনা
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদনকারী সব অনভিবাসী ভিসা প্রার্থীদের সব সামাজিকবিস্তারিত পড়ুন


স্বর্ণের দামে আবারও বড় পতন
চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদহার বাড়ার আশঙ্কায়বিস্তারিত পড়ুন


দেশ থেকে যে ৩ চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে বিশ্বকাপ
দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপেরবিস্তারিত পড়ুন













